শিরোনামঃ
মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

৫২ শ্রমিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, বড়পুকুরিয়ায় কয়লা উত্তোলন বন্ধ

#
news image

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে কর্মরত ৫২ জন শ্রমিকের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে পরীক্ষামূলক উত্তোলনের তিন দিনের মাথায় আবারও কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (৩০ জুলাই) সকাল থেকে পরীক্ষামূলক কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, করোনাভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে চীনা ও বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছেন। 

এর আগে গত ২৭ জুলাই সকাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করা হয়। আগামী ৪ থেকে ৫ দিনের মধ্যেই এই খনি পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে যাওয়ার কথা ছিল, যাতে প্রতিদিন ২৭০০ থেকে ৩০০০ মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলন হবে বলে জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।

সাইফুল ইসলাম জানান, যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের খনির বাইরে রেখে নতুন করে খনিতে প্রবেশ করানো হবে। যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত চীনা শ্রমিকদের সংস্পর্শে গেছেন, তারা এখন খনির বাইরে আছেন। যেসব শ্রমিক বাইরে গেছেন সুস্থ হওয়ার পর তাদের দ্রুত খনিতে ফিরিয়ে আনা হবে। খনিতে যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি, তাদের দিয়ে কয়লা উত্তোলনের কূপের উন্নয়ন কাজ করানো হচ্ছে।

জানা গেছে, গত ২৭ জুলাই বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির নতুন কূপে কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করে কর্তৃপক্ষ। খনিতে ৩০০ জন চীনা ও ৪০০ জন বাংলাদেশি শ্রমিক অবস্থিত করছিলেন। এর মধ্যে ১৪৩ জন শ্রমিকের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ১৬ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ২৮ জুলাই ৩০৫ জন চীনা ও বাংলাদেশি শ্রমিকের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৩৪ জন চীনা ও দুই জন বাংলাদেশি শ্রমিকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

গত ৩০ এপ্রিল উত্তোলনকৃত ১৩১০ নম্বর ফেইজ থেকে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় এই খনিতে কয়লা উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। পরের ফেইজটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর পরিত্যক্ত ফেইজের ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি স্থানান্তর ও নতুন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বসিয়ে ১৩০৬ নম্বর ফেইজ থেকে কয়লা উত্তোলন প্রক্রিয়া শুরু করে কর্তৃপক্ষ। 

ওই সময়ে বলা হয়েছিল, নতুন ফেইজ রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন করে কয়লা উত্তোলনে সময় লাগবে প্রায় আড়াই মাস। পরে আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে কয়লা উত্তোলনের সময়ও নির্ধারণ করে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু চলমান বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দ্রুত কয়লা উত্তোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। অবশেষে গত ২৭ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টায় খনির নতুন ফেইজ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করে কর্তৃপক্ষ।

নিজস্ব প্রতিবেদক

৩০ জুলাই, ২০২২,  9:54 PM

news image

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনিতে কর্মরত ৫২ জন শ্রমিকের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে পরীক্ষামূলক উত্তোলনের তিন দিনের মাথায় আবারও কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (৩০ জুলাই) সকাল থেকে পরীক্ষামূলক কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, করোনাভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে চীনা ও বাংলাদেশি শ্রমিক রয়েছেন। 

এর আগে গত ২৭ জুলাই সকাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করা হয়। আগামী ৪ থেকে ৫ দিনের মধ্যেই এই খনি পূর্ণাঙ্গ উৎপাদনে যাওয়ার কথা ছিল, যাতে প্রতিদিন ২৭০০ থেকে ৩০০০ মেট্রিক টন কয়লা উত্তোলন হবে বলে জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।

সাইফুল ইসলাম জানান, যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের খনির বাইরে রেখে নতুন করে খনিতে প্রবেশ করানো হবে। যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত চীনা শ্রমিকদের সংস্পর্শে গেছেন, তারা এখন খনির বাইরে আছেন। যেসব শ্রমিক বাইরে গেছেন সুস্থ হওয়ার পর তাদের দ্রুত খনিতে ফিরিয়ে আনা হবে। খনিতে যারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হননি, তাদের দিয়ে কয়লা উত্তোলনের কূপের উন্নয়ন কাজ করানো হচ্ছে।

জানা গেছে, গত ২৭ জুলাই বড়পুকুরিয়া কয়লা খনির নতুন কূপে কয়লা উত্তোলন কার্যক্রম শুরু করে কর্তৃপক্ষ। খনিতে ৩০০ জন চীনা ও ৪০০ জন বাংলাদেশি শ্রমিক অবস্থিত করছিলেন। এর মধ্যে ১৪৩ জন শ্রমিকের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ১৬ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। ২৮ জুলাই ৩০৫ জন চীনা ও বাংলাদেশি শ্রমিকের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৩৪ জন চীনা ও দুই জন বাংলাদেশি শ্রমিকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

গত ৩০ এপ্রিল উত্তোলনকৃত ১৩১০ নম্বর ফেইজ থেকে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় এই খনিতে কয়লা উত্তোলন বন্ধ হয়ে যায়। পরের ফেইজটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। এরপর পরিত্যক্ত ফেইজের ব্যবহারযোগ্য যন্ত্রপাতি স্থানান্তর ও নতুন প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বসিয়ে ১৩০৬ নম্বর ফেইজ থেকে কয়লা উত্তোলন প্রক্রিয়া শুরু করে কর্তৃপক্ষ। 

ওই সময়ে বলা হয়েছিল, নতুন ফেইজ রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন করে কয়লা উত্তোলনে সময় লাগবে প্রায় আড়াই মাস। পরে আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে কয়লা উত্তোলনের সময়ও নির্ধারণ করে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু চলমান বিদ্যুৎ সংকটের কারণে দ্রুত কয়লা উত্তোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। অবশেষে গত ২৭ জুলাই সকাল সাড়ে ৯টায় খনির নতুন ফেইজ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কয়লা উত্তোলন শুরু করে কর্তৃপক্ষ।