শিরোনামঃ
ডিএনএ রিপোর্টে মিল, ধর্ষণ মামলার বিচার ট্রাইব্যুনালে; বিচারাধীন মিজানুর রহমান রিপন, ন্যায়বিচারের আশায় এক নারীর দীর্ঘ প্রতীক্ষা দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা প্রতিমন্ত্রী হতে পারে মাওলানা শামীম সকলের সময়ের নির্বাহী সম্পাদককে হত্যার হুমকি

ইঁদুর খেয়ে ফেলেছে ২০০ কেজি গাঁজা

#
news image

বিভিন্ন সময়ে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মামলার আলামত হিসেবে থানায় জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আদালত আলামত দেখতে চাইলে পুলিশ জানিয়েছে, জব্দকৃত গাঁজার প্রায় অর্ধেক এখন থানায় নেই। কারণ, ইঁদুর সেগুলো খেয়ে ফেলেছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইঁদুর খেয়েছে ১৯৫ কেজি গাঁজা! খবর বিবিসির। প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের মথুরা জেলার একটি থানায়। মথুরায় বেশ কয়েকটি মাদক মামলায় মোট ৩৮৬ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়েছিল। কিন্তু আদালতে পুলিশের দেওয়া প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, থানায় কিছু গাঁজা ইঁদুর খেয়ে ফেলেছে। তবে এর পরিমাণ ১৯৫ কেজি বলে জানা গেছে। 

আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে পুলিশ জানিয়েছে, 'ইঁদুর একটি ছোট্ট প্রাণী, কিন্তু পুলিশকে মোটেও ভয় পায় না। ইঁদুরের কাছ থেকে মাদক (গাঁজা) রক্ষা করা খুবই কঠিন একটি কাজ।' মামলার আলামত আদালতে উপস্থাপনের বিষয়ে বিচারক সঞ্জয় চৌধুরীর আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করেছে। ইঁদুর খেয়ে ফেলা এসব গাঁজা মাদকের তিনটি মামলার আলামত ছিল। এই রিপোর্ট পাওয়ার পর বিচারক সঞ্জয় চৌধুরী পুলিশকে তিরস্কার করেন। তিনি সতর্কতা দিয়ে জানান, আরও ৭০০ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত করেছে মথুরা জেলার পুলিশ স্টেশন। এসব মাদক যেন ইঁদুর না খায় সেদিকে সতর্ক থাকতে বলেন তিনি। জব্দকৃত মাদকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ইঁদুরের মতো ছোট প্রাণীদের মোকাবেলায় পুলিশের অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বিচারক সঞ্জয় চৌধুরী। তিনি জানান, ইঁদুরের মতো বেপরোয়া প্রাণীর কাছ থেকে জব্দ করা পণ্য সুরক্ষার একমাত্র পথ ছিল গবেষণাগার ও ওষুধ কোম্পানিগুলোর জন্য ওই গাঁজা নিলামে তোলা এবং বিক্রি করা অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করা। এদিকে এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মথুরার জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা এমপি সিং জানান, এসব গাঁজার পুরোটাই ইঁদুর নষ্ট করেনি। কিছু অংশ ইঁদুর খেয়ে ফেলেছে। ভারি বৃষ্টির পানিতে সে গাঁজার বাকি অংশ নষ্ট হয়ে গেছে।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

২৬ নভেম্বর, ২০২২,  10:33 PM

news image

বিভিন্ন সময়ে মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মামলার আলামত হিসেবে থানায় জমা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আদালত আলামত দেখতে চাইলে পুলিশ জানিয়েছে, জব্দকৃত গাঁজার প্রায় অর্ধেক এখন থানায় নেই। কারণ, ইঁদুর সেগুলো খেয়ে ফেলেছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইঁদুর খেয়েছে ১৯৫ কেজি গাঁজা! খবর বিবিসির। প্রতিবেদনে বলা হয়, ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের মথুরা জেলার একটি থানায়। মথুরায় বেশ কয়েকটি মাদক মামলায় মোট ৩৮৬ কেজি গাঁজা জব্দ করা হয়েছিল। কিন্তু আদালতে পুলিশের দেওয়া প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, থানায় কিছু গাঁজা ইঁদুর খেয়ে ফেলেছে। তবে এর পরিমাণ ১৯৫ কেজি বলে জানা গেছে। 

আদালতে দেওয়া প্রতিবেদনে পুলিশ জানিয়েছে, 'ইঁদুর একটি ছোট্ট প্রাণী, কিন্তু পুলিশকে মোটেও ভয় পায় না। ইঁদুরের কাছ থেকে মাদক (গাঁজা) রক্ষা করা খুবই কঠিন একটি কাজ।' মামলার আলামত আদালতে উপস্থাপনের বিষয়ে বিচারক সঞ্জয় চৌধুরীর আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিল করেছে। ইঁদুর খেয়ে ফেলা এসব গাঁজা মাদকের তিনটি মামলার আলামত ছিল। এই রিপোর্ট পাওয়ার পর বিচারক সঞ্জয় চৌধুরী পুলিশকে তিরস্কার করেন। তিনি সতর্কতা দিয়ে জানান, আরও ৭০০ কেজি গাঁজা বাজেয়াপ্ত করেছে মথুরা জেলার পুলিশ স্টেশন। এসব মাদক যেন ইঁদুর না খায় সেদিকে সতর্ক থাকতে বলেন তিনি। জব্দকৃত মাদকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ইঁদুরের মতো ছোট প্রাণীদের মোকাবেলায় পুলিশের অভিজ্ঞতার অভাব রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বিচারক সঞ্জয় চৌধুরী। তিনি জানান, ইঁদুরের মতো বেপরোয়া প্রাণীর কাছ থেকে জব্দ করা পণ্য সুরক্ষার একমাত্র পথ ছিল গবেষণাগার ও ওষুধ কোম্পানিগুলোর জন্য ওই গাঁজা নিলামে তোলা এবং বিক্রি করা অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা করা। এদিকে এই ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মথুরার জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা এমপি সিং জানান, এসব গাঁজার পুরোটাই ইঁদুর নষ্ট করেনি। কিছু অংশ ইঁদুর খেয়ে ফেলেছে। ভারি বৃষ্টির পানিতে সে গাঁজার বাকি অংশ নষ্ট হয়ে গেছে।