শিরোনামঃ
মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

স্বর্ণ ফেরত দিয়ে ৮০ নয়, ৮৫ শতাংশ টাকা পাবেন ক্রেতারা

#
news image

স্বর্ণালঙ্কার কেনার পর তা ফেরত দিলে এখন থেকে ক্রেতারা ৮৫ শতাংশ অর্থ ফেরত পাবেন। আর স্বর্ণালঙ্কার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ৯২ শতাংশ অর্থ পাবেন ক্রেতারা।

সোমবার (৮ আগস্ট) স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এতদিন ক্রেতারা স্বর্ণালঙ্কার ফেরত দিয়ে ৮০ শতাংশ অর্থ ফেরত পেতেন। আর স্বর্ণালঙ্কার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ অর্থ পেতেন। এ হিসাবে এখন থেকে স্বর্ণালঙ্কার ফেরত দিয়ে ক্রেতারা ৫ শতাংশ এবং পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ২ শতাংশ অর্থ বেশি পাবেন।

বাজুস জানিয়েছে, সম্প্রতি বাজুসের এক সভায় ক্রেতাদের সুবিধার্থে স্বর্ণালঙ্কার এক্সচেঞ্জ (পরিবর্তন) এবং পারচেজের (ক্রেতার কাছ থেকে কেনা) হার কমানো হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, স্বর্ণালঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ৮ শতাংশ এবং ফেরতের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ বাদ যাবে। সেই সঙ্গে স্বর্ণালঙ্কার বিক্রির সময় প্রতি গ্রামে ৩০০ টাকা মজুরি দিতে হবে।

এতদিন স্বর্ণালঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ এবং ফেরতের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ বাদ দেওয়া হতো। এ হিসাবে এখন থেকে স্বর্ণালঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ২ শতাংশ এবং ফেরতের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ বেশি অর্থ পাবেন ক্রেতারা।

এদিকে স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি দেশের বাজারে চার দফা স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ৭ আগস্ট সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ৩৩১ টাকা করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনো এত দামে স্বর্ণ বিক্রি হয়নি।

২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮৬৭ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৪৮২ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার ৯৯৩ টাকা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ২৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ৯৭৯ টাকা করা হয়েছে।

এর আগে গত ৪ আগস্ট ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৯ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫২৫ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ৬৯৬ টাকা করা হয়।

তার আগে ২৯ জুলাই ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭৪১ টাকা বাড়িয়ে ৮১ হাজার ২৯৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৫৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৭ হাজার ৫৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯২৫ টাকা বাড়িয়ে ৬৬ হাজার ৪৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ৪৫০ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ১৭১ টাকা করা হয়।

এর দুদিন আগে ২৭ জুলাই সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা বাড়িয়ে করা ৭৮ হাজার ৫৫৭ টাকা করা হয়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২৮৪ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৫৬০ টাকা করা হয়। সেসময় অপরিবর্তিত রাখা হয় সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৯ আগস্ট, ২০২২,  12:20 AM

news image

স্বর্ণালঙ্কার কেনার পর তা ফেরত দিলে এখন থেকে ক্রেতারা ৮৫ শতাংশ অর্থ ফেরত পাবেন। আর স্বর্ণালঙ্কার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ৯২ শতাংশ অর্থ পাবেন ক্রেতারা।

সোমবার (৮ আগস্ট) স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এতদিন ক্রেতারা স্বর্ণালঙ্কার ফেরত দিয়ে ৮০ শতাংশ অর্থ ফেরত পেতেন। আর স্বর্ণালঙ্কার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ৯০ শতাংশ অর্থ পেতেন। এ হিসাবে এখন থেকে স্বর্ণালঙ্কার ফেরত দিয়ে ক্রেতারা ৫ শতাংশ এবং পরিবর্তনের ক্ষেত্রে ২ শতাংশ অর্থ বেশি পাবেন।

বাজুস জানিয়েছে, সম্প্রতি বাজুসের এক সভায় ক্রেতাদের সুবিধার্থে স্বর্ণালঙ্কার এক্সচেঞ্জ (পরিবর্তন) এবং পারচেজের (ক্রেতার কাছ থেকে কেনা) হার কমানো হয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, স্বর্ণালঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ৮ শতাংশ এবং ফেরতের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ বাদ যাবে। সেই সঙ্গে স্বর্ণালঙ্কার বিক্রির সময় প্রতি গ্রামে ৩০০ টাকা মজুরি দিতে হবে।

এতদিন স্বর্ণালঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ এবং ফেরতের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ বাদ দেওয়া হতো। এ হিসাবে এখন থেকে স্বর্ণালঙ্কার এক্সচেঞ্জের ক্ষেত্রে ২ শতাংশ এবং ফেরতের ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ বেশি অর্থ পাবেন ক্রেতারা।

এদিকে স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি দেশের বাজারে চার দফা স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সর্বশেষ গত ৭ আগস্ট সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৪ হাজার ৩৩১ টাকা করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এর আগে কখনো এত দামে স্বর্ণ বিক্রি হয়নি।

২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৮৬৭ টাকা বাড়িয়ে ৮০ হাজার ৪৮২ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার ৯৯৩ টাকা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে ১ হাজার ২৮৩ টাকা বাড়িয়ে ৫৬ হাজার ৯৭৯ টাকা করা হয়েছে।

এর আগে গত ৪ আগস্ট ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫০ টাকা বাড়িয়ে ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৯ টাকা বাড়িয়ে ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৫২৫ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ৬৯৬ টাকা করা হয়।

তার আগে ২৯ জুলাই ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৭৪১ টাকা বাড়িয়ে ৮১ হাজার ২৯৮ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৫৬৬ টাকা বাড়িয়ে ৭৭ হাজার ৫৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯২৫ টাকা বাড়িয়ে ৬৬ হাজার ৪৮৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ভরিতে ২ হাজার ৪৫০ টাকা বাড়িয়ে ৫৫ হাজার ১৭১ টাকা করা হয়।

এর দুদিন আগে ২৭ জুলাই সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা বাড়িয়ে করা ৭৮ হাজার ৫৫৭ টাকা করা হয়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ২৮৪ টাকা বাড়িয়ে ৭৫ হাজার টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৩৪১ টাকা বাড়িয়ে ৬৪ হাজার ৫৬০ টাকা করা হয়। সেসময় অপরিবর্তিত রাখা হয় সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম।