শিরোনামঃ
ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা প্রতিমন্ত্রী হতে পারে মাওলানা শামীম সকলের সময়ের নির্বাহী সম্পাদককে হত্যার হুমকি রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের শিকার দুদক মহাপরিচালক, আটক ২ রিওর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশি গণমাধ্যম—AIDS ২০২৬–এ অফিসিয়াল মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশন মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেবা আমিনা আহমেদের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ

ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া

#
news image

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, কোচিং বাণিজ্য ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষা অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যেই কলেজ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়ার নাম সামনে আসায় বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ ২ শাখার এক অফিস আদেশে দেখা যায়, অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া চাঁদপুর সরকারি কলেজের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তাকে ওএসডি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকায় সংযুক্ত করা হয় এবং পরে ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে সংযুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে কলেজটিকে ঘিরে প্রকাশিত একটি লিখিত অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, কোচিং, ব্যবহারিক পরীক্ষা, ফরম পূরণ ও অন্যান্য কার্যক্রমের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিধিবহির্ভূতভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্দিষ্ট কোচিংয়ে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং অংশগ্রহণ না করলে পরীক্ষায় অসুবিধার আশঙ্কা দেখানো হতো। কয়েকজন শিক্ষক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, সরকারি কলেজে এ ধরনের অভিযোগ শিক্ষাব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া বা কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি।

শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে মত

মো: গোলাম মোস্তফা

১৫ মে, ২০২৬,  11:04 PM

news image
ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রধান ফটক। ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, কোচিং বাণিজ্য ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষা অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যেই কলেজ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়ার নাম সামনে আসায় বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ ২ শাখার এক অফিস আদেশে দেখা যায়, অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া চাঁদপুর সরকারি কলেজের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তাকে ওএসডি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকায় সংযুক্ত করা হয় এবং পরে ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে সংযুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে কলেজটিকে ঘিরে প্রকাশিত একটি লিখিত অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, কোচিং, ব্যবহারিক পরীক্ষা, ফরম পূরণ ও অন্যান্য কার্যক্রমের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিধিবহির্ভূতভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্দিষ্ট কোচিংয়ে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং অংশগ্রহণ না করলে পরীক্ষায় অসুবিধার আশঙ্কা দেখানো হতো। কয়েকজন শিক্ষক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, সরকারি কলেজে এ ধরনের অভিযোগ শিক্ষাব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া বা কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি।

শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে মত