শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৪:৫২ পূর্বাহ্ন

আত্মহত্যাকারী বিজিবি সদস্য সোহরাবের পরিবারের পাশে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীরা

এইচ এম জাকির
  • আপডেট টাইম : সোমবার ২২ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩৫ বার পঠিত

আত্মহত্যাকারী বিজিবি সদস্য সৌরভের পরিবারের পাশে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরাম। দারিদ্র্যের কারণে আত্মহত্যাকারী বিজবি সদস্য সোহরাব হোসেন সোহেলের পরিবারের পাশে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি জনাব মোঃ মোফাজ্জল হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহমুদুল হাসান এর নেতৃত্বে আর্থিক সহায়তা নিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছেন ১১-২০ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরাম। সম্প্রতি পরশুরাম পৌরসভার বাশ পদুয়া গ্রামে গিয়ে সোহরাবের বাবা আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, মা সালেহা বেগমসহ স্বজনদের সাথে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মোঃ মোফাজ্জল হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ মাহমুদুল হাসান এর নেতৃত্বে দেখা করে এ আর্থিক সহায়তা তুলে দেয়া হয়। এর পুর্বে সোহরাব হোসেন এর কবর জেয়ারত করে সোহরাবের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন ফোরামের নেতৃবৃন্দ।সোহরাব হোসেনের মৃত্যুর বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তারা বলেন সরকারের ১১-২০ গ্রেডে কর্মরত কর্মচারীরা অভাব-অনটন, পরিবারের চাহিদা মেটানোর জন্য ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে জীবন যাপন করছেন। সোহরাব হোসেন তার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তা প্রমাণ করে গেছেন, ২০১৫ সালে প্রদত্ত বৈষম্যমূলক পে স্কেল পরবর্তী ক্রমাগত দ্রব্যমূল্যের চরম ঊর্ধ্বগতি ও সেবা মূল্যের ঊর্ধ্বগতি কারণে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহ করা কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে গেছে, আজ এ সকল কর্মচারীরা অভাব-অনটন ও দৈন্যদশার মধ্যে জীবন অতিবাহিত করছে, তাই এ সকল কর্মচারীদের ন্যূনতম খেয়ে-পড়ে বেঁচে থাকার জন্য নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা জরুরী হয়ে পড়েছে, এ বিষয়ে নেতৃবৃন্দ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বৈষম্যমুক্ত নতুন পে-স্কেল ঘোষণার জোর আবেদন জানান।এসময় উপস্থিত ছিলেন ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, অর্থ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, মোঃ কামাল হোসেন, আইন সম্পাদক গোলাম রসুল নয়ন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক খাদিজা খানমসহ ফেনী জেলা কমিটির আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান আসাদ এবং সদস্য সচিব ফখরুল ইসলাম, জেলা আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র সদস্য মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন জাহান, সহদেব চন্দ্র দাস, লিটন মালাকার, মাহমুদুল হাসান, মোঃ তোয়াব আলী, মাসুম বিল্লাহ প্রমূখ।
সম্প্রতি ময়মনসিংহের খাগডহর এলাকায় অবস্থিত ৩৯ বিজিবি ব্যাটালিয়ন ক্যাম্পে নিজের গুলিতে আত্মহত্যা করেন সোহরাব। এর আগে সোহরাব তার অল্প বেতন ও অভাব অনটনের কথা উল্লেখ করে ফেসবুকে স্টেটাস দেন। সোহরাবের বাবার তিন ছেলে এক মেয়ের মধ্যে সোহরাব ছিলো প্রথম। তার আরেক ভাই বাক প্রতিবন্ধী।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এ জাতীয় আরো খবর..