শিরোনামঃ
‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান আবারও শিক্ষার হাল ধরলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি: নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদিত চার লাইনের ব্যালটে লুকানো ৮৪ সিদ্ধান্ত: ভোটাররা কি জানেন ‘হ্যাঁ’ মানে কী? কারাফটকে থেমে গেল শেষ বিদায়: স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুতে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম কেন প্যারোলে মুক্তি পেলেন না কারাগারের ফটকে থামানো শেষ বিদায়: বন্দি অবস্থায় স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম তরুণদের সঙ্গে তারেক রহমান: দক্ষ জনশক্তি গঠন ও নারীর ক্ষমতায়নে অঙ্গীকার

বিগত অর্থবছরে রাজস্ব আয় হয়েছে ৩ লাখ ১ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকা : প্রবৃদ্ধি ১৬.০৯ শতাংশ

#
news image

বিগত ২০২১-২২ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে ৩ লাখ ১ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মুহাম্মদ রহমাতুল মুনিম।
বিগত অর্থবছরের এই রাজস্ব আয় এর আগের ২০২০-২১ অর্থবছরের তুলনায় ৪১ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা বা ১৬ দশমিক ০৯ শতাংশ বেশি। তবে গত অর্থবছরের জন্য সরকার নির্ধারিত ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আয় কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।
রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ রাজস্ব ভবন সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান এনবিআর চেয়ারম্যান।
রহমাতুল মুনিম বলেন, ‘গত অর্থবছরের রাজস্ব আয় লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ পিছিয়ে থাকলেও আমরা যে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি, সেটাকে বিশ্ব অর্থনীতির শ্লথ গতি বা বৈশ্বিক অর্থনীতির বর্তমান প্রেক্ষিতে খারাপ বলা যাবে না।’
তিনি জানান, গত অর্থবছরে আন্তর্জাতিক আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বা শুল্ক খাত থেকে গত অর্থবছরে আয় হয়েছে ৮৯ হাজার ৪২৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা, এক্ষেত্রে অর্জিত প্রবৃদ্ধি ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ। মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৪১৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা। প্রবৃদ্ধি ১১ দশমিক ৯ শতাংশ। এছাড়া আয়কর ও ভ্রমণ কর থেকে আয় হয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৭৯১ কোটি ৮১ লাখ টাকা। আয়কর খাতে ২১ দশমিক ৭৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
অনুষ্ঠানে নতুন অর্থবছরের রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা প্রসঙ্গে তুলে রহমাতুল মুনিম বলেন, বিশেষ করে আয়কর খাতে করনেট সম্প্রসারণ করে কর আহরণের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এবারের বাজেটে অনেকগুলো সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ণ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক বা প্রাপ্তি স্বীকারপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে নতুন অর্থবছরে উল্লেখযোগ্য হারে করনেট সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে এনবিআরের সদস্য আব্দুল মান্নান শিকদার, সামস উদ্দিন আহমেদ, জাকিয়া সুলতানাসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৭ আগস্ট, ২০২২,  9:43 PM

news image

বিগত ২০২১-২২ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে ৩ লাখ ১ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকার রাজস্ব আয় হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবু হেনা মুহাম্মদ রহমাতুল মুনিম।
বিগত অর্থবছরের এই রাজস্ব আয় এর আগের ২০২০-২১ অর্থবছরের তুলনায় ৪১ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা বা ১৬ দশমিক ০৯ শতাংশ বেশি। তবে গত অর্থবছরের জন্য সরকার নির্ধারিত ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আহরণ লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আয় কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে।
রোববার রাজধানীর সেগুনবাগিচাস্থ রাজস্ব ভবন সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান এনবিআর চেয়ারম্যান।
রহমাতুল মুনিম বলেন, ‘গত অর্থবছরের রাজস্ব আয় লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৮ দশমিক ৬ শতাংশ পিছিয়ে থাকলেও আমরা যে প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি, সেটাকে বিশ্ব অর্থনীতির শ্লথ গতি বা বৈশ্বিক অর্থনীতির বর্তমান প্রেক্ষিতে খারাপ বলা যাবে না।’
তিনি জানান, গত অর্থবছরে আন্তর্জাতিক আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বা শুল্ক খাত থেকে গত অর্থবছরে আয় হয়েছে ৮৯ হাজার ৪২৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা, এক্ষেত্রে অর্জিত প্রবৃদ্ধি ১৫ দশমিক ৯ শতাংশ। মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট থেকে রাজস্ব আয় হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ৪১৮ কোটি ২৩ লাখ টাকা। প্রবৃদ্ধি ১১ দশমিক ৯ শতাংশ। এছাড়া আয়কর ও ভ্রমণ কর থেকে আয় হয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৭৯১ কোটি ৮১ লাখ টাকা। আয়কর খাতে ২১ দশমিক ৭৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।
অনুষ্ঠানে নতুন অর্থবছরের রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা প্রসঙ্গে তুলে রহমাতুল মুনিম বলেন, বিশেষ করে আয়কর খাতে করনেট সম্প্রসারণ করে কর আহরণের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এবারের বাজেটে অনেকগুলো সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে আয়কর রিটার্ণ সার্টিফিকেট বাধ্যতামূলক বা প্রাপ্তি স্বীকারপত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এর ফলে নতুন অর্থবছরে উল্লেখযোগ্য হারে করনেট সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে এনবিআরের সদস্য আব্দুল মান্নান শিকদার, সামস উদ্দিন আহমেদ, জাকিয়া সুলতানাসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।