শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতারের বিধান নিয়ে রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি পিছিয়েছে

#
news image

সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতারে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নেয়া সংক্রান্ত আইন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিলের শুনানি পিছিয়েছে। রিটকারী পক্ষে সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগ ‘নট টুডে’ (আজ নয়) বলে আদেশ দেন। এ সংক্রান্ত রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ২৫ আগস্ট হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইনের ৪১ (১) ধারা বাতিল ও সংবিধানের ২৬, ২৭, ৩১ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হয়। হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ গত ১ সেপ্টেম্বর  হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন। পাশাপাশি ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদনের শুনানি মুলতবি করেন। এই সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করতে বলা হয়। এর ধারাবাহিকতায় আজ বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ওঠে।

বিষয়টি আদালতে উপস্থাপিত হলে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান আজ বলেন, রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ঢাকার বাইরে রয়েছেন। এ জন্য তিনি এক দিন সময় চেয়েছেন। পরে আদালত বলেন, ‘নট টুডে’। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ২০১৮ সালের নভেম্বরে সরকারি চাকরি আইন প্রণয়ন করা হয়। ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে একই বছরের ১ অক্টোবর থেকে আইনটি কার্যকর হয়। আইনটির ৪১ (১) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে করা ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার আগে তাঁকে গ্রেফতার করতে হলে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিতে হবে। ধারাটি সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদের পরিপন্থী উল্লেখ করে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে তিন আইনজীবী ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন।

অনলাইন ডেস্ক

২৩ অক্টোবর, ২০২২,  8:29 PM

news image

সরকারি কর্মচারীদের গ্রেফতারে কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নেয়া সংক্রান্ত আইন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের লিভ টু আপিলের শুনানি পিছিয়েছে। রিটকারী পক্ষে সময়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগ ‘নট টুডে’ (আজ নয়) বলে আদেশ দেন। এ সংক্রান্ত রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গত ২৫ আগস্ট হাইকোর্ট রায় দেন। রায়ে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইনের ৪১ (১) ধারা বাতিল ও সংবিধানের ২৬, ২৭, ৩১ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হয়। হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগ গত ১ সেপ্টেম্বর  হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেন। পাশাপাশি ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদনের শুনানি মুলতবি করেন। এই সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রপক্ষকে নিয়মিত লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করতে বলা হয়। এর ধারাবাহিকতায় আজ বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় ওঠে।

বিষয়টি আদালতে উপস্থাপিত হলে আইনজীবী খুরশীদ আলম খান আজ বলেন, রিট আবেদনকারীদের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ ঢাকার বাইরে রয়েছেন। এ জন্য তিনি এক দিন সময় চেয়েছেন। পরে আদালত বলেন, ‘নট টুডে’। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে এটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। ২০১৮ সালের নভেম্বরে সরকারি চাকরি আইন প্রণয়ন করা হয়। ২০১৯ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে একই বছরের ১ অক্টোবর থেকে আইনটি কার্যকর হয়। আইনটির ৪১ (১) ধারায় বলা হয়েছে, কোনো সরকারি কর্মচারীর দায়িত্ব পালনের সঙ্গে সম্পর্কিত অভিযোগে করা ফৌজদারি মামলায় আদালত কর্তৃক অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার আগে তাঁকে গ্রেফতার করতে হলে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিতে হবে। ধারাটি সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদের পরিপন্থী উল্লেখ করে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) পক্ষে তিন আইনজীবী ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করেন।