শিরোনামঃ
মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

যুদ্ধের ১০০ দিনে জ্বালানি বেচে রাশিয়ার আয় ৯,৮০০ কোটি ডলার

#
news image

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর প্রথম ১০০ দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে ৯ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের জীবাশ্ম জ্বালানি (তেল-গ্যাস-কয়লা) বিক্রি করেছে রাশিয়া; আর এই জ্বালানির একটি বড় অংশই গেছে ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ)।

সোমবার ফিনল্যান্ডভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ারের (সিআরইএ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে— মৌখিকভাবে ইইউ নেতারা রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর প্রত্যয় জানালেও বাস্তবে যুদ্ধের প্রথম ১০০ দিনে তার তেমন প্রতিফলন দেখা যায়নি।

আর একক দেশ হিসেবে রাশিয়ার কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি কিনেছে চীন। তারপরই দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে জার্মানি ও ইতালি।

যুদ্ধের প্রথম ১০০ দিনে রাশিয়ার জ্বালানি বাবদ যে রপ্তানি আয়, তার প্রায় অর্ধেকেরও বেশি— ৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলার এসেছে অপরিশোধিত তেল থেকে; বাকি অর্থ এসেছে গ্যাস ও কয়লা রপ্তানি করে।

যদিও গত মে মাসে ইউরোপে রুশ জ্বালানি রপ্তানিতে কিছুটা ভাঁটা পড়েছে, তারপরও এ সময় রাশিয়ার জন্য ‘আশীর্বাদ’ হিসেবে কাজ করেছে দু’টি বিষয়— ১. আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি এবং ২. যুদ্ধ পরিস্থিতির সুযোগে রুশ জ্বালানির বেশ কিছু নতুন ক্রেতার আবির্ভাব।

বিশেষ করে ফ্রান্সের ওপর মনযোগ দিয়েছে ফিনিশ গবেষণা সংস্থা সিআরইএ। সংস্থাটির গবেষক লৌরি মিলিভির্তা বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে ফ্রান্স। দীর্ঘকালীন চুক্তির পরিবর্তে স্বল্পকালীন ক্রয়চুক্তির ভিত্তিতে রাশিয়া থেকে তেল-গ্যাস-কয়লা কিনছে দেশটি। এই মুহূর্তে বিশ্বের সর্ববৃহৎ রুশ এলএনজির (তরলীকৃত গ্যাস) ক্রেতা ফ্রান্স।’

প্রভাতী খবর ডেস্ক

১৩ জুন, ২০২২,  9:55 PM

news image

ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর প্রথম ১০০ দিনে আন্তর্জাতিক বাজারে ৯ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের জীবাশ্ম জ্বালানি (তেল-গ্যাস-কয়লা) বিক্রি করেছে রাশিয়া; আর এই জ্বালানির একটি বড় অংশই গেছে ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ)।

সোমবার ফিনল্যান্ডভিত্তিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অন এনার্জি অ্যান্ড ক্লিন এয়ারের (সিআরইএ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে— মৌখিকভাবে ইইউ নেতারা রাশিয়ার জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর প্রত্যয় জানালেও বাস্তবে যুদ্ধের প্রথম ১০০ দিনে তার তেমন প্রতিফলন দেখা যায়নি।

আর একক দেশ হিসেবে রাশিয়ার কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি জ্বালানি কিনেছে চীন। তারপরই দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে জার্মানি ও ইতালি।

যুদ্ধের প্রথম ১০০ দিনে রাশিয়ার জ্বালানি বাবদ যে রপ্তানি আয়, তার প্রায় অর্ধেকেরও বেশি— ৪ হাজার ৬০০ কোটি ডলার এসেছে অপরিশোধিত তেল থেকে; বাকি অর্থ এসেছে গ্যাস ও কয়লা রপ্তানি করে।

যদিও গত মে মাসে ইউরোপে রুশ জ্বালানি রপ্তানিতে কিছুটা ভাঁটা পড়েছে, তারপরও এ সময় রাশিয়ার জন্য ‘আশীর্বাদ’ হিসেবে কাজ করেছে দু’টি বিষয়— ১. আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধি এবং ২. যুদ্ধ পরিস্থিতির সুযোগে রুশ জ্বালানির বেশ কিছু নতুন ক্রেতার আবির্ভাব।

বিশেষ করে ফ্রান্সের ওপর মনযোগ দিয়েছে ফিনিশ গবেষণা সংস্থা সিআরইএ। সংস্থাটির গবেষক লৌরি মিলিভির্তা বার্তা সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে ফ্রান্স। দীর্ঘকালীন চুক্তির পরিবর্তে স্বল্পকালীন ক্রয়চুক্তির ভিত্তিতে রাশিয়া থেকে তেল-গ্যাস-কয়লা কিনছে দেশটি। এই মুহূর্তে বিশ্বের সর্ববৃহৎ রুশ এলএনজির (তরলীকৃত গ্যাস) ক্রেতা ফ্রান্স।’