শিরোনামঃ
মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত: বিপন্ন মানুষ, বিপন্ন পৃথিবী ইউপি চেয়ারম্যান পদে ন্যূনতম স্নাতক যোগ্যতা চেয়ে রুল জারি বন্যা মোকাবেলায় খাল খনন কর্মসূচি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে

নভেম্বরের পর কোভিডের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ বন্ধ

#
news image

আগামী নভেম্বরের পর থেকে দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব শামসুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “নভেম্বরের পর করোনাভাইরাসের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হবে না। কারণ ওই সময়ে টিকার মেয়াদ থাকবে না। নতুন করে টিকা কেনার সম্ভাবনা কম।”

শামসুল হক বলেন, “আগস্ট থেকে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সীদের টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া বন্ধ হলেও সারাদেশে বুস্টার ডোজ কার্যক্রম চলমান থাকবে। টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের গড়িমসি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”

এর আগে রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মো. খুরশীদ আলম বলেছেন, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণে মারা যাওয়াদের মধ্যে প্রায় ৭০% টিকা নেয়নি।

তিনি বলেন, “টিকা শতভাগ মৃত্যু নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও যারা টিকা নিয়েছেন, তারা এক ধরনের সুরক্ষা পেয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ আক্রান্ত হলেও জটিলতা অনেকাংশেই কমে গেছে। এজন্যই সবাইকে দ্রুততম সময়ে টিকার আওতায় আসতে হবে।”

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬ জুলাই, ২০২২,  11:39 PM

news image

আগামী নভেম্বরের পর থেকে দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব শামসুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “নভেম্বরের পর করোনাভাইরাসের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হবে না। কারণ ওই সময়ে টিকার মেয়াদ থাকবে না। নতুন করে টিকা কেনার সম্ভাবনা কম।”

শামসুল হক বলেন, “আগস্ট থেকে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সীদের টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া বন্ধ হলেও সারাদেশে বুস্টার ডোজ কার্যক্রম চলমান থাকবে। টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের গড়িমসি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”

এর আগে রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মো. খুরশীদ আলম বলেছেন, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণে মারা যাওয়াদের মধ্যে প্রায় ৭০% টিকা নেয়নি।

তিনি বলেন, “টিকা শতভাগ মৃত্যু নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও যারা টিকা নিয়েছেন, তারা এক ধরনের সুরক্ষা পেয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ আক্রান্ত হলেও জটিলতা অনেকাংশেই কমে গেছে। এজন্যই সবাইকে দ্রুততম সময়ে টিকার আওতায় আসতে হবে।”