শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল নেটওয়ার্ক চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে রিট

#
news image

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সব জায়গায় সব মোবাইল নেটওয়ার্ক সংযোগ পুনঃস্থাপন এবং বিরামহীনভাবে চলমান রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আজ একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। ‘ল এন্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের’ পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব ও মোহাম্মদ ইমরুল কায়েস খান এ রিট দায়ের করেন। এর আগে গতকাল বুধবার সুপ্রিম কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট বার ভবন এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক সেবা চেয়ে বেসরকারি টেলিকম সেবা কোম্পানি গ্রামীণফোনসহ সব অপারেটর কোম্পানিকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।

ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব ও মোহাম্মদ ইমরুল কায়েস খান ই-মেইলে এ নোটিশ পাঠান। নোটিশে দ্রুত এ এলাকায় নেটওয়ার্ক সমস্যার সমাধান করতে পুনঃস্থাপন নেটওয়ার্ক স্থাপন করা এবং বিরামহীনভাবে নেটওয়ার্ক চালু রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসি, গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক বরাবর নোটিশটি পাঠানো হয়। নোটিশ পাওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে পরে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে বলা হয়, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট হলো বিচার প্রার্থীদের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল। এখানে হাজার হাজার আইনজীবী তাদের পেশাগত কাজ করছেন। বিচার প্রার্থীসহ দেশের অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন এই অঙ্গনে আসছেন। এখানে আসা প্রত্যেকেই তাদের প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেন। পেশাগত কাজে অনেকেই তাদের মোবাইলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। সম্প্রতি এই অঙ্গনে সব অপারেটরের নেটওয়ার্ক না থাকায় কাজে বিঘ্ন ঘটছে। একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ এবং ইন্টারনেট সেবা থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। এ অবস্থায় দ্রুত এ সমস্যার সমাধান প্রয়োজন। নোটিশের আলোকে সংশ্লিষ্টরা কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করা হয়।

অনলাইন ডেস্ক

২৭ অক্টোবর, ২০২২,  9:33 PM

news image

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট বার এসোসিয়েশনের সব জায়গায় সব মোবাইল নেটওয়ার্ক সংযোগ পুনঃস্থাপন এবং বিরামহীনভাবে চলমান রাখার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আজ একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছে। ‘ল এন্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের’ পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব ও মোহাম্মদ ইমরুল কায়েস খান এ রিট দায়ের করেন। এর আগে গতকাল বুধবার সুপ্রিম কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট বার ভবন এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন নেটওয়ার্ক সেবা চেয়ে বেসরকারি টেলিকম সেবা কোম্পানি গ্রামীণফোনসহ সব অপারেটর কোম্পানিকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।

ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব ও মোহাম্মদ ইমরুল কায়েস খান ই-মেইলে এ নোটিশ পাঠান। নোটিশে দ্রুত এ এলাকায় নেটওয়ার্ক সমস্যার সমাধান করতে পুনঃস্থাপন নেটওয়ার্ক স্থাপন করা এবং বিরামহীনভাবে নেটওয়ার্ক চালু রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানানো হয়। ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসি, গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটক বরাবর নোটিশটি পাঠানো হয়। নোটিশ পাওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে পরে আইনগত পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

নোটিশে বলা হয়, দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট হলো বিচার প্রার্থীদের সর্বশেষ আশ্রয়স্থল। এখানে হাজার হাজার আইনজীবী তাদের পেশাগত কাজ করছেন। বিচার প্রার্থীসহ দেশের অসংখ্য মানুষ প্রতিদিন এই অঙ্গনে আসছেন। এখানে আসা প্রত্যেকেই তাদের প্রয়োজন অনুসারে বিভিন্ন অপারেটরের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেন। পেশাগত কাজে অনেকেই তাদের মোবাইলের মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। সম্প্রতি এই অঙ্গনে সব অপারেটরের নেটওয়ার্ক না থাকায় কাজে বিঘ্ন ঘটছে। একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ এবং ইন্টারনেট সেবা থেকে আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। এ অবস্থায় দ্রুত এ সমস্যার সমাধান প্রয়োজন। নোটিশের আলোকে সংশ্লিষ্টরা কোন পদক্ষেপ না নেয়ায় হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করা হয়।