শিরোনামঃ
‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান আবারও শিক্ষার হাল ধরলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি: নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদিত চার লাইনের ব্যালটে লুকানো ৮৪ সিদ্ধান্ত: ভোটাররা কি জানেন ‘হ্যাঁ’ মানে কী? কারাফটকে থেমে গেল শেষ বিদায়: স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুতে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম কেন প্যারোলে মুক্তি পেলেন না কারাগারের ফটকে থামানো শেষ বিদায়: বন্দি অবস্থায় স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম তরুণদের সঙ্গে তারেক রহমান: দক্ষ জনশক্তি গঠন ও নারীর ক্ষমতায়নে অঙ্গীকার

ভারতের ইনডেক্স দিল্লি বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ করেছে হাতিল

#
news image

দেশের প্রিমিয়াম ফার্নিচার ব্র্যান্ড হাতিল, ইনডেক্স দিল্লি ২০২২ বাণিজ্য মেলার ৩৩তম সংস্করণে অংশগ্রহণ করেছে। ইন্টেরিয়র ডিজাইন এক্সিবিশনের জন্য বিখ্যাত ইনডেক্স ভারতের প্রতিযোগিতামূলক বাণিজ্য মেলার তালিকায় বি-টু-বি বাণিজ্য মেলা হিসেবে সফলভাবে তার শীর্ষ অবস্থানটি ধরে রেখেছে।

ইন্টেরিয়র, স্থাপত্য, বিল্ডিং মেটেরিয়াল এবং ডিজাইনের জন্য এটি ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্যিক প্লাটফর্ম, যা একই ছাদের নিচে বিক্রেতা এবং ক্রেতাদের একত্রিত করে। এই মেলাটি প্রতি বছর মুম্বাইতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এবং ২০১৯ সালে ভারতের রাজধানী দিল্লির প্রগতি ময়দানে এটি সম্প্রসারিত হয়। তিন দিনব্যাপী এ মেলা ২২ থেকে ২৪ জুলাই ২০২২ পর্যন্ত চলবে।

হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, নতুন নতুন বাজার তৈরির লক্ষ্যে আমরা বাংলাদেশ, দুবাই, ভারত ও থাইল্যান্ডে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আসবাব মেলাতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করছি। আমাদের যে উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে তা দিয়ে সর্বোত্তম গুণগতমান বজায় রেখে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা মেটানো সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, ইনডেক্স ভারতের প্রথম সারির একটি ইন্টেরিয়র ডিজাইন এক্সিবিশন, যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমাদের পণ্যগুলো প্রদর্শনের জন্য অন্যতম সেরা একটি প্লাটফর্ম৷ স্থপতি, বিল্ডিং নির্মাতা, সেলিব্রিটিসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন এবং মেলার স্টলগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন। এ ধরনের মেলায় অংশগ্রহণ আমাদের নতুন নতুন ব্যবসার সুযোগ তৈরি করে। এই প্রথম এখানে আমরা অংশগ্রহণ করছি এবং আমরা খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি। আমরা যদি ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পাই তাহলে আমরা বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের মতো এখানেও অংশগ্রহণ চালিয়ে যাব।

হাতিল তাদের শৈল্পিক, আধুনিক এবং আরগোনমিক ডিজাইনের আসবাবপত্র নিয়ে এই মেলায় অংশ নিচ্ছে। বর্তমানে হাতিল বাংলাদেশে ৭২টি শোরুম নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রথম বাংলাদেশি ফার্নিচার ব্র্যান্ড হিসেবে এটি ভারত, ভুটান, কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবে সফলভাবে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছে। এই ব্র্যান্ডটি ভারতের মিজোরাম, মণিপুর, পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খন্ড, মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, গুয়াহাটি, হরিয়ানা, চণ্ডীগড় এবং কাশ্মীরসহ বিভিন্ন রাজ্যে ২৬টি শোরুম এবং ভুটানের থিম্পুতে দুটি শোরুম খুলেছে।

সেলিম এইচ রহমান বলেন, ভারতীয়দের রুচি ও সংস্কৃতি বাংলাদেশের কিছুটা সামঞ্জস্যতা রয়েছে। আমাদের পণ্যের গুণগতমান এবং ডিজাইনের কারণে আমাদের প্রতিবেশি দেশের ক্রেতারা আমাদের ইতিবাচকভাবে নিতে শুরু করেছেন। এই ধরনের ইতিবাচক সাড়া পেয়ে আমরা ভারতে আমাদের আউটলেট সংখ্যা বাড়াচ্ছি।

১৯৬৩ সালে সেলিম এইচ রহমানের বাবা হাবিবুর রহমান কাঠের ব্যবসা শুরু করেন, যার নাম এইচ. এ. টিম্বার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ক্রেতাদের ফার্নিচার ক্রয়ের প্রয়োজনীয়তা, আগ্রহ এবং সময় বিবেচনায় সেলিম এইচ রহমান ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেন হাতিল ফার্নিচার। এটি ২০০৭ সাল থেকে জাপানি গুণমান ব্যবস্থাপনা দর্শন ‘কাইজেন’ অনুশীলন করে আসছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি, প্রযুক্তি এবং রোবট সমৃদ্ধ হাতিলের আসবাব কারখানাটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি অন্যতম বৃহত্তম কারখানা। এখানে প্রতিদিন ৩ হাজারের বেশি কর্মী একসঙ্গে কাজ করছেন, এক মাসে এটি প্রায় ৪৮ হাজার পিস আসবাব উৎপাদনে সক্ষম।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৩ জুলাই, ২০২২,  9:44 PM

news image

দেশের প্রিমিয়াম ফার্নিচার ব্র্যান্ড হাতিল, ইনডেক্স দিল্লি ২০২২ বাণিজ্য মেলার ৩৩তম সংস্করণে অংশগ্রহণ করেছে। ইন্টেরিয়র ডিজাইন এক্সিবিশনের জন্য বিখ্যাত ইনডেক্স ভারতের প্রতিযোগিতামূলক বাণিজ্য মেলার তালিকায় বি-টু-বি বাণিজ্য মেলা হিসেবে সফলভাবে তার শীর্ষ অবস্থানটি ধরে রেখেছে।

ইন্টেরিয়র, স্থাপত্য, বিল্ডিং মেটেরিয়াল এবং ডিজাইনের জন্য এটি ভারতের বৃহত্তম বাণিজ্যিক প্লাটফর্ম, যা একই ছাদের নিচে বিক্রেতা এবং ক্রেতাদের একত্রিত করে। এই মেলাটি প্রতি বছর মুম্বাইতে অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে এবং ২০১৯ সালে ভারতের রাজধানী দিল্লির প্রগতি ময়দানে এটি সম্প্রসারিত হয়। তিন দিনব্যাপী এ মেলা ২২ থেকে ২৪ জুলাই ২০২২ পর্যন্ত চলবে।

হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, নতুন নতুন বাজার তৈরির লক্ষ্যে আমরা বাংলাদেশ, দুবাই, ভারত ও থাইল্যান্ডে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আসবাব মেলাতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করছি। আমাদের যে উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে তা দিয়ে সর্বোত্তম গুণগতমান বজায় রেখে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা মেটানো সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, ইনডেক্স ভারতের প্রথম সারির একটি ইন্টেরিয়র ডিজাইন এক্সিবিশন, যা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমাদের পণ্যগুলো প্রদর্শনের জন্য অন্যতম সেরা একটি প্লাটফর্ম৷ স্থপতি, বিল্ডিং নির্মাতা, সেলিব্রিটিসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন এবং মেলার স্টলগুলো ঘুরে ঘুরে দেখেন। এ ধরনের মেলায় অংশগ্রহণ আমাদের নতুন নতুন ব্যবসার সুযোগ তৈরি করে। এই প্রথম এখানে আমরা অংশগ্রহণ করছি এবং আমরা খুব ভালো সাড়া পাচ্ছি। আমরা যদি ইতিবাচক ফলাফল দেখতে পাই তাহলে আমরা বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের মতো এখানেও অংশগ্রহণ চালিয়ে যাব।

হাতিল তাদের শৈল্পিক, আধুনিক এবং আরগোনমিক ডিজাইনের আসবাবপত্র নিয়ে এই মেলায় অংশ নিচ্ছে। বর্তমানে হাতিল বাংলাদেশে ৭২টি শোরুম নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রথম বাংলাদেশি ফার্নিচার ব্র্যান্ড হিসেবে এটি ভারত, ভুটান, কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, আরব আমিরাত এবং সৌদি আরবে সফলভাবে ব্যবসা সম্প্রসারণ করেছে। এই ব্র্যান্ডটি ভারতের মিজোরাম, মণিপুর, পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খন্ড, মহারাষ্ট্র, পাঞ্জাব, গুয়াহাটি, হরিয়ানা, চণ্ডীগড় এবং কাশ্মীরসহ বিভিন্ন রাজ্যে ২৬টি শোরুম এবং ভুটানের থিম্পুতে দুটি শোরুম খুলেছে।

সেলিম এইচ রহমান বলেন, ভারতীয়দের রুচি ও সংস্কৃতি বাংলাদেশের কিছুটা সামঞ্জস্যতা রয়েছে। আমাদের পণ্যের গুণগতমান এবং ডিজাইনের কারণে আমাদের প্রতিবেশি দেশের ক্রেতারা আমাদের ইতিবাচকভাবে নিতে শুরু করেছেন। এই ধরনের ইতিবাচক সাড়া পেয়ে আমরা ভারতে আমাদের আউটলেট সংখ্যা বাড়াচ্ছি।

১৯৬৩ সালে সেলিম এইচ রহমানের বাবা হাবিবুর রহমান কাঠের ব্যবসা শুরু করেন, যার নাম এইচ. এ. টিম্বার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। ক্রেতাদের ফার্নিচার ক্রয়ের প্রয়োজনীয়তা, আগ্রহ এবং সময় বিবেচনায় সেলিম এইচ রহমান ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেন হাতিল ফার্নিচার। এটি ২০০৭ সাল থেকে জাপানি গুণমান ব্যবস্থাপনা দর্শন ‘কাইজেন’ অনুশীলন করে আসছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি, প্রযুক্তি এবং রোবট সমৃদ্ধ হাতিলের আসবাব কারখানাটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি অন্যতম বৃহত্তম কারখানা। এখানে প্রতিদিন ৩ হাজারের বেশি কর্মী একসঙ্গে কাজ করছেন, এক মাসে এটি প্রায় ৪৮ হাজার পিস আসবাব উৎপাদনে সক্ষম।