শিরোনামঃ
অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা প্রতিমন্ত্রী হতে পারে মাওলানা শামীম সকলের সময়ের নির্বাহী সম্পাদককে হত্যার হুমকি রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের ধলাপাড়ায় বৃহত্তর ফার্নিচারের হাট

#
news image

জেলার ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে ১৪ কিমি পূর্বে বংশাই নদীর পাড়ে অবস্থিত ধলাপাড়া হাট। এ হাট থেকে প্রতি বৃহস্পতি ও সোমবার কোটি টাকার খাট, সোফাসেট, ড্রেসিং টেবিল, ডাইনিং টেবিল, শোকেস, চেয়ার-টেবিল এবং দরজা-জানালা বিক্রি হয়। পছন্দসই বাহারি ডিজাইন, নাগালের মধ্যেই দাম, সড়ক ও নৌপথের পরিবহন সুবিধার জন্য দিন দিন আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে টাঙ্গাইলের গড়াঞ্চলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ‘ফার্নিচার হাট'।

সরেজমিনে জানা গেছে, দেশের বৃহত্তম আসবাবপত্রের (ফার্নিচার) হাট ধলাপাড়া। সপ্তাহে বৃহস্পতি ও সোমবার এ দুই দিন বসে এ ফার্নিচার হাট। সপ্তাহে প্রায় কোটি টাকার তৈরি আসবাবপত্র বেচাকেনা হয় এখানে। উত্তরাঞ্চলের জেলা ময়মনসিংহ, জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন আসেন ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র কেনার জন্য।

জানা যায়, কাঠের মধ্যে খোদাই করা বাহারি নকশায় ফুলবক্স, সেমিবক্স, বেগি খাট, বোম্বাই ও রাশিয়ান খাট পাওয়া যায় এ হাটে। ২ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা মূল্যের খাট পাওয়া যায়। এছাড়াও গোল ড্রেসিং টেবিল, ছয়কোনা ড্রেসিং টেবিল, তিনচাল ড্রেসিং টেবিল, দুইচাল ড্রেসিং টেবিল, কানিশ ড্রেসিং টেবিল এবং লতা সোফা, হাতি শুঁড় সোফা, বল সোফা ও বক্স সোফাসেটও বিক্রি হয়। উচ্চবৃত্ত থেকে নিম্নবৃত্ত সব শ্রেণীর লোকজন এ হাটের ক্রেতা। শুধু ঘাটাইল উপজেলা নয় জেলার অন্যান্য ক্রেতা-বিক্রেতারা অতি সহজেই ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সংগ্রহ করেন এ হাট থেকে।

ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া এলাকার কাঠ ব্যবসায়ী কামাল হোসেন, সোহেল মিয়া, বাবুল আক্তারসহ অন্যান্যরা জানান, কাঠের মান ও আসবাবপত্রের দামের কথা বিবেচনা করে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ক্রেতা-বিক্রেতারা এ হাটে আসেন। তাছাড়া ধলাপাড়া ফার্নিচার হাটের সুনাম দেশের সর্বত্রই রয়েছে। ফার্নিচার ব্যবসায়ী আবু জাফর জানান, ধলাপাড়া হাট ফার্নিচারের জন্য বেশ বিখ্যাত। তাছাড়া যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় আসবাবপত্রের জন্য দেশের অন্যতম বৃহৎ হাট ধলাপাড়া। ফার্নিচার ব্যবসায়ী অভিজিৎ সাহা জানান, হাটের ইজারা আরো কম হলে ক্রেতা-বিক্রেতা আরও বাড়বে। প্রতিটি খাটের জন্য ৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা খাজনা দিতে হয় ক্রেতাকে।

বাসাবাইদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনন্ত পাল জানান, হাটবারের আগের দিন থেকেই আসবাবপত্র আসাতে শুরু করে এবং তা হাটবারের রাত অবধি চলে বেচাবিক্রি। ধলাপাড়া বণিক সমিতির সভাপতি শফিকুল ইসলাম জানান, ধলাপাড়া ফার্নিচার হাটের সুনাম দেশের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে। এখানে সপ্তাহে প্রায় কোটি টাকার তৈরি ফার্নিচার বিক্রি হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ নভেম্বর, ২০২২,  10:11 PM

news image

জেলার ঘাটাইল উপজেলা সদর থেকে ১৪ কিমি পূর্বে বংশাই নদীর পাড়ে অবস্থিত ধলাপাড়া হাট। এ হাট থেকে প্রতি বৃহস্পতি ও সোমবার কোটি টাকার খাট, সোফাসেট, ড্রেসিং টেবিল, ডাইনিং টেবিল, শোকেস, চেয়ার-টেবিল এবং দরজা-জানালা বিক্রি হয়। পছন্দসই বাহারি ডিজাইন, নাগালের মধ্যেই দাম, সড়ক ও নৌপথের পরিবহন সুবিধার জন্য দিন দিন আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে টাঙ্গাইলের গড়াঞ্চলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ‘ফার্নিচার হাট'।

সরেজমিনে জানা গেছে, দেশের বৃহত্তম আসবাবপত্রের (ফার্নিচার) হাট ধলাপাড়া। সপ্তাহে বৃহস্পতি ও সোমবার এ দুই দিন বসে এ ফার্নিচার হাট। সপ্তাহে প্রায় কোটি টাকার তৈরি আসবাবপত্র বেচাকেনা হয় এখানে। উত্তরাঞ্চলের জেলা ময়মনসিংহ, জামালপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন আসেন ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র কেনার জন্য।

জানা যায়, কাঠের মধ্যে খোদাই করা বাহারি নকশায় ফুলবক্স, সেমিবক্স, বেগি খাট, বোম্বাই ও রাশিয়ান খাট পাওয়া যায় এ হাটে। ২ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা মূল্যের খাট পাওয়া যায়। এছাড়াও গোল ড্রেসিং টেবিল, ছয়কোনা ড্রেসিং টেবিল, তিনচাল ড্রেসিং টেবিল, দুইচাল ড্রেসিং টেবিল, কানিশ ড্রেসিং টেবিল এবং লতা সোফা, হাতি শুঁড় সোফা, বল সোফা ও বক্স সোফাসেটও বিক্রি হয়। উচ্চবৃত্ত থেকে নিম্নবৃত্ত সব শ্রেণীর লোকজন এ হাটের ক্রেতা। শুধু ঘাটাইল উপজেলা নয় জেলার অন্যান্য ক্রেতা-বিক্রেতারা অতি সহজেই ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্র সংগ্রহ করেন এ হাট থেকে।

ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া এলাকার কাঠ ব্যবসায়ী কামাল হোসেন, সোহেল মিয়া, বাবুল আক্তারসহ অন্যান্যরা জানান, কাঠের মান ও আসবাবপত্রের দামের কথা বিবেচনা করে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে ক্রেতা-বিক্রেতারা এ হাটে আসেন। তাছাড়া ধলাপাড়া ফার্নিচার হাটের সুনাম দেশের সর্বত্রই রয়েছে। ফার্নিচার ব্যবসায়ী আবু জাফর জানান, ধলাপাড়া হাট ফার্নিচারের জন্য বেশ বিখ্যাত। তাছাড়া যাতায়াত ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় আসবাবপত্রের জন্য দেশের অন্যতম বৃহৎ হাট ধলাপাড়া। ফার্নিচার ব্যবসায়ী অভিজিৎ সাহা জানান, হাটের ইজারা আরো কম হলে ক্রেতা-বিক্রেতা আরও বাড়বে। প্রতিটি খাটের জন্য ৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা খাজনা দিতে হয় ক্রেতাকে।

বাসাবাইদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনন্ত পাল জানান, হাটবারের আগের দিন থেকেই আসবাবপত্র আসাতে শুরু করে এবং তা হাটবারের রাত অবধি চলে বেচাবিক্রি। ধলাপাড়া বণিক সমিতির সভাপতি শফিকুল ইসলাম জানান, ধলাপাড়া ফার্নিচার হাটের সুনাম দেশের বিভিন্ন স্থানে রয়েছে। এখানে সপ্তাহে প্রায় কোটি টাকার তৈরি ফার্নিচার বিক্রি হয়।