শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

মৃত্যু ডেকে আনে তামাক

#
news image

ফুসফুসের ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর ৯০ শতাংশের জন্যই দায়ী তামাক। শুধু ধূমপায়ীরা নন, পরোক্ষ ধূমপায়ীরা ফুসফুসের ক্যান্সার, হৃদরোগ, স্ট্রোকসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন। ধূমপান বা তামাক পাতা যাঁরা ব্যবহার করেন তাঁরা জানেন এর ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে।

কারণ

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়—যাঁরা তামাক ও পান-সুপারি চিবান এবং যাঁদের জর্দা ও খইনি খাওয়ার অভ্যাস তাঁদের মুখ গহ্বরের ক্যান্সার হয়। বিজ্ঞানীরা বলেন, এর কারণ হলো তামাকের সঙ্গে সুপারির কুচি চিবানো। তামাক জর্দা খাওয়া। যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁদের মুখে ক্যান্সার বেশি হয়। মুখগহ্বরের ক্যান্সার কেন হয়—এর সঠিক কারণ না জানা গেলেও বিজ্ঞানীরা তামাক ধূমপানকে উপাদান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা ক্যান্সার ঘটাতে পারে বলে তাঁদের ধারণা।

লক্ষণ

♦ মুখ গহ্বরের ঘা না শুকানো

♦ সহজেই রক্তক্ষরণ হওয়া

♦ গিলতে অসুবিধা হওয়া

♦ সব সময় গলায় কোনো কিছু আটকে থাকার অনুভূতি

ওপরের কোনো লক্ষণ প্রকাশ পেলে অবশ্যই অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন। এই ধরনের লক্ষণ হওয়া মানেই ক্যান্সার নয়, সাবধানতা হিসেবে ডাক্তার দেখানো উচিত।

সাবধানতা

মুখের ভেতরের ক্যান্সার প্রতিরোধে তামাক সেবন অর্থাৎ সিগারেট, বিড়ি, হুক্কা, দোক্তা, কিমা, খইনি, গুল, নস্যি গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, যদি আমরা তামাক, ধূমপান, জর্দা ইত্যাদি বর্জন করতে পারি, তাহলে মুখের ক্যান্সার, গলার ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সারসহ অনেক ক্যান্সার রোগকেই প্রতিরোধ করতে পারব।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

৩১ মে, ২০২২,  9:18 PM

news image

ফুসফুসের ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর ৯০ শতাংশের জন্যই দায়ী তামাক। শুধু ধূমপায়ীরা নন, পরোক্ষ ধূমপায়ীরা ফুসফুসের ক্যান্সার, হৃদরোগ, স্ট্রোকসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হন। ধূমপান বা তামাক পাতা যাঁরা ব্যবহার করেন তাঁরা জানেন এর ব্যবহারের ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে।

কারণ

বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়—যাঁরা তামাক ও পান-সুপারি চিবান এবং যাঁদের জর্দা ও খইনি খাওয়ার অভ্যাস তাঁদের মুখ গহ্বরের ক্যান্সার হয়। বিজ্ঞানীরা বলেন, এর কারণ হলো তামাকের সঙ্গে সুপারির কুচি চিবানো। তামাক জর্দা খাওয়া। যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁদের মুখে ক্যান্সার বেশি হয়। মুখগহ্বরের ক্যান্সার কেন হয়—এর সঠিক কারণ না জানা গেলেও বিজ্ঞানীরা তামাক ধূমপানকে উপাদান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন, যা ক্যান্সার ঘটাতে পারে বলে তাঁদের ধারণা।

লক্ষণ

♦ মুখ গহ্বরের ঘা না শুকানো

♦ সহজেই রক্তক্ষরণ হওয়া

♦ গিলতে অসুবিধা হওয়া

♦ সব সময় গলায় কোনো কিছু আটকে থাকার অনুভূতি

ওপরের কোনো লক্ষণ প্রকাশ পেলে অবশ্যই অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন। এই ধরনের লক্ষণ হওয়া মানেই ক্যান্সার নয়, সাবধানতা হিসেবে ডাক্তার দেখানো উচিত।

সাবধানতা

মুখের ভেতরের ক্যান্সার প্রতিরোধে তামাক সেবন অর্থাৎ সিগারেট, বিড়ি, হুক্কা, দোক্তা, কিমা, খইনি, গুল, নস্যি গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে। সবচেয়ে বড় কথা, যদি আমরা তামাক, ধূমপান, জর্দা ইত্যাদি বর্জন করতে পারি, তাহলে মুখের ক্যান্সার, গলার ক্যান্সার, ফুসফুসের ক্যান্সারসহ অনেক ক্যান্সার রোগকেই প্রতিরোধ করতে পারব।