শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

সিএস ম্যাপ অনুযায়ী আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনঃখনন এগিয়ে নেয়া হবে: মেয়র তাপস

#
news image

ঢাকা দক্ষিণ সিটি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস জানিয়েছেন, সিএস ম্যাপ অনুযায়ী আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনঃখনন কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া হবে।
নগরীর শহীদ নগর এলাকায় ডিএসসিসির জলাবদ্ধতা দূরীকরণে বুড়িগঙ্গা আদি চ্যানেলের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলের ২.৭ কিলোমিটার অংশের পুনঃখনন কার্যক্রম নেয়া হবে এবং আমরা এর সাথে সাথে সীমানাটা নির্ধারণ করব। আমরা সিএস মানচিত্র (ম্যাপ) দেখে পরিপূর্ণভাবে আদি বুড়িগঙ্গার সীমানা নির্ধারণ করব। তারপর সীমানা বেষ্টনী দেবো এবং এই খনন কার্যক্রম আমরা এগিয়ে নিয়ে যাবো।’
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, ‘এসব খাল-নদী দখলের মাধ্যমে যারা অনৈতিক সুবিধা নিচ্ছেন, আমাদের কার্যক্রমে তারা মনক্ষুন্ন হতেই পারে। তাদের প্রতি আমাদের সহানুভূতি জানানো ছাড়া আর কিছুই করার নেই। আমি মনে করি, এর মাধ্যমে সবার উপকার হবে। ঢাকা শহরের অবস্থার পরিবর্তন হবে।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহর বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নগরী। এ নগরীকে আমাদের গড়তে হবে। এর পরিবেশ ঠিক করতে হবে আমাদের। ঢাকা শহরকে সুন্দর করার মাধ্যেমেই আমাদের সুনাম ছড়িয়ে পড়বে পুরো বাংলাদেশে।’
ঢাকাকে একটি উন্নত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে খাল-নদী হতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরে মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা শহরকে সুন্দর করে গড়ে তোলার অনেক সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- আমাদের খাল এবং নদীগুলোকে সংস্কার করা। সেজন্য কাজ শুরু হয়েছে। আমাদের মেয়রগণ ঢাকা শহরকে একটি উন্নত নগরী হিসেবে রূপান্তরিত করার জন্য দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছেন।’
দক্ষিণ সিটির নিজস্ব অর্থায়নে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনঃখনন কাজ শুরু করা হয়েছে উল্লেখ করে ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনঃখননে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিলেন। সেই অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব অর্থায়নে সাড়ে ২১ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী অর্থবছরে আরও বেশি বরাদ্দ রাখা হবে এবং পরিপূর্ণভাবে যেন খনন করা যায় সে কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। তবে এটা আনন্দের বিষয় যে, আমরা কাজটি শুরু করতে পেরেছি।’
আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল নিয়ে বড় ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এখানে একটি বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। পুরো কামরাঙ্গীরচর নিয়ে মহাপরিকল্পনার আলোকে কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। সুতারাং আদি বুড়িগঙ্গা, কামরাঙ্গীরচর, লালবাগ, হাজারীবাগ, চকবাজার ও পুরান ঢাকা ঘিরে কিভাবে একটি নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়, কিভাবে নদীর প্রবাহ ও নদী পুনরুদ্ধার করে ঢাকাবাসীর প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি বাসযোগ্য নগরী উপহার দেয়া যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে।         
এরপর মেয়র নগরীর ৬২ নম্বর ওয়ার্ডে অন্তবর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু, দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, সচিব আকরামুজ্জামান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডসমূহের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের মহিদা কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন। 

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৯ জুন, ২০২২,  9:04 PM

news image

ঢাকা দক্ষিণ সিটি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস জানিয়েছেন, সিএস ম্যাপ অনুযায়ী আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনঃখনন কার্যক্রম এগিয়ে নেয়া হবে।
নগরীর শহীদ নগর এলাকায় ডিএসসিসির জলাবদ্ধতা দূরীকরণে বুড়িগঙ্গা আদি চ্যানেলের পুনঃখনন কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলের ২.৭ কিলোমিটার অংশের পুনঃখনন কার্যক্রম নেয়া হবে এবং আমরা এর সাথে সাথে সীমানাটা নির্ধারণ করব। আমরা সিএস মানচিত্র (ম্যাপ) দেখে পরিপূর্ণভাবে আদি বুড়িগঙ্গার সীমানা নির্ধারণ করব। তারপর সীমানা বেষ্টনী দেবো এবং এই খনন কার্যক্রম আমরা এগিয়ে নিয়ে যাবো।’
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, ‘এসব খাল-নদী দখলের মাধ্যমে যারা অনৈতিক সুবিধা নিচ্ছেন, আমাদের কার্যক্রমে তারা মনক্ষুন্ন হতেই পারে। তাদের প্রতি আমাদের সহানুভূতি জানানো ছাড়া আর কিছুই করার নেই। আমি মনে করি, এর মাধ্যমে সবার উপকার হবে। ঢাকা শহরের অবস্থার পরিবর্তন হবে।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকা শহর বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নগরী। এ নগরীকে আমাদের গড়তে হবে। এর পরিবেশ ঠিক করতে হবে আমাদের। ঢাকা শহরকে সুন্দর করার মাধ্যেমেই আমাদের সুনাম ছড়িয়ে পড়বে পুরো বাংলাদেশে।’
ঢাকাকে একটি উন্নত নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে খাল-নদী হতে অবৈধ দখল উচ্ছেদ ও সংস্কারের গুরুত্ব তুলে ধরে মো. তাজুল ইসলাম বলেন, ‘ঢাকা শহরকে সুন্দর করে গড়ে তোলার অনেক সুযোগ রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল- আমাদের খাল এবং নদীগুলোকে সংস্কার করা। সেজন্য কাজ শুরু হয়েছে। আমাদের মেয়রগণ ঢাকা শহরকে একটি উন্নত নগরী হিসেবে রূপান্তরিত করার জন্য দৃঢ় প্রত্যয় নিয়েছেন।’
দক্ষিণ সিটির নিজস্ব অর্থায়নে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনঃখনন কাজ শুরু করা হয়েছে উল্লেখ করে ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনঃখননে অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছিলেন। সেই অনুযায়ী ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নিজস্ব অর্থায়নে সাড়ে ২১ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী অর্থবছরে আরও বেশি বরাদ্দ রাখা হবে এবং পরিপূর্ণভাবে যেন খনন করা যায় সে কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। তবে এটা আনন্দের বিষয় যে, আমরা কাজটি শুরু করতে পেরেছি।’
আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল নিয়ে বড় ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এখানে একটি বড় প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। পুরো কামরাঙ্গীরচর নিয়ে মহাপরিকল্পনার আলোকে কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। সুতারাং আদি বুড়িগঙ্গা, কামরাঙ্গীরচর, লালবাগ, হাজারীবাগ, চকবাজার ও পুরান ঢাকা ঘিরে কিভাবে একটি নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করা যায়, কিভাবে নদীর প্রবাহ ও নদী পুনরুদ্ধার করে ঢাকাবাসীর প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি বাসযোগ্য নগরী উপহার দেয়া যায়, তা নিয়ে কাজ চলছে।         
এরপর মেয়র নগরীর ৬২ নম্বর ওয়ার্ডে অন্তবর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু, দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, প্রধান প্রকৌশলী সালেহ আহম্মেদ, সচিব আকরামুজ্জামান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের এবং সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডসমূহের কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের মহিদা কাউন্সিলররা উপস্থিত ছিলেন।