শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া

#
news image

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, কোচিং বাণিজ্য ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষা অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যেই কলেজ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়ার নাম সামনে আসায় বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ ২ শাখার এক অফিস আদেশে দেখা যায়, অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া চাঁদপুর সরকারি কলেজের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তাকে ওএসডি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকায় সংযুক্ত করা হয় এবং পরে ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে সংযুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে কলেজটিকে ঘিরে প্রকাশিত একটি লিখিত অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, কোচিং, ব্যবহারিক পরীক্ষা, ফরম পূরণ ও অন্যান্য কার্যক্রমের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিধিবহির্ভূতভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্দিষ্ট কোচিংয়ে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং অংশগ্রহণ না করলে পরীক্ষায় অসুবিধার আশঙ্কা দেখানো হতো। কয়েকজন শিক্ষক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, সরকারি কলেজে এ ধরনের অভিযোগ শিক্ষাব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া বা কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি।

শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে মত

মো: গোলাম মোস্তফা

১৫ মে, ২০২৬,  11:04 PM

news image
ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রধান ফটক। ছবি: সংগৃহীত

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, কোচিং বাণিজ্য ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষা অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যেই কলেজ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়ার নাম সামনে আসায় বিষয়টি নতুন মাত্রা পেয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ ২ শাখার এক অফিস আদেশে দেখা যায়, অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া চাঁদপুর সরকারি কলেজের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পরবর্তীতে তাকে ওএসডি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকায় সংযুক্ত করা হয় এবং পরে ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে সংযুক্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে কলেজটিকে ঘিরে প্রকাশিত একটি লিখিত অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়, এইচএসসি পরীক্ষার্থী ও একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিভিন্ন খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়, কোচিং, ব্যবহারিক পরীক্ষা, ফরম পূরণ ও অন্যান্য কার্যক্রমের নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বিধিবহির্ভূতভাবে টাকা নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, নির্দিষ্ট কোচিংয়ে অংশ নিতে শিক্ষার্থীদের উপর চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং অংশগ্রহণ না করলে পরীক্ষায় অসুবিধার আশঙ্কা দেখানো হতো। কয়েকজন শিক্ষক ও প্রশাসনিক ব্যক্তির সম্পৃক্ততার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের দাবি, সরকারি কলেজে এ ধরনের অভিযোগ শিক্ষাব্যবস্থার জন্য উদ্বেগজনক। তারা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন। তবে অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া বা কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এছাড়া অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে এখন পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হয়নি।

শিক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা প্রয়োজন। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে মত