সোমবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২২, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন

হাসপাতাল চুরির মামলায় সিআইডি কর্মকর্তাদের নজিরবিহীন তদন্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট টাইম : বুধবার ৫ জানুয়ারী, ২০২২
  • ২১ বার পঠিত

রাজধানীর বারিধারায় স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী একটি বেসরকারী হাসপাতালের মালামাল চুরির মামলায় তদন্তের দায়িত্ব পায় সিআইডি। সিআইডি’র তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ সুদীর্ঘ ৮ মাস তদন্ত করে একটি অসত্য, বানোয়াট, অসঙ্গতিপূর্ণ মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দিয়েছেন মর্মে অভিযোগ উঠেছে। তদন্ত কর্মকর্তা মামলার আসামীদের বাঁচানোর জন্য মালামাল চুরির ঘটনাকে অন্য দিকে ধাবিত করার জন্য সু-কৌশলে রাতের ঘটনাকে দিনে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। চুরির ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদনে একটি অবাক করার বিষয় হচ্ছে তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদনে ১৬১ ধারায় স্বাক্ষীদের যে জবানবন্দি দিয়েছেন তা বিভিন্ন প্রতিবেদনে বিশেষ করে বৈশাখী টিভির সরেজমিন রিপোর্টেও মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে। শুধু তাই নয় তদন্ত রিপোর্টে একই ব্যক্তির একাধিক নামে জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করে আদালতে জমা দিয়েছে তদন্ত কর্মকর্তা। ১ম তদন্তের বিরুদ্ধে আদালতে বাদী নারাজী জানালে আদালত পুনরায় এএসপি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা দিয়ে সিআইডিকে পুনরায় তদন্তের জন্য নির্দেশ দিলে সিআইডি তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি জাহাঙ্গীর হোসেন তদন্তে দায়িত্ব পান। এএসপি জাহাঙ্গীর হোসেন তদন্তে এসে অভিযোগের ব্যাপারে সত্যতা পাওয়ার পরও পূর্বের তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল লতিফের হুবহু রিপোর্ট প্রদান করেন। অথচ বৈশাখী টিভিসহ বিভিন্ন পত্রিকার প্রতিবেদন ও মামলার স্বাক্ষী ও অন্যান্য সাক্ষীর জবানবন্দিতে ও চুরি যাওয়া মালামাল সাভারের হেমায়েতপুরের যে বাড়ীতে নিয়ে গেছে সে বাড়ির মালিক শহীদ ও তার ম্যানেজার কবিরের সাথে কথা বলে মামলার বাদীর অভিযোগের সত্যতাসহ আসামীদের সম্পৃক্ততা দিবা লোকের মত পরিস্কার হয়েছে।

চুরির মামলায় সিআইডি কর্মকর্তাদের নজিরবিহীন মিথ্যাচার ও অসংগতিপূর্ণ মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট দেখে মামলার বাদী মফছেনা আক্তার এর একটি জিজ্ঞাসা উক্ত তদন্ত কর্মকর্তাদের সত্য প্রতিবেদনের জন্য তার যে অপূরণীয় ক্ষতি হয়েছে এর দায়ভার কে নিবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


এ জাতীয় আরো খবর..