শিরোনামঃ
এসআই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও বিচারিক কাজে বাধার অভিযোগে রুমিন ফারহানার বিষয়ে ব্যবস্থা চেয়ে চিঠি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচার জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পন করল সকালের সময় শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রভাবশালী দুই ভাইয়ের ছায়ায় জুড়ীতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ জুড়ীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল: নেতৃত্বে জাকিরের পিএস নোমান কে এই প্রতারক নাহিদ,পরিচয় ও তার পেশা কি জুড়ীতে দলীয় বিভাজন সৃষ্টি‌ করছেন‌ যুবদল নেতা নিপার রেজা 

আচরণবিধি লঙ্ঘন ও বিচারিক কাজে বাধার অভিযোগে রুমিন ফারহানার বিষয়ে ব্যবস্থা চেয়ে চিঠি

#
news image

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং বিচারিক কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুবকর সরকার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ অনুরোধ জানানো হয়।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে চিঠিটি নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি এবং সরাইলের সিনিয়র সিভিল জজ আশরাফুল ইসলামের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরাইল উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামে পেন্ডেল নির্মাণ করে একটি জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়, যা নির্বাচন আচরণবিধির পরিপন্থী বলে কর্তৃপক্ষ মনে করেছে। এ কারণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সমাবেশটি ভেঙে দেওয়া হয়। ওই সময় ঘটনাস্থলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তিকে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চলাকালে রুমিন ফারহানার আচরণকে আক্রমণাত্মক ও হুমকিসূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতি আঙুল ও বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের মাধ্যমে আপত্তিকর ভঙ্গি করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি উত্তেজনাপূর্ণ আচরণ করেন বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই পরিস্থিতিতে গণজমায়েত (মব) তৈরি হয়ে বিচারিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে, যা নির্বাচন আচরণবিধির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয় এবং ভিডিওটির একটি লিংক সংযুক্ত করা হয়েছে।

ভিডিওতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও রুমিন ফারহানার মধ্যে কথোপকথনের কিছু অংশ শোনা যায় বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে ব্যবহৃত ভাষা ও আচরণকে প্রশাসনের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করা হয়।

চিঠিতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে প্রচলিত আইন ও নির্বাচন আচরণবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্র জানায়, নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের যেকোনো অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নেওয়া হবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

১৯ জানুয়ারি, ২০২৬,  2:59 AM

news image
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাগবিতণ্ডা। ছবি: সংগৃহীত

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন এবং বিচারিক কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ এনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুবকর সরকার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ অনুরোধ জানানো হয়।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) বিকেলে চিঠিটি নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটি এবং সরাইলের সিনিয়র সিভিল জজ আশরাফুল ইসলামের কাছে পাঠানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরাইল উপজেলার ইসলামাবাদ গ্রামে পেন্ডেল নির্মাণ করে একটি জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়, যা নির্বাচন আচরণবিধির পরিপন্থী বলে কর্তৃপক্ষ মনে করেছে। এ কারণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে সমাবেশটি ভেঙে দেওয়া হয়। ওই সময় ঘটনাস্থলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়া হাসান খান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন এবং সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তিকে ৪০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার চিঠিতে অভিযোগ করা হয়, ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম চলাকালে রুমিন ফারহানার আচরণকে আক্রমণাত্মক ও হুমকিসূচক হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, তিনি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের প্রতি আঙুল ও বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের মাধ্যমে আপত্তিকর ভঙ্গি করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি উত্তেজনাপূর্ণ আচরণ করেন বলেও অভিযোগ আনা হয়েছে।

চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ওই পরিস্থিতিতে গণজমায়েত (মব) তৈরি হয়ে বিচারিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে, যা নির্বাচন আচরণবিধির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হতে পারে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয় এবং ভিডিওটির একটি লিংক সংযুক্ত করা হয়েছে।

ভিডিওতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও রুমিন ফারহানার মধ্যে কথোপকথনের কিছু অংশ শোনা যায় বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে ব্যবহৃত ভাষা ও আচরণকে প্রশাসনের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ করা হয়।

চিঠিতে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে প্রচলিত আইন ও নির্বাচন আচরণবিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর সূত্র জানায়, নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ রাখতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের যেকোনো অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নেওয়া হবে।