শিরোনামঃ
আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা প্রতিমন্ত্রী হতে পারে মাওলানা শামীম সকলের সময়ের নির্বাহী সম্পাদককে হত্যার হুমকি রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের শিকার দুদক মহাপরিচালক, আটক ২ রিওর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশি গণমাধ্যম—AIDS ২০২৬–এ অফিসিয়াল মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশন মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেবা আমিনা আহমেদের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ ‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি

আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা

#
news image

দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে মেডিক্যাল ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিগুলোর অ্যাক্রেডিটেশন জরুরি বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে কর্মশালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি)।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে ২০২৬) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত কর্মশালার প্রতিপাদ্য ছিল "মেডিক্যাল ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরির অ্যাক্রেডিটেশনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান ও নিরাপত্তা উন্নয়ন"।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ওবায়দুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএবি র মহাপরিচালক মোহা. আমিনুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন মোঃ সলিম উল্লাহ। কর্মশালায় স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবের কর্মকর্তারা অংশ নেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএবি র পরিচালক (কারিগরি সেবা) মোঃ মাহবুবুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্প সচিব বলেন, দেশের অনেক মানুষ এখনও উন্নত পরীক্ষার সুবিধার জন্য বিদেশে যেতে বাধ্য হন। তিনি মনে করেন, দেশের ল্যাবগুলো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পরিচালিত হলে রোগীদের আস্থা বাড়বে এবং চিকিৎসা ব্যয় ও ভোগান্তি কমবে। একই সঙ্গে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মানসম্মত পরীক্ষার সুযোগ তৈরি হলে রাজধানীকেন্দ্রিক চাপও হ্রাস পাবে।

বিএবি র মহাপরিচালক মোহা. আমিনুল ইসলাম জানান, বর্তমানে দেশের ১৬৭টি প্রতিষ্ঠান বিএবি র অ্যাক্রেডিটেশন পেয়েছে। এর মধ্যে ৯টি মেডিক্যাল প্রতিষ্ঠান স্বীকৃতি অর্জন করেছে এবং আরও ৮টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি বলেন, একই পরীক্ষায় ভিন্ন ভিন্ন ফল পাওয়া স্বাস্থ্যখাতে উদ্বেগ তৈরি করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পরীক্ষার নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিএবি।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, রোগ নির্ণয়ের সঠিকতা নিশ্চিত করতে আধুনিক ও মানসম্পন্ন ল্যাবরেটরির বিকল্প নেই। নির্ভরযোগ্য পরীক্ষার ফল চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করে তোলে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অ্যাক্রেডিটেড ল্যাব রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আলোচনায় অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বাস্তবায়ন, গুণগত ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষ জনবল তৈরি এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড "বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন আইন, ২০০৬" এর আওতায় প্রতিষ্ঠিত দেশের একমাত্র জাতীয় অ্যাক্রেডিটেশন কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানটি পণ্য ও সেবার মানোন্নয়ন, ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মানসম্পর্কিত প্রতিবন্ধকতা কমাতে কাজ করছে।

বিএবি বর্তমানে এশিয়া প্যাসিফিক অ্যাক্রেডিটেশন কো অপারেশন, আন্তর্জাতিক ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো অপারেশন, আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন ফোরামসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্যখাতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ল্যাব ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

মো: গোলাম মোস্তফা

১৫ মে, ২০২৬,  1:39 AM

news image
সংগৃহীত ছবি

দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে মেডিক্যাল ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরিগুলোর অ্যাক্রেডিটেশন জরুরি বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। এ লক্ষ্যকে সামনে রেখে কর্মশালার আয়োজন করেছে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি)।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে ২০২৬) রাজধানীর বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম) অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত কর্মশালার প্রতিপাদ্য ছিল "মেডিক্যাল ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরির অ্যাক্রেডিটেশনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবার মান ও নিরাপত্তা উন্নয়ন"।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ ওবায়দুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএবি র মহাপরিচালক মোহা. আমিনুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন মোঃ সলিম উল্লাহ। কর্মশালায় স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক ল্যাবের কর্মকর্তারা অংশ নেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএবি র পরিচালক (কারিগরি সেবা) মোঃ মাহবুবুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্প সচিব বলেন, দেশের অনেক মানুষ এখনও উন্নত পরীক্ষার সুবিধার জন্য বিদেশে যেতে বাধ্য হন। তিনি মনে করেন, দেশের ল্যাবগুলো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পরিচালিত হলে রোগীদের আস্থা বাড়বে এবং চিকিৎসা ব্যয় ও ভোগান্তি কমবে। একই সঙ্গে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মানসম্মত পরীক্ষার সুযোগ তৈরি হলে রাজধানীকেন্দ্রিক চাপও হ্রাস পাবে।

বিএবি র মহাপরিচালক মোহা. আমিনুল ইসলাম জানান, বর্তমানে দেশের ১৬৭টি প্রতিষ্ঠান বিএবি র অ্যাক্রেডিটেশন পেয়েছে। এর মধ্যে ৯টি মেডিক্যাল প্রতিষ্ঠান স্বীকৃতি অর্জন করেছে এবং আরও ৮টি প্রতিষ্ঠানের আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি বলেন, একই পরীক্ষায় ভিন্ন ভিন্ন ফল পাওয়া স্বাস্থ্যখাতে উদ্বেগ তৈরি করছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী পরীক্ষার নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বিএবি।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, রোগ নির্ণয়ের সঠিকতা নিশ্চিত করতে আধুনিক ও মানসম্পন্ন ল্যাবরেটরির বিকল্প নেই। নির্ভরযোগ্য পরীক্ষার ফল চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং রোগ প্রতিরোধ কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করে তোলে। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অ্যাক্রেডিটেড ল্যাব রোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবার প্রতি জনগণের আস্থা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আলোচনায় অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বাস্তবায়ন, গুণগত ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষ জনবল তৈরি এবং আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা অর্জনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড "বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন আইন, ২০০৬" এর আওতায় প্রতিষ্ঠিত দেশের একমাত্র জাতীয় অ্যাক্রেডিটেশন কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানটি পণ্য ও সেবার মানোন্নয়ন, ভোক্তা স্বার্থ সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মানসম্পর্কিত প্রতিবন্ধকতা কমাতে কাজ করছে।

বিএবি বর্তমানে এশিয়া প্যাসিফিক অ্যাক্রেডিটেশন কো অপারেশন, আন্তর্জাতিক ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কো অপারেশন, আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন ফোরামসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্যখাতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ল্যাব ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।