শিরোনামঃ
সুচনাকে মেয়র হিসেবে গ্রহন করলেন ঢাকাস্থ কুমিল্লা মহানগর নাগরিক ফোরাম কক্সবাজারের সুগন্ধা বিচের নতুন নাম ‘বঙ্গবন্ধু বিচ’ করায় ধন্যবাদ জ্ঞাপন গ্রীস ফেরত অসুস্থ বেলায়েত হোসেনের পাশে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও ব্র্যাক এই প্রথম ইসরায়েলের কোনো নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার পর ব্যবসায়ীর আত্মহত্যার চেষ্টা ৪ মাসে গাজায় নিহত হয়েছে ১০ হাজার হামাস যোদ্ধা : ইসরায়েল তুরাগতীরে দেশের বৃহত্তম জুমার জামাত আজ ১২শ স্বেচ্ছাসেবী নিয়ে প্যারিস খালে অভিযান শুরু মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইরানে মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে জোড়া বিস্ফোরণ, নিহত বেড়ে ১০৩

সবুজ সমারোহ হাতছানি দিয়ে ডাকছে ন্যাড়া পাহাড়

#
news image

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের হোয়াইক্যং রেঞ্জের টেকনাফ শামলাপুর- উখিয়ার মনখালী বনবিটের পাহাড়ের দিকে তাকালে বড় বড় গাছে ঠাসা জঙ্গল চোখে পড়ত। এখানে শিয়াল, বানর, হনুমান, হরিণ, বন মোরগ, হাতি, চিতা ও মেছো বাঘসহ নানা বন্য প্রাণী বিচরণ করতো।

অনেক সময় এসব প্রাণী পাহড়ের নিকটবর্তী লোকালয়ে এসে পড়ত। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে এসে হঠাৎ নির্বিচারে হত্যা করা হয় দীর্ঘ ঐতিহ্যের বিশালাকার এ বৃক্ষরাজি।অল্প সময়ে পাহাড় থেকে পাহাড় বৃক্ষ উজাড় হয়ে পরিণত হয় ন্যাড়া ভূমিতে। আবাস স্থল হারিয়ে বিলুপ্ত হয়ে যায় নানা বন্যপ্রাণী। এরপর দখলদাররা পাহাড় গুলোকে দখল করতে শুরু করে। ধীরে ধীরে পাহাড় গুলো পরিণত হয় ব্যক্তি দখলদারিত্ব ভূমিতে। পরে বনকর্মীরা তাদের বুঝাতে তৎপর হয়ে উঠে যে, শান্তিতে বাঁচতে হলে প্রয়োজন সবুজের ছায়া। তাই বন বিভাগের সঙ্গে এতাত্ম হয়ে পাহারা বসানো হয় গাছ বাঁচাতে। ফলে ন্যাড়া পাহাড়ে আবারও হাতছানি দিচ্ছে সবুজের সমারোহ বৃক্ষরাজি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, হোয়াইক্যং রেঞ্জের শামলাপুর ও মনখালী বিটের পাহাড় সবুজাভ সৃষ্টির মাধ্যমে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ হ্রাস, জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকার উৎস হিসেবে বন বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বৃক্ষের পরির্চয়ায় বনকর্মীরা অবহেলা না করে কাজ করায় তাঁদের কর্মে বনপ্রেমি ও সাধারণ মানুষ প্রশংসা করেছেন। 

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের হোয়াইক্যং রেঞ্জের শামলাপুর বিট কর্মকর্তা কেবিএম ফেরদৌস ও মনখালী বিট কর্মকর্তা শিমুল কান্তি নাথের সহায়তায় বন ভূমিতে গড়ে উঠেছে নীরব সবুজ বিপ্লব। বনভুমিকে সাজিয়েছে সবুজের সমারোহে। যতদুর চোখ যায়-সবুজের সমারোহে ভরে গেছে শামলাপুরের দখলদারদের ন্যাড়া পাহাড় গুলো। জানা গেছে, প্রভাবশালী ভূমিদস্যুদের দখলে ছিল এই পাহাড়গুলো। ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান করে পাহাড় গুলো দখল মুক্ত করে গড়ে তোলা হয় সুফল বাগান। এই সুফল বাগানের সবুজের সমারোহ এখন হাতছানি দিকে ডাকছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশ প্রেমীরা। মনখালী বিট কর্মকর্তা শিমূল নাথ বলেন, পাহাড় গুলো যেখানে ধূ-ধূ মরুভূমি ছিল, সেখানে বর্তমানে সবুজ বনে পরিনতি হয়েছে। স্থানীয়রা আরও সচেতন হলে পাহাড় রক্ষা এবং ন্যাড়া পাহাড়সমুহ আরও সবুজ বনে পরিনতি হবে বলে জানান তিনি। শামলাপুর বিট কর্মকর্তা কেবিএম ফেরদৌস জানান, আমি যোগদানের আগে পাহাড় গুলো ভূমিদস্যুদের দখলে ছিল। অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে ন্যাড়া পাহাড় গুলোতে সুফল বাগান করেছি। বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপন করেছি। স্থানীয়রা সচেতন হলে পাহাড় গুলো রক্ষা এবং ন্যাড়া পাহাড় গুলো আরও সবুজের সমারোহ হবে বলেন তিনি।


হোয়াইক্যং রেঞ্জ কর্মকর্তা মিনার চৌধুরী বলেন, এলাকার লোকজন যদি সচেতন হয়, তাহলে ন্যাড়া পাহাড় গুলো সবুজের সমারোহ করা সম্ভব। বন ও বনভূমি রক্ষায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রখ/ সাদ্দাম

জাফর আলম, কক্সবাজার

১৫ এপ্রিল, ২০২২,  8:19 AM

news image

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের হোয়াইক্যং রেঞ্জের টেকনাফ শামলাপুর- উখিয়ার মনখালী বনবিটের পাহাড়ের দিকে তাকালে বড় বড় গাছে ঠাসা জঙ্গল চোখে পড়ত। এখানে শিয়াল, বানর, হনুমান, হরিণ, বন মোরগ, হাতি, চিতা ও মেছো বাঘসহ নানা বন্য প্রাণী বিচরণ করতো।

অনেক সময় এসব প্রাণী পাহড়ের নিকটবর্তী লোকালয়ে এসে পড়ত। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময়ে এসে হঠাৎ নির্বিচারে হত্যা করা হয় দীর্ঘ ঐতিহ্যের বিশালাকার এ বৃক্ষরাজি।অল্প সময়ে পাহাড় থেকে পাহাড় বৃক্ষ উজাড় হয়ে পরিণত হয় ন্যাড়া ভূমিতে। আবাস স্থল হারিয়ে বিলুপ্ত হয়ে যায় নানা বন্যপ্রাণী। এরপর দখলদাররা পাহাড় গুলোকে দখল করতে শুরু করে। ধীরে ধীরে পাহাড় গুলো পরিণত হয় ব্যক্তি দখলদারিত্ব ভূমিতে। পরে বনকর্মীরা তাদের বুঝাতে তৎপর হয়ে উঠে যে, শান্তিতে বাঁচতে হলে প্রয়োজন সবুজের ছায়া। তাই বন বিভাগের সঙ্গে এতাত্ম হয়ে পাহারা বসানো হয় গাছ বাঁচাতে। ফলে ন্যাড়া পাহাড়ে আবারও হাতছানি দিচ্ছে সবুজের সমারোহ বৃক্ষরাজি। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, হোয়াইক্যং রেঞ্জের শামলাপুর ও মনখালী বিটের পাহাড় সবুজাভ সৃষ্টির মাধ্যমে প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ হ্রাস, জীব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকার উৎস হিসেবে বন বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। বৃক্ষের পরির্চয়ায় বনকর্মীরা অবহেলা না করে কাজ করায় তাঁদের কর্মে বনপ্রেমি ও সাধারণ মানুষ প্রশংসা করেছেন। 

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের হোয়াইক্যং রেঞ্জের শামলাপুর বিট কর্মকর্তা কেবিএম ফেরদৌস ও মনখালী বিট কর্মকর্তা শিমুল কান্তি নাথের সহায়তায় বন ভূমিতে গড়ে উঠেছে নীরব সবুজ বিপ্লব। বনভুমিকে সাজিয়েছে সবুজের সমারোহে। যতদুর চোখ যায়-সবুজের সমারোহে ভরে গেছে শামলাপুরের দখলদারদের ন্যাড়া পাহাড় গুলো। জানা গেছে, প্রভাবশালী ভূমিদস্যুদের দখলে ছিল এই পাহাড়গুলো। ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে অভিযান করে পাহাড় গুলো দখল মুক্ত করে গড়ে তোলা হয় সুফল বাগান। এই সুফল বাগানের সবুজের সমারোহ এখন হাতছানি দিকে ডাকছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় পরিবেশ প্রেমীরা। মনখালী বিট কর্মকর্তা শিমূল নাথ বলেন, পাহাড় গুলো যেখানে ধূ-ধূ মরুভূমি ছিল, সেখানে বর্তমানে সবুজ বনে পরিনতি হয়েছে। স্থানীয়রা আরও সচেতন হলে পাহাড় রক্ষা এবং ন্যাড়া পাহাড়সমুহ আরও সবুজ বনে পরিনতি হবে বলে জানান তিনি। শামলাপুর বিট কর্মকর্তা কেবিএম ফেরদৌস জানান, আমি যোগদানের আগে পাহাড় গুলো ভূমিদস্যুদের দখলে ছিল। অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে ন্যাড়া পাহাড় গুলোতে সুফল বাগান করেছি। বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপন করেছি। স্থানীয়রা সচেতন হলে পাহাড় গুলো রক্ষা এবং ন্যাড়া পাহাড় গুলো আরও সবুজের সমারোহ হবে বলেন তিনি।


হোয়াইক্যং রেঞ্জ কর্মকর্তা মিনার চৌধুরী বলেন, এলাকার লোকজন যদি সচেতন হয়, তাহলে ন্যাড়া পাহাড় গুলো সবুজের সমারোহ করা সম্ভব। বন ও বনভূমি রক্ষায় নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছি বলে জানিয়েছেন তিনি।

প্রখ/ সাদ্দাম