শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

পাহাড়ে অভিযান অব্যাহত: র‌্যাব

#
news image

নতুন জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যেসব তরুণরা তথাকথিত হিজরতের নামে নিরুদ্দেশ হয়েছে। এমন কয়েকজন ও তাদের যারা উদ্বুদ্ধ করেছে, প্রশিক্ষণ দিয়েছে এমন ১২ জনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী পার্বত্য অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। শিগগিরই বেশ কয়েকজনকে আইনের আওতায় নিয়ে আশা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। বুধবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

পার্বত্য এলাকায় যৌথ অভিযান চলছে জানিয়ে খন্দকার আল মঈন বলেন, পাহাড়ে যৌথবাহিনীর জোরালো অভিযান চলছে। অপারেশনে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। আমরা বেশকিছু দূর পর্যন্ত চলে এসেছি। আশা করছি, সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজনকে আইনের আওতায় আনতে পারবো। যেহেতু জায়গাটা দুর্গম, ঝুঁকিপূর্ণ ও পর্যটকরা ঘোরাফেরা করেন, এজন্য হয়তো স্থানীয় প্রশাসন ওই এলাকায় পর্যটক যেতে নিষিদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন, তথা কথিত হিজরতের নামে যারা বাসা থেকে বের হয়েছে, তাদের হিজরতে বের হতে কারা উদ্বুদ্ধ করেছে, কারা প্রশিক্ষণ দিয়েছে, তাদের মধ্যে আমরা ১২ জনকে আটক করেছি। তাদের তথ্যের ভিত্তিতেই আমরা জানতে পেরেছি, নিরুদ্দেশ জঙ্গিরা পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ও অবস্থান করছে। এরপরই পার্বত্য এলাকায় যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। মূলত তাদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান চলছে।

পাহাড়ে জঙ্গিদের অবস্থান সম্পর্কে বেশকিছু তথ্য মিলেছে জানিয়ে কমান্ডার মঈন বলেন, আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। দ্রুতই বিস্তারিত গণমাধ্যমে জানানো হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে যে তথ্য তাতে দুর্গম অঞ্চলে স্থায়ী হতে সাপোর্ট লাগে। যে কেউ গিয়ে সেখানে স্থায়ী হতে পারবে না। এজন্যই বিচ্ছিন্নবাদী কিছু সংগঠন নিরুদ্দেশ ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, রসদ সাপ্লাই করা হচ্ছে বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। এ তথ্যের ভিত্তিতেই আমরা সেখানে অভিযান চালাচ্ছি।

যেসব ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, এগুলো গুজব মনে হয়েছে। যৌথবাহিনীর অভিযান যথাযথ নিয়ম মেনেই হচ্ছে। ফেসবুক পেজগুলোর ব্যাপারে আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে আমাদের অভিযান নিয়ে যেসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, এগুলো ভুল তথ্য। বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে পাহাড়ে ট্রেনিং নিচ্ছে এমন ভিডিও প্রসঙ্গে র‌্যাবের মুখপাত্র বলেন, এগুলো আমাদের কাছে গুজব মনে হয়েছে। এ ভিডিও সম্ভবত আমাদের এখানের না। তবে আমাদের যে অভিযান চলছে, তাদের যদি আটক করতে সক্ষম হই, তখন বিস্তারিত বলতে পারবো। 

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুর্গম এলাকায় কারো সাপোর্ট ছাড়া জঙ্গিদের অবস্থান করা দুরুহ। কারণ চেহারাসহ অনেক ব্যাপার আছে। বিচ্ছিন্নবাদীদের সহযোগিতা ছাড়া তারা সেখানে আছে, এটা ঠিক না। তবে তাদের আটকের পরে আমরা বলতে পারবো। কেএনএফ প্রধান নাথান বোম সম্পর্কে র‌্যাবের কাছে কোনো তথ্য আছে কিনা জানতে চাইলে র‌্যাবের মুখপাত্র বলেন, না, এখন পর্যন্ত নেই। গোয়েন্দারা এ ব্যাপারে কাজ করছে।

অনলাইন ডেস্ক

১৯ অক্টোবর, ২০২২,  11:54 PM

news image

নতুন জঙ্গি সংগঠন জামাতুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যেসব তরুণরা তথাকথিত হিজরতের নামে নিরুদ্দেশ হয়েছে। এমন কয়েকজন ও তাদের যারা উদ্বুদ্ধ করেছে, প্রশিক্ষণ দিয়েছে এমন ১২ জনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। তাদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী পার্বত্য অঞ্চলে ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। শিগগিরই বেশ কয়েকজনকে আইনের আওতায় নিয়ে আশা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন। বুধবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

পার্বত্য এলাকায় যৌথ অভিযান চলছে জানিয়ে খন্দকার আল মঈন বলেন, পাহাড়ে যৌথবাহিনীর জোরালো অভিযান চলছে। অপারেশনে বেশ অগ্রগতি হয়েছে। আমরা বেশকিছু দূর পর্যন্ত চলে এসেছি। আশা করছি, সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজনকে আইনের আওতায় আনতে পারবো। যেহেতু জায়গাটা দুর্গম, ঝুঁকিপূর্ণ ও পর্যটকরা ঘোরাফেরা করেন, এজন্য হয়তো স্থানীয় প্রশাসন ওই এলাকায় পর্যটক যেতে নিষিদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন, তথা কথিত হিজরতের নামে যারা বাসা থেকে বের হয়েছে, তাদের হিজরতে বের হতে কারা উদ্বুদ্ধ করেছে, কারা প্রশিক্ষণ দিয়েছে, তাদের মধ্যে আমরা ১২ জনকে আটক করেছি। তাদের তথ্যের ভিত্তিতেই আমরা জানতে পেরেছি, নিরুদ্দেশ জঙ্গিরা পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম পাহাড়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে ও অবস্থান করছে। এরপরই পার্বত্য এলাকায় যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। মূলত তাদের শনাক্ত ও আইনের আওতায় আনার জন্য অভিযান চলছে।

পাহাড়ে জঙ্গিদের অবস্থান সম্পর্কে বেশকিছু তথ্য মিলেছে জানিয়ে কমান্ডার মঈন বলেন, আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। দ্রুতই বিস্তারিত গণমাধ্যমে জানানো হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে যে তথ্য তাতে দুর্গম অঞ্চলে স্থায়ী হতে সাপোর্ট লাগে। যে কেউ গিয়ে সেখানে স্থায়ী হতে পারবে না। এজন্যই বিচ্ছিন্নবাদী কিছু সংগঠন নিরুদ্দেশ ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া, রসদ সাপ্লাই করা হচ্ছে বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। এ তথ্যের ভিত্তিতেই আমরা সেখানে অভিযান চালাচ্ছি।

যেসব ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, এগুলো গুজব মনে হয়েছে। যৌথবাহিনীর অভিযান যথাযথ নিয়ম মেনেই হচ্ছে। ফেসবুক পেজগুলোর ব্যাপারে আমাদের আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে আমাদের অভিযান নিয়ে যেসব তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, এগুলো ভুল তথ্য। বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে পাহাড়ে ট্রেনিং নিচ্ছে এমন ভিডিও প্রসঙ্গে র‌্যাবের মুখপাত্র বলেন, এগুলো আমাদের কাছে গুজব মনে হয়েছে। এ ভিডিও সম্ভবত আমাদের এখানের না। তবে আমাদের যে অভিযান চলছে, তাদের যদি আটক করতে সক্ষম হই, তখন বিস্তারিত বলতে পারবো। 

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দুর্গম এলাকায় কারো সাপোর্ট ছাড়া জঙ্গিদের অবস্থান করা দুরুহ। কারণ চেহারাসহ অনেক ব্যাপার আছে। বিচ্ছিন্নবাদীদের সহযোগিতা ছাড়া তারা সেখানে আছে, এটা ঠিক না। তবে তাদের আটকের পরে আমরা বলতে পারবো। কেএনএফ প্রধান নাথান বোম সম্পর্কে র‌্যাবের কাছে কোনো তথ্য আছে কিনা জানতে চাইলে র‌্যাবের মুখপাত্র বলেন, না, এখন পর্যন্ত নেই। গোয়েন্দারা এ ব্যাপারে কাজ করছে।