শিরোনামঃ
রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত: বিপন্ন মানুষ, বিপন্ন পৃথিবী ইউপি চেয়ারম্যান পদে ন্যূনতম স্নাতক যোগ্যতা চেয়ে রুল জারি বন্যা মোকাবেলায় খাল খনন কর্মসূচি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে শিক্ষার্থীরা রাজপথে, নাকি পেছনে রাজনীতির ছায়া? জল দুর্গ গড়তে ঢাকার মেয়র প্রার্থী হবেন শামীম আহমদ

ঈদের ৭ দিনে এসেছে প্রায় ৮৫০০ কোটি টাকার রে‌মিট্যান্স

#
news image

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশু কেনাসহ পরিবার-পরিজনের বাড়তি খরচের কথা মাথায় রেখে বেশি বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ফলে ঈদ ঘিরে বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্য বল‌ছে, ঈদের আগের ৭ দিনে ৯০ কো‌টি ৯৩ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রেমিট্যান্স ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় বর্তমান বিনিময় হার হিসাবে (প্রতি ডলার ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সা) এ অর্থের পরিমাণ ৮ হাজার ৪৯৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এ হিসাবে ঈদের আগে প্রতিদিন গড়ে ১২শ কোটি টাকার বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঈদ বা যেকোনো উৎসবে প্রবাসীরা দেশে বেশি বেশি রেমিটেন্স পাঠিয়ে থাকেন। ঈদুল আজহায় কোরবানির পশু কেনাসহ বিভিন্ন খরচের কথা বিবেচনা করেই রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন তারা। আশা করছি রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত থাকবে।   

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭০ কোটি ৪৫ লাখ ডলার। ফেব্রুয়ারিতে আসে ১৪৯ কোটি ৪৪ লাখ, মার্চে ১৮৫ কোটি ৯৭ লাখ, এপ্রিলে ২০১ কোটি ৮ লাখ,  মে মাসে আসে ১৮৮ কোটি ৫৪ লাখ ডলার এবং সবশেষ জুন মাসে এসেছে ১৮৩ কো‌টি ৭২ লাখ ডলার।

তথ্য বলছে, সদ্য বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ (২১ দশমিক ৩ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ কম। 

২০২০-২১ অর্থবছরে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ (২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। এ ছাড়া গত জুন মাসে ১৮৩ কো‌টি ৭২ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের মাসের চেয়ে ৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার কম। চলতি বছরের মে মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার।  

বৈদেশিক মুদ্রার সংকট নিরসনে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে ডলারের বিপরীতে টাকার মান ধারাবাহিকভাবে কমাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলারে কিনতে খরচ করতে হচ্ছে ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সা। অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারি আমদানি বিল মেটাতে এই দরে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করছে। নিয়ম অনুযায়ী এটাই ডলারের আনুষ্ঠানিক দর। এই রেটেই রেমিট্যান্সের বিনিময় করা হয়।

তবে বিভিন্ন ব্যাংক ও কার্ব মার্কেটে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আজকে ব্যাংকগুলো আমদানি বিলের জন্য নিচ্ছে ৯৪ থেকে ৯৫ টাকা, নগদ ডলার বিক্রি করছে ৯৬ থেকে ৯৭ টাকায় আর ব্যাংকের বাইরে খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে ডলার বিক্রি হচ্ছে ৯৮ থেকে ৯৯ টাকায়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৩ জুলাই, ২০২২,  10:00 PM

news image

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশু কেনাসহ পরিবার-পরিজনের বাড়তি খরচের কথা মাথায় রেখে বেশি বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। ফলে ঈদ ঘিরে বেড়েছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্য বল‌ছে, ঈদের আগের ৭ দিনে ৯০ কো‌টি ৯৩ লাখ মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার রেমিট্যান্স ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে। দেশীয় মুদ্রায় বর্তমান বিনিময় হার হিসাবে (প্রতি ডলার ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সা) এ অর্থের পরিমাণ ৮ হাজার ৪৯৭ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এ হিসাবে ঈদের আগে প্রতিদিন গড়ে ১২শ কোটি টাকার বেশি অর্থ পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, ঈদ বা যেকোনো উৎসবে প্রবাসীরা দেশে বেশি বেশি রেমিটেন্স পাঠিয়ে থাকেন। ঈদুল আজহায় কোরবানির পশু কেনাসহ বিভিন্ন খরচের কথা বিবেচনা করেই রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন তারা। আশা করছি রেমিট্যান্স প্রবাহ অব্যাহত থাকবে।   

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৭০ কোটি ৪৫ লাখ ডলার। ফেব্রুয়ারিতে আসে ১৪৯ কোটি ৪৪ লাখ, মার্চে ১৮৫ কোটি ৯৭ লাখ, এপ্রিলে ২০১ কোটি ৮ লাখ,  মে মাসে আসে ১৮৮ কোটি ৫৪ লাখ ডলার এবং সবশেষ জুন মাসে এসেছে ১৮৩ কো‌টি ৭২ লাখ ডলার।

তথ্য বলছে, সদ্য বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ২ হাজার ১০৩ কোটি ১৭ লাখ (২১ দশমিক ৩ বিলিয়ন) মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স দেশে পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৫ দশমিক ১১ শতাংশ কম। 

২০২০-২১ অর্থবছরে দুই হাজার ৪৭৭ কোটি ৭৭ লাখ (২৪ দশমিক ৭৭ বিলিয়ন) ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। এ ছাড়া গত জুন মাসে ১৮৩ কো‌টি ৭২ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা আগের মাসের চেয়ে ৪ কোটি ৮০ লাখ ডলার কম। চলতি বছরের মে মাসে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৮৮ কোটি ৫৩ লাখ ডলার।  

বৈদেশিক মুদ্রার সংকট নিরসনে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে ডলারের বিপরীতে টাকার মান ধারাবাহিকভাবে কমাচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এখন আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলারে কিনতে খরচ করতে হচ্ছে ৯৩ টাকা ৪৫ পয়সা। অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংক সরকারি আমদানি বিল মেটাতে এই দরে ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করছে। নিয়ম অনুযায়ী এটাই ডলারের আনুষ্ঠানিক দর। এই রেটেই রেমিট্যান্সের বিনিময় করা হয়।

তবে বিভিন্ন ব্যাংক ও কার্ব মার্কেটে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আজকে ব্যাংকগুলো আমদানি বিলের জন্য নিচ্ছে ৯৪ থেকে ৯৫ টাকা, নগদ ডলার বিক্রি করছে ৯৬ থেকে ৯৭ টাকায় আর ব্যাংকের বাইরে খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে ডলার বিক্রি হচ্ছে ৯৮ থেকে ৯৯ টাকায়।