শিরোনামঃ
রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত: বিপন্ন মানুষ, বিপন্ন পৃথিবী ইউপি চেয়ারম্যান পদে ন্যূনতম স্নাতক যোগ্যতা চেয়ে রুল জারি বন্যা মোকাবেলায় খাল খনন কর্মসূচি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে শিক্ষার্থীরা রাজপথে, নাকি পেছনে রাজনীতির ছায়া? জল দুর্গ গড়তে ঢাকার মেয়র প্রার্থী হবেন শামীম আহমদ

দেশে দুর্ভিক্ষের শঙ্কা দেখছে না ডব্লিউএফপি: কৃষিমন্ত্রী

#
news image

বাংলাদেশে খাদ্যসংকট বা দুর্ভিক্ষের কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর ডোমেইনিকো স্কালপেলির নেতৃত্বে সংস্থার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী এ কথা জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এখন আমন ধান কাটা চলছে। তিনি (ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর) আমাকে বলেছেন যে তাদের কাছ তথ্য আছে, কোনোভাবেই বাংলাদেশে খাদ্যসংকট বা দুর্ভিক্ষ হওয়ার সামান্যতম শঙ্কা নেই। তবে যেহতু এটি একটি রাজনৈতিক ইস্যু, তাই এটা নিয়ে তিনি সরাসরি কথা বলবেন না। আমি জানতে চেয়েছিলাম, তাকে রেফার করতে পারবো কি না। তিনি তাতে সম্মতি দিয়েছেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন মাল্টিলেটারাল ডোনার আমরা যেটা বলি, তারা অনুমান করছে পৃথিবীতে একটি খাদ্যসংকট হওয়ার শঙ্কা আছে। কাজেই এটাকে বিবেচনায় নিয়েই কাজ করছে সরকার। কৃষি মন্ত্রণালয়ও কাজ করছে। স্বাধীনতার পর থেকেই আমাদের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ডব্লিউএফপি সহযোগিতা করছে। এ মুহূর্তে গত ছয় বছর যাবত রোহিঙ্গাদের জন্য যে খাদ্য প্রয়োজন, সেটিও বিশ্ব খাদ্য সংস্থার মাধ্যমেই দেওয়া হয়।’

‘বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কান্ট্রি রিপ্রেজেনটিটিভ আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। সংকটের কথা অনেকেই বলছেন, এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে তারা কীভাবে দেখছেন এবং কীভাবে ভবিষ্যতে এখানে তারা কাজ করবেন। এমন অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এখনো তারা খুব সামান্য সাহায্য দেয়। এখন আমরা তেমন কোনো খাদ্য সহযোগিতা গত ১৫ বা ১২-১৩ বছর ধরে নেইনি।’

তিনি বলেন, ‘ইউএসএইড বছরে এক লাখ টনের মতো গম আমাদের দিয়ে থাকে। এটা ছাড়া বিদেশ থেকে আমরা কোনো খাদ্য সহযোগিতা গ্রহণ করিনি।’ শঙ্কার মধ্যেও এবার আমনের ভালো ফলন হয়েছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এবার যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল, তার চেয়েও ভালো ধান হয়েছে।’

আগামী মৌসুমের জন্য দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত আছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বলি, গরিব মানুষ আছে, তাদের কষ্টও হচ্ছে। সীমিত বা নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট হচ্ছে। তবে টাকা নিয়ে খাবার কিনতে পারছে না- এমন পরিস্থিতি হয়নি। আগামী আলু ও বোরোর জন্য যে সার দরকার আমাদের তা আছে। সর্বাত্মক প্রস্তুতিও রয়েছে।’

কৃষিপণ্য উৎপাদনে সমস্যা না থাকলেও বণ্টনে সমস্যায় দাম বাড়ছে, এ ক্ষেত্রে সরকার কি ভাবছে- জানতে চাইলে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য খুব বিব্রতকর। উৎপাদন আসলেই খুব ভালো হচ্ছে। এগুলোর সামাজিক-রাজনৈতিক কিছু সমস্যা আছে। আমি এটা অস্বীকার করবো না। ক্যারিং খরচ তারপর নানা ভোগান্তি তো আছেই। আমার মনে হয় আগামী ৬-৭ দিনে সারাদেশ শীতের সবজিতে ভরে যাবে এবং এগুলো কেনার মানুষ পাওয়া যাবে না। তিন চারদিনেই দাম অর্ধেক হয়ে গেছে।’

অনলাইন ডেস্ক

১৭ নভেম্বর, ২০২২,  10:43 PM

news image

বাংলাদেশে খাদ্যসংকট বা দুর্ভিক্ষের কোনো শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি)। বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) সচিবালয়ে ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর ডোমেইনিকো স্কালপেলির নেতৃত্বে সংস্থার প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী এ কথা জানান।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এখন আমন ধান কাটা চলছে। তিনি (ডব্লিউএফপির কান্ট্রি ডিরেক্টর) আমাকে বলেছেন যে তাদের কাছ তথ্য আছে, কোনোভাবেই বাংলাদেশে খাদ্যসংকট বা দুর্ভিক্ষ হওয়ার সামান্যতম শঙ্কা নেই। তবে যেহতু এটি একটি রাজনৈতিক ইস্যু, তাই এটা নিয়ে তিনি সরাসরি কথা বলবেন না। আমি জানতে চেয়েছিলাম, তাকে রেফার করতে পারবো কি না। তিনি তাতে সম্মতি দিয়েছেন।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন মাল্টিলেটারাল ডোনার আমরা যেটা বলি, তারা অনুমান করছে পৃথিবীতে একটি খাদ্যসংকট হওয়ার শঙ্কা আছে। কাজেই এটাকে বিবেচনায় নিয়েই কাজ করছে সরকার। কৃষি মন্ত্রণালয়ও কাজ করছে। স্বাধীনতার পর থেকেই আমাদের খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ডব্লিউএফপি সহযোগিতা করছে। এ মুহূর্তে গত ছয় বছর যাবত রোহিঙ্গাদের জন্য যে খাদ্য প্রয়োজন, সেটিও বিশ্ব খাদ্য সংস্থার মাধ্যমেই দেওয়া হয়।’

‘বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির কান্ট্রি রিপ্রেজেনটিটিভ আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। সংকটের কথা অনেকেই বলছেন, এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশকে তারা কীভাবে দেখছেন এবং কীভাবে ভবিষ্যতে এখানে তারা কাজ করবেন। এমন অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এখনো তারা খুব সামান্য সাহায্য দেয়। এখন আমরা তেমন কোনো খাদ্য সহযোগিতা গত ১৫ বা ১২-১৩ বছর ধরে নেইনি।’

তিনি বলেন, ‘ইউএসএইড বছরে এক লাখ টনের মতো গম আমাদের দিয়ে থাকে। এটা ছাড়া বিদেশ থেকে আমরা কোনো খাদ্য সহযোগিতা গ্রহণ করিনি।’ শঙ্কার মধ্যেও এবার আমনের ভালো ফলন হয়েছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এবার যে লক্ষ্যমাত্রা ছিল, তার চেয়েও ভালো ধান হয়েছে।’

আগামী মৌসুমের জন্য দেশে পর্যাপ্ত সার মজুত আছে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বলি, গরিব মানুষ আছে, তাদের কষ্টও হচ্ছে। সীমিত বা নিম্নআয়ের মানুষের কষ্ট হচ্ছে। তবে টাকা নিয়ে খাবার কিনতে পারছে না- এমন পরিস্থিতি হয়নি। আগামী আলু ও বোরোর জন্য যে সার দরকার আমাদের তা আছে। সর্বাত্মক প্রস্তুতিও রয়েছে।’

কৃষিপণ্য উৎপাদনে সমস্যা না থাকলেও বণ্টনে সমস্যায় দাম বাড়ছে, এ ক্ষেত্রে সরকার কি ভাবছে- জানতে চাইলে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য খুব বিব্রতকর। উৎপাদন আসলেই খুব ভালো হচ্ছে। এগুলোর সামাজিক-রাজনৈতিক কিছু সমস্যা আছে। আমি এটা অস্বীকার করবো না। ক্যারিং খরচ তারপর নানা ভোগান্তি তো আছেই। আমার মনে হয় আগামী ৬-৭ দিনে সারাদেশ শীতের সবজিতে ভরে যাবে এবং এগুলো কেনার মানুষ পাওয়া যাবে না। তিন চারদিনেই দাম অর্ধেক হয়ে গেছে।’