শিরোনামঃ
‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান আবারও শিক্ষার হাল ধরলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি: নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদিত চার লাইনের ব্যালটে লুকানো ৮৪ সিদ্ধান্ত: ভোটাররা কি জানেন ‘হ্যাঁ’ মানে কী? কারাফটকে থেমে গেল শেষ বিদায়: স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুতে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম কেন প্যারোলে মুক্তি পেলেন না কারাগারের ফটকে থামানো শেষ বিদায়: বন্দি অবস্থায় স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম তরুণদের সঙ্গে তারেক রহমান: দক্ষ জনশক্তি গঠন ও নারীর ক্ষমতায়নে অঙ্গীকার

পাম অয়েলে ১২ ও চিনিতে ৬ টাকা কমানোর সুপারিশ

#
news image

পাম অয়েলের দাম লিটারে ১২ টাকা ও চিনির দাম কেজিতে ছয় টাকা কমানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম পর্যালোচনার দায়িত্বে থাকা সংস্থাটি সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এক প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করে।

তবে সয়াবিন তেলের বর্তমান দাম বহাল রাখার সুপারিশ করেছে কমিশন।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি চিনি ৯০-৯৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ চিনির দাম নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ছয়মাসের বেশি সময় ধরে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশিতে বেচাকেনা হচ্ছে। কমিশন প্রতি কেজি খোলা চিনি সর্বোচ্চ ৮৪ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনি সর্বোচ্চ ৮৮ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করেছে।

ট্যারিফ কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, কয়েকটি পণ্যের যৌক্তিক বাজারদর কী হওয়া উচিত, সেই বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরির জন্য নির্দেশনা দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তারা পর্যালোচনা করে দেখেছেন, কৃষি বিপণন আইনে কৃষি মন্ত্রণালয়কে চাল, আটা, ময়দা, ডাল, ডিম ও পেঁয়াজের মতো পণ্যের দাম বেঁধে দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর এসব পণ্যসহ আরও বেশ কিছু পণ্যের যৌক্তিক বাজারদর নিয়মিত প্রকাশ করে আসছে। এ কারণে চাল, আটা, ময়দা, ডাল, ডিমের দাম পর্যালোচনা না করে ভোজ্যতেল ও চিনির দাম পর্যালোচনা করা হয়েছে।

কমিশনের ওই কর্মকর্তা জানান, রড ও সিমেন্টে অনেক ধরনের কাঁচামাল ব্যবহার হয়। সেগুলোর তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এজন্য পর্যালোচনায় কিছুটা সময় লাগছে। সামগ্রিকভাবে একটি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখানে পাম অয়েল ও চিনির দামের বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে।

চাল, ডাল, আটা, ময়দা, ডিমের যৌক্তিক দর কী হওয়া উচিত, তা কৃষি বিপণন অধিদপ্তর নিয়মিত করে থাকে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আর রড ও সিমেন্টের দর পর্যালোচনার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে পর্যালোচনা প্রতিবেদন তৈরি সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।

অনলাইন ডেস্ক

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  10:54 PM

news image

পাম অয়েলের দাম লিটারে ১২ টাকা ও চিনির দাম কেজিতে ছয় টাকা কমানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম পর্যালোচনার দায়িত্বে থাকা সংস্থাটি সম্প্রতি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এক প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করে।

তবে সয়াবিন তেলের বর্তমান দাম বহাল রাখার সুপারিশ করেছে কমিশন।

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি চিনি ৯০-৯৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর সর্বশেষ চিনির দাম নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু ছয়মাসের বেশি সময় ধরে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশিতে বেচাকেনা হচ্ছে। কমিশন প্রতি কেজি খোলা চিনি সর্বোচ্চ ৮৪ টাকা ও প্যাকেটজাত চিনি সর্বোচ্চ ৮৮ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করেছে।

ট্যারিফ কমিশনের এক কর্মকর্তা বলেন, কয়েকটি পণ্যের যৌক্তিক বাজারদর কী হওয়া উচিত, সেই বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরির জন্য নির্দেশনা দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। তারা পর্যালোচনা করে দেখেছেন, কৃষি বিপণন আইনে কৃষি মন্ত্রণালয়কে চাল, আটা, ময়দা, ডাল, ডিম ও পেঁয়াজের মতো পণ্যের দাম বেঁধে দেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, একই সঙ্গে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর এসব পণ্যসহ আরও বেশ কিছু পণ্যের যৌক্তিক বাজারদর নিয়মিত প্রকাশ করে আসছে। এ কারণে চাল, আটা, ময়দা, ডাল, ডিমের দাম পর্যালোচনা না করে ভোজ্যতেল ও চিনির দাম পর্যালোচনা করা হয়েছে।

কমিশনের ওই কর্মকর্তা জানান, রড ও সিমেন্টে অনেক ধরনের কাঁচামাল ব্যবহার হয়। সেগুলোর তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এজন্য পর্যালোচনায় কিছুটা সময় লাগছে। সামগ্রিকভাবে একটি প্রতিবেদন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখানে পাম অয়েল ও চিনির দামের বিষয়ে সুপারিশ করা হয়েছে।

চাল, ডাল, আটা, ময়দা, ডিমের যৌক্তিক দর কী হওয়া উচিত, তা কৃষি বিপণন অধিদপ্তর নিয়মিত করে থাকে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আর রড ও সিমেন্টের দর পর্যালোচনার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে পর্যালোচনা প্রতিবেদন তৈরি সম্ভব হবে বলেও জানান তিনি।