শিরোনামঃ
মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ হালাল খাদ্য: বৈশ্বিক বাস্তবতা, বিজ্ঞান, অর্থনীতি ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা - মোহা. আমিনুল ইসলাম ২২ শ্রাবণ: চিরজাগ্রত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ফ্যাসিবাদের শাসনামলে সাড়ে চার হাজারেরও বেশি মানুষকে বিনা বিচারে ‘ক্রসফায়ারের’ নামে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে ---- আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত: বিপন্ন মানুষ, বিপন্ন পৃথিবী ইউপি চেয়ারম্যান পদে ন্যূনতম স্নাতক যোগ্যতা চেয়ে রুল জারি বন্যা মোকাবেলায় খাল খনন কর্মসূচি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, বাস্তবচিত্র ফুটে উঠেছে

কোবে গরুর মাংসের ক্রোকেট: এখন কিনলে পাবেন ৩০ বছর পর

#
news image

একসময় আসাহিয়ার সামনে কোবে গরুর মাংসের ক্রোকেট কেনার জন্য লম্বা সারি দেখা যেত। পরে এই খাবার অনলাইনেও জনপ্রিয়তা পায়। তবে চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে খাবারটি সরবরাহ করতে পারেনি আসাহিয়া। বাড়তে থাকে গ্রাহকদের অপেক্ষার পালা। এখন প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বিশেষ এই খাবার অর্ডার করার পর গ্রাহকদের তা হাতে পেতে তিন দশক পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। এমনকি দাম বাড়িয়ে বা বিক্রি সাময়িক বন্ধ রেখেও এটির চাহিদা কমানো যায়নি। চলতি বছরের এপ্রিলে এক নারী হিমায়িত কোবে গরুর মাংসের ক্রোকেট হাতে পেয়ে সেই ছবি টুইটারে পোস্ট করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘২০১৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর খাবারটি অর্ডার করেছিলাম। অবশেষে ৯ বছর পর তা হাতে পেলাম।’ তবে এই নারীর মতো সৌভাগ্য সবার হয় না। চাহিদা অনেক বেশি ও উপকরণের জোগান সীমিত থাকায় কেউ কেউ খাবারটি ৩০ বছর পরে হাতে পাবেন বলে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু কেন এত দীর্ঘ অপেক্ষা? এমন প্রশ্নের জবাবে আসাহিয়ার মালিক সিগেরু নিত্তা জানান, হিমায়িত এই খাবার বানাতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিশেষ জাতের আলু ও তিন বছর বয়সী কোবে গরুর টাটকা মাংস প্রয়োজন। সংরক্ষণ না করে প্রতিদিন সংগ্রহ করা উপকরণ দিয়ে এটা বানানো হয়। মাঝে দীর্ঘদিন আলুর ফলন ভালো হয়নি। তাই খাবারটি প্রয়োজন অনুযায়ী বানানো যায়নি। আর এতেই গ্রাহকদের অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়।

অনলাইন ডেস্ক

১৯ নভেম্বর, ২০২২,  11:32 PM

news image

একসময় আসাহিয়ার সামনে কোবে গরুর মাংসের ক্রোকেট কেনার জন্য লম্বা সারি দেখা যেত। পরে এই খাবার অনলাইনেও জনপ্রিয়তা পায়। তবে চাহিদার সঙ্গে তাল মিলিয়ে খাবারটি সরবরাহ করতে পারেনি আসাহিয়া। বাড়তে থাকে গ্রাহকদের অপেক্ষার পালা। এখন প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বিশেষ এই খাবার অর্ডার করার পর গ্রাহকদের তা হাতে পেতে তিন দশক পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। এমনকি দাম বাড়িয়ে বা বিক্রি সাময়িক বন্ধ রেখেও এটির চাহিদা কমানো যায়নি। চলতি বছরের এপ্রিলে এক নারী হিমায়িত কোবে গরুর মাংসের ক্রোকেট হাতে পেয়ে সেই ছবি টুইটারে পোস্ট করেছেন। ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘২০১৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর খাবারটি অর্ডার করেছিলাম। অবশেষে ৯ বছর পর তা হাতে পেলাম।’ তবে এই নারীর মতো সৌভাগ্য সবার হয় না। চাহিদা অনেক বেশি ও উপকরণের জোগান সীমিত থাকায় কেউ কেউ খাবারটি ৩০ বছর পরে হাতে পাবেন বলে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু কেন এত দীর্ঘ অপেক্ষা? এমন প্রশ্নের জবাবে আসাহিয়ার মালিক সিগেরু নিত্তা জানান, হিমায়িত এই খাবার বানাতে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত বিশেষ জাতের আলু ও তিন বছর বয়সী কোবে গরুর টাটকা মাংস প্রয়োজন। সংরক্ষণ না করে প্রতিদিন সংগ্রহ করা উপকরণ দিয়ে এটা বানানো হয়। মাঝে দীর্ঘদিন আলুর ফলন ভালো হয়নি। তাই খাবারটি প্রয়োজন অনুযায়ী বানানো যায়নি। আর এতেই গ্রাহকদের অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়।