শিরোনামঃ
মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন: আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৬.৭%

#
news image

আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৬.৭% হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। আর চলতি অর্থবছরে (২০২১-২২) জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৪% হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (৭ জুন) প্রকাশিত গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্ট প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

এর আগে জানুয়ারিতে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৬.৯% প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয় বিশ্বব্যাংক। 

মূল্যস্ফীতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব ও সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার কারণে সেটি কমিয়ে এনেছে সংস্থাটি। 

জানা যায়, আগামী অর্থবছরের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৭.৫%। সেই হিসাবে বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাসের সঙ্গে বিস্তর ব্যবধান থাকছে সরকারের লক্ষ্যমাত্রায়।

বিশ্বব্যাংকের মতে, চলতি অর্থবছরের তুলনায় আগামী অর্থবছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি খানিকটা বাড়বে। দেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নতি এবং সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ তেলসমৃদ্ধ আরব দেশগুলোর অর্থনীতি চাঙ্গা হওয়ায় সেখান থেকে রেমিট্যান্স আসা বেড়ে যাওয়াই এর কারণ বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস মহামারির প্রভাব থেকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রত্যাশার চেয়েও ভালো হয়েছে বাংলাদেশে। এটি চলতি অর্থবছরে ভালো প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করছে। চলতি অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত রপ্তানি আয়ে ২৫% এর বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। শিল্প উৎপাদনও বেশ দ্রুতগতিতে বেড়েছে। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্য ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর প্রভাব পড়াসহ অর্থনীতিতে নানা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

সার্বিক পরিস্থিতির আলোকে বিশ্ব অর্থনীতিতেও প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস অনেকটা কমিয়ে এনেছে বিশ্বব্যাংক। 

সংস্থাটি বলছে, চলতি বছর বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ২.৯%, যা গত জানুয়ারিতে দেওয়া পূর্বাভাসের চেয়ে ১.২% কম।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

০৮ জুন, ২০২২,  9:40 PM

news image

আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ৬.৭% হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। আর চলতি অর্থবছরে (২০২১-২২) জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬.৪% হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

মঙ্গলবার (৭ জুন) প্রকাশিত গ্লোবাল ইকোনমিক প্রসপেক্ট প্রতিবেদনে এ পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

এর আগে জানুয়ারিতে ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ৬.৯% প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দেয় বিশ্বব্যাংক। 

মূল্যস্ফীতি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব ও সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ার কারণে সেটি কমিয়ে এনেছে সংস্থাটি। 

জানা যায়, আগামী অর্থবছরের বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হচ্ছে ৭.৫%। সেই হিসাবে বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাসের সঙ্গে বিস্তর ব্যবধান থাকছে সরকারের লক্ষ্যমাত্রায়।

বিশ্বব্যাংকের মতে, চলতি অর্থবছরের তুলনায় আগামী অর্থবছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি খানিকটা বাড়বে। দেশে বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নতি এবং সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ তেলসমৃদ্ধ আরব দেশগুলোর অর্থনীতি চাঙ্গা হওয়ায় সেখান থেকে রেমিট্যান্স আসা বেড়ে যাওয়াই এর কারণ বলে মনে করছে বিশ্বব্যাংক।

সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস মহামারির প্রভাব থেকে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার প্রত্যাশার চেয়েও ভালো হয়েছে বাংলাদেশে। এটি চলতি অর্থবছরে ভালো প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করছে। চলতি অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত রপ্তানি আয়ে ২৫% এর বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে। শিল্প উৎপাদনও বেশ দ্রুতগতিতে বেড়েছে। তবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে খাদ্য ও জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ওপর প্রভাব পড়াসহ অর্থনীতিতে নানা অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

সার্বিক পরিস্থিতির আলোকে বিশ্ব অর্থনীতিতেও প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস অনেকটা কমিয়ে এনেছে বিশ্বব্যাংক। 

সংস্থাটি বলছে, চলতি বছর বিশ্ব অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ২.৯%, যা গত জানুয়ারিতে দেওয়া পূর্বাভাসের চেয়ে ১.২% কম।