শিরোনামঃ
‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান আবারও শিক্ষার হাল ধরলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি: নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদিত চার লাইনের ব্যালটে লুকানো ৮৪ সিদ্ধান্ত: ভোটাররা কি জানেন ‘হ্যাঁ’ মানে কী? কারাফটকে থেমে গেল শেষ বিদায়: স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুতে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম কেন প্যারোলে মুক্তি পেলেন না কারাগারের ফটকে থামানো শেষ বিদায়: বন্দি অবস্থায় স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম তরুণদের সঙ্গে তারেক রহমান: দক্ষ জনশক্তি গঠন ও নারীর ক্ষমতায়নে অঙ্গীকার

অবকাঠামো খাতে এআইআইবি’র বিনিয়োগ সহায়তা চাইলেন অর্থমন্ত্রী

#
news image

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ও ভৌত অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের জন্য এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি) সহযোগিতা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বুধবার এআইআইবির বোর্ড অব গভর্নস এর বার্ষিক সভায় অর্থমন্ত্রী তিনি এ কথা বলেন। সভায় তিনি ভার্চুয়ালি যোগদান করেন। সাম্প্রতিক সময়ে এআইআইবি বাংলাদেশকে বাজেট ও ভ্যাকসিন সহায়তা প্রদান করায় তিনি ধন্যবাদ জানান। 

মুস্তফা কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ দক্ষতার সাথে কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলা করেছে। একইসাথে বিগত অর্থবছরে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে অর্থনীতি আবার পূর্বের ধারাবাহিকতায় ফিরে এসেছে। তিনি বলেন, বর্তমানের চলমান চ্যালেঞ্জ আমলে নিয়েই বাংলাদেশ তার উন্নয়নের পথে রয়েছে । 

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল, ২০৩১ সালে উচ্চ-মধ্যম এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশের পর্যায়ে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে বাংলাদেশের। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ও ভৌত অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এআইআইবিসহ অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের সমর্থন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, এআইআইবির সভার মূল ইস্যু ‘সংকট-প্রবণ বিশ্বে অবকাঠামো খাতে  অর্থায়ন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা বিশ্ব সম্প্রদায়, উন্নত থেকে উন্নয়নশীল সকল দেশই এই মূহুর্তে  চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। যার বেশিরভাগ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে উদ্ভূত।

তিনি মানবতার স্বার্থে বিশ্ব অর্থনীতিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান।  
সভায় চীন, ভারত, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, উজবেকিস্তান, আজারবাইজান, স্পেন, নিউজিল্যান্ড ও জার্মানির কেন্দ্রিয় ব্যাংকের গর্ভনর ও অস্থায়ী বিকল্প গভর্নররা বক্তব্য রাখেন।

অনলাইন ডেস্ক

২৭ অক্টোবর, ২০২২,  10:12 PM

news image

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ও ভৌত অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের জন্য এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের (এআইআইবি) সহযোগিতা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। বুধবার এআইআইবির বোর্ড অব গভর্নস এর বার্ষিক সভায় অর্থমন্ত্রী তিনি এ কথা বলেন। সভায় তিনি ভার্চুয়ালি যোগদান করেন। সাম্প্রতিক সময়ে এআইআইবি বাংলাদেশকে বাজেট ও ভ্যাকসিন সহায়তা প্রদান করায় তিনি ধন্যবাদ জানান। 

মুস্তফা কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ দক্ষতার সাথে কোভিড-১৯ মহামারি মোকাবিলা করেছে। একইসাথে বিগত অর্থবছরে ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে অর্থনীতি আবার পূর্বের ধারাবাহিকতায় ফিরে এসেছে। তিনি বলেন, বর্তমানের চলমান চ্যালেঞ্জ আমলে নিয়েই বাংলাদেশ তার উন্নয়নের পথে রয়েছে । 

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ২০২৬ সালে উন্নয়নশীল, ২০৩১ সালে উচ্চ-মধ্যম এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত দেশের পর্যায়ে পৌঁছানোর লক্ষ্য রয়েছে বাংলাদেশের। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক ও ভৌত অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এআইআইবিসহ অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীদের সমর্থন প্রয়োজন।

তিনি বলেন, এআইআইবির সভার মূল ইস্যু ‘সংকট-প্রবণ বিশ্বে অবকাঠামো খাতে  অর্থায়ন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা বিশ্ব সম্প্রদায়, উন্নত থেকে উন্নয়নশীল সকল দেশই এই মূহুর্তে  চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। যার বেশিরভাগ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে উদ্ভূত।

তিনি মানবতার স্বার্থে বিশ্ব অর্থনীতিকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি আহবান জানান।  
সভায় চীন, ভারত, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, উজবেকিস্তান, আজারবাইজান, স্পেন, নিউজিল্যান্ড ও জার্মানির কেন্দ্রিয় ব্যাংকের গর্ভনর ও অস্থায়ী বিকল্প গভর্নররা বক্তব্য রাখেন।