শিরোনামঃ
রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত: বিপন্ন মানুষ, বিপন্ন পৃথিবী ইউপি চেয়ারম্যান পদে ন্যূনতম স্নাতক যোগ্যতা চেয়ে রুল জারি বন্যা মোকাবেলায় খাল খনন কর্মসূচি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে শিক্ষার্থীরা রাজপথে, নাকি পেছনে রাজনীতির ছায়া? জল দুর্গ গড়তে ঢাকার মেয়র প্রার্থী হবেন শামীম আহমদ

ভোজ্যতেল আমদানি: ভ্যাট মওকুফ সুবিধা ফের বাড়তে পারে

#
news image

ভোজ্যতেলের ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়াতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গত ২০ সেপ্টেম্বর পাঠানো চিঠিতে এর কারণ হিসেবে দেশে ডলারের দাম বৃদ্ধির কথা জানানো হয়। সেই চিঠি আমলে নিয়ে ভ্যাট মওকুফের সুবিধা আরও তিন মাস বহাল রাখা হতে পারে বলে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে।

রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বিগত ছয় মাস ধরে চলা ভোজ্যতেলে উৎপাদন ও ব্যবসায় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট মওকুফের মেয়াদ আবারও বাড়াতে তারা ইতিবাচক। এ বিষয়ে কিছুদিনের মধ্যে জারি হতে পারে প্রজ্ঞাপন।

ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ শুরুর পর গত মার্চ থেকে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত ভোজ্যতেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। যুদ্ধের প্রভাবে অভ্যন্তরীণ বাজারেও দামে প্রভাব পড়ে। ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ কিছুটা কমাতে গত ১৪ মার্চ এনবিআর প্রজ্ঞাপন জারি করে সয়াবিন ও পাম তেলের উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ এবং ব্যবসা পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট মওকুফ করে।

তার দুদিন পর ভোজ্যতেলের আমদানি পর্যায়ে আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। তখন এর মেয়াদ ঠিক করা হয় ৩০ জুন পর্যন্ত। পরে ৩ জুলাই আরেকটি প্রজ্ঞাপনে ভ্যাট মওকুফ সুবিধার মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর করা হয়। যার মেয়াদ শেষ হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এনবিআরে চিঠিতে বলা হয়, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত (কাঁচামাল) সয়াবিন ও পাম অয়েলের দাম কমলেও ডলারের দাম বাড়ার কারণে দেশীয় বাজারে পণ্যটির মূল্য কমানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের মূল্য এবং সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে ভ্যাট অব্যাহতির বর্তমান মেয়াদ ১ অক্টোবর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পুনরায় বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে বছরে ২০ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে দুই লাখ টন স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়; বাকি ১৮ লাখ টন আমদানি করা হয়।

অনলাইন ডেস্ক

০৩ অক্টোবর, ২০২২,  11:12 PM

news image

ভোজ্যতেলের ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা আগামী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়াতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) চিঠি দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। গত ২০ সেপ্টেম্বর পাঠানো চিঠিতে এর কারণ হিসেবে দেশে ডলারের দাম বৃদ্ধির কথা জানানো হয়। সেই চিঠি আমলে নিয়ে ভ্যাট মওকুফের সুবিধা আরও তিন মাস বহাল রাখা হতে পারে বলে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে।

রাজস্ব বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, বিগত ছয় মাস ধরে চলা ভোজ্যতেলে উৎপাদন ও ব্যবসায় পর্যায়ে মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট মওকুফের মেয়াদ আবারও বাড়াতে তারা ইতিবাচক। এ বিষয়ে কিছুদিনের মধ্যে জারি হতে পারে প্রজ্ঞাপন।

ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ শুরুর পর গত মার্চ থেকে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত ভোজ্যতেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যায়। যুদ্ধের প্রভাবে অভ্যন্তরীণ বাজারেও দামে প্রভাব পড়ে। ব্যবসায়ীদের ওপর চাপ কিছুটা কমাতে গত ১৪ মার্চ এনবিআর প্রজ্ঞাপন জারি করে সয়াবিন ও পাম তেলের উৎপাদন পর্যায়ে ১৫ শতাংশ এবং ব্যবসা পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট মওকুফ করে।

তার দুদিন পর ভোজ্যতেলের আমদানি পর্যায়ে আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়। তখন এর মেয়াদ ঠিক করা হয় ৩০ জুন পর্যন্ত। পরে ৩ জুলাই আরেকটি প্রজ্ঞাপনে ভ্যাট মওকুফ সুবিধার মেয়াদ বাড়িয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর করা হয়। যার মেয়াদ শেষ হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এনবিআরে চিঠিতে বলা হয়, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত (কাঁচামাল) সয়াবিন ও পাম অয়েলের দাম কমলেও ডলারের দাম বাড়ার কারণে দেশীয় বাজারে পণ্যটির মূল্য কমানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই স্থানীয় বাজারে ভোজ্যতেলের মূল্য এবং সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে ভ্যাট অব্যাহতির বর্তমান মেয়াদ ১ অক্টোবর থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পুনরায় বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে বছরে ২০ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে দুই লাখ টন স্থানীয় বাজার থেকে সংগ্রহ করা হয়; বাকি ১৮ লাখ টন আমদানি করা হয়।