শিরোনামঃ
অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা প্রতিমন্ত্রী হতে পারে মাওলানা শামীম সকলের সময়ের নির্বাহী সম্পাদককে হত্যার হুমকি রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে

অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,,

#
news image

ঢাকার Royal University of Dhaka-এ চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে অধ্যাপক Dr. Abu Bakar Siddiki Dipu-র বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের একাংশ অভিযোগ করে বলেন, বোর্ড অব ট্রাস্টি ও সিন্ডিকেটের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়াই তিনি কলা অনুষদের ডীন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অভিযোগকারীরা আরও জানান, তার একাডেমিক সনদ ও নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাদের দাবি, তিনি Darul Ihsan University থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন—যে বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম অতীতে বিতর্ক ও আইনি জটিলতার মুখে পড়ে। এ কারণে তার যোগ্যতা ও নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সমাবর্তন আয়োজন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে চলা আন্দোলনকে “মব” আখ্যা দিয়ে আন্দোলনকারীদের দমনের চেষ্টা করা হয়। কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, ব্যক্তিগত ফোনকল, বার্তা পাঠানো এবং বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনভিপ্রেত যোগাযোগের ঘটনাও ঘটেছে।

এদিকে, ১১ মে ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে Tejgaon Industrial Area Police Station-এ একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি, শারীরিক আক্রমণের আশঙ্কা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার বিষয় উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়া অভিযোগকারীরা দাবি করেন, অধ্যাপক দিপু অতীতে “Bangabandhu Commission”-এর চেয়ারম্যান ছিলেন বলে পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন। এ বিষয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাইয়ের দাবি তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের পক্ষ থেকে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

নিজেস্ব প্রতিবেদক

২৩ মে, ২০২৬,  6:56 PM

news image

ঢাকার Royal University of Dhaka-এ চলমান শিক্ষার্থী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে অধ্যাপক Dr. Abu Bakar Siddiki Dipu-র বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের একাংশ অভিযোগ করে বলেন, বোর্ড অব ট্রাস্টি ও সিন্ডিকেটের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়াই তিনি কলা অনুষদের ডীন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অভিযোগকারীরা আরও জানান, তার একাডেমিক সনদ ও নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাদের দাবি, তিনি Darul Ihsan University থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন—যে বিশ্ববিদ্যালয়টির কার্যক্রম অতীতে বিতর্ক ও আইনি জটিলতার মুখে পড়ে। এ কারণে তার যোগ্যতা ও নিয়োগের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সমাবর্তন আয়োজন, প্রশাসনিক সংস্কার এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে চলা আন্দোলনকে “মব” আখ্যা দিয়ে আন্দোলনকারীদের দমনের চেষ্টা করা হয়। কয়েকজন শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন, ব্যক্তিগত ফোনকল, বার্তা পাঠানো এবং বিশেষ করে নারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অনভিপ্রেত যোগাযোগের ঘটনাও ঘটেছে।

এদিকে, ১১ মে ২০২৬ তারিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে Tejgaon Industrial Area Police Station-এ একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রে আন্দোলনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি, শারীরিক আক্রমণের আশঙ্কা এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার বিষয় উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়া অভিযোগকারীরা দাবি করেন, অধ্যাপক দিপু অতীতে “Bangabandhu Commission”-এর চেয়ারম্যান ছিলেন বলে পরিচয় দিয়ে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করেন। এ বিষয়েও সুনির্দিষ্ট তথ্য যাচাইয়ের দাবি তুলেছেন সংশ্লিষ্টরা।

শিক্ষার্থী ও অ্যালামনাইদের পক্ষ থেকে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।