শিরোনামঃ
অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম মোহাম্মদপুরে ছিনতাইয়ের শিকার দুদক মহাপরিচালক, আটক ২ রিওর বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশি গণমাধ্যম—AIDS ২০২৬–এ অফিসিয়াল মিডিয়া অ্যাক্রেডিটেশন মহিলা দলের সহ-সভাপতি জেবা আমিনা আহমেদের বিরুদ্ধে বাড়ি দখলের অভিযোগ ‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান আবারও শিক্ষার হাল ধরলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা

নভেম্বরের পর কোভিডের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ বন্ধ

#
news image

আগামী নভেম্বরের পর থেকে দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব শামসুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “নভেম্বরের পর করোনাভাইরাসের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হবে না। কারণ ওই সময়ে টিকার মেয়াদ থাকবে না। নতুন করে টিকা কেনার সম্ভাবনা কম।”

শামসুল হক বলেন, “আগস্ট থেকে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সীদের টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া বন্ধ হলেও সারাদেশে বুস্টার ডোজ কার্যক্রম চলমান থাকবে। টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের গড়িমসি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”

এর আগে রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মো. খুরশীদ আলম বলেছেন, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণে মারা যাওয়াদের মধ্যে প্রায় ৭০% টিকা নেয়নি।

তিনি বলেন, “টিকা শতভাগ মৃত্যু নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও যারা টিকা নিয়েছেন, তারা এক ধরনের সুরক্ষা পেয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ আক্রান্ত হলেও জটিলতা অনেকাংশেই কমে গেছে। এজন্যই সবাইকে দ্রুততম সময়ে টিকার আওতায় আসতে হবে।”

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৬ জুলাই, ২০২২,  11:39 PM

news image

আগামী নভেম্বরের পর থেকে দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া বন্ধ হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের টিকা ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য সচিব শামসুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, “নভেম্বরের পর করোনাভাইরাসের প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হবে না। কারণ ওই সময়ে টিকার মেয়াদ থাকবে না। নতুন করে টিকা কেনার সম্ভাবনা কম।”

শামসুল হক বলেন, “আগস্ট থেকে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সীদের টিকা দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া বন্ধ হলেও সারাদেশে বুস্টার ডোজ কার্যক্রম চলমান থাকবে। টিকা নেওয়ার ক্ষেত্রে মানুষের গড়িমসি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।”

এর আগে রবিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মো. খুরশীদ আলম বলেছেন, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস সংক্রমণে মারা যাওয়াদের মধ্যে প্রায় ৭০% টিকা নেয়নি।

তিনি বলেন, “টিকা শতভাগ মৃত্যু নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও যারা টিকা নিয়েছেন, তারা এক ধরনের সুরক্ষা পেয়েছেন। তাদের মধ্যে কেউ আক্রান্ত হলেও জটিলতা অনেকাংশেই কমে গেছে। এজন্যই সবাইকে দ্রুততম সময়ে টিকার আওতায় আসতে হবে।”