শিরোনামঃ
দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা প্রতিমন্ত্রী হতে পারে মাওলানা শামীম সকলের সময়ের নির্বাহী সম্পাদককে হত্যার হুমকি রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী

টিআইবি-সিপিডির অনেক বক্তব্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: ড. হাছান মাহমুদ

#
news image

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) অনেক বক্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বুধবার (২২ জুন) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ‘বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পদ্মা সেতুর অবদান’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, তৎকালীন সময়ে টিআইবি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিল, পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়েছে। বিশ্বব্যাংক যেটি বলেছে, সেটি সত্য। কিন্তু কানাডার আদালতে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। অর্থাৎ টিআইবি যে বক্তব্যগুলো দেয়, সেগুলো যে পলিটিক্যালি মোটিভেটেড বা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, সেটিই প্রমাণিত হয়েছে। সিপিডি-ও বিভিন্ন সময় যে বক্তব্যগুলো দেয়, সেগুলোর অনেকগুলোই যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত; টিআইবি-সিপিডির অনেক বক্তব্যই যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, পদ্মা সেতু নিয়ে তাদের বক্তব্য সেটিই প্রমাণ করে দেয়।

হাছান মাহমুদ বলেন, পদ্মা সেতু শেখ হাসিনার সক্ষমতার প্রতীক। কারণ পদ্মা সেতু নিয়ে যে পরিমাণ ষড়যন্ত্র হয়েছে, তারপরও নিজেদের সক্ষমতাকে প্রমাণ করে শেখ হাসিনা এই সেতু নির্মাণ করেছেন। অনেকেই বলেন, এই সেতুতে এত খরচ কীভাবে হয়েছে! কিন্তু সমগ্র পৃথিবীতে ১০০ বছেরর যে হিসাব হয়, স্বর্ণের হিসাবে, পদ্মা সেতুতে তার থেকেও খরচ কম হয়েছে। এছাড়া আনুপাতিক হারে হিসাব করলেও দেখা যায় অতীতের যে কোনো সময়ে যে কোনো নির্মাণের তুলনায় পদ্মা সেতুতে খরচ কম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সেতুতে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করেছেন।

সেমিনারে মুখ্য আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ড. আবুল বারাকাত। তিনি তার আলোচনায় বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার ৩০ বছরের মধ্যেই এর নির্মাণ ব্যয় উঠে আসবে। সেতু চালু হওয়ার ৪০তম বছরে নিট ক্যাশ ফ্লো ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। আর ১০০তম বছরে তা ছাড়িয়ে যাবে ২ লাখ কোটি টাকা। এছাড়া এই সেতুর ফলে শুধু দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল নয়, উন্নত কানেক্টিভিটি সমগ্র অর্থনীতির চেহারা আমূল পাল্টে দেবে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে, অর্থাৎ ২০২৭ সালে আমাদের জিডিপি ৯ দশমিক ৫২ শতাংস বৃদ্ধি পাবে শুধু পদ্মা সেতুর কারণে।

সেমিনারে আলোচনা করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. খান মাহমুদ আমানত এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক পরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপ কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাহাব উদ্দিন চুপ্পু।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ জুন, ২০২২,  9:31 PM

news image

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) অনেক বক্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

বুধবার (২২ জুন) দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ‘বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পদ্মা সেতুর অবদান’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, তৎকালীন সময়ে টিআইবি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিল, পদ্মা সেতুতে দুর্নীতি হয়েছে। বিশ্বব্যাংক যেটি বলেছে, সেটি সত্য। কিন্তু কানাডার আদালতে তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। অর্থাৎ টিআইবি যে বক্তব্যগুলো দেয়, সেগুলো যে পলিটিক্যালি মোটিভেটেড বা রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, সেটিই প্রমাণিত হয়েছে। সিপিডি-ও বিভিন্ন সময় যে বক্তব্যগুলো দেয়, সেগুলোর অনেকগুলোই যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত; টিআইবি-সিপিডির অনেক বক্তব্যই যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, পদ্মা সেতু নিয়ে তাদের বক্তব্য সেটিই প্রমাণ করে দেয়।

হাছান মাহমুদ বলেন, পদ্মা সেতু শেখ হাসিনার সক্ষমতার প্রতীক। কারণ পদ্মা সেতু নিয়ে যে পরিমাণ ষড়যন্ত্র হয়েছে, তারপরও নিজেদের সক্ষমতাকে প্রমাণ করে শেখ হাসিনা এই সেতু নির্মাণ করেছেন। অনেকেই বলেন, এই সেতুতে এত খরচ কীভাবে হয়েছে! কিন্তু সমগ্র পৃথিবীতে ১০০ বছেরর যে হিসাব হয়, স্বর্ণের হিসাবে, পদ্মা সেতুতে তার থেকেও খরচ কম হয়েছে। এছাড়া আনুপাতিক হারে হিসাব করলেও দেখা যায় অতীতের যে কোনো সময়ে যে কোনো নির্মাণের তুলনায় পদ্মা সেতুতে খরচ কম। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সেতুতে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করেছেন।

সেমিনারে মুখ্য আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি ড. আবুল বারাকাত। তিনি তার আলোচনায় বলেন, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার ৩০ বছরের মধ্যেই এর নির্মাণ ব্যয় উঠে আসবে। সেতু চালু হওয়ার ৪০তম বছরে নিট ক্যাশ ফ্লো ১০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। আর ১০০তম বছরে তা ছাড়িয়ে যাবে ২ লাখ কোটি টাকা। এছাড়া এই সেতুর ফলে শুধু দক্ষিণ-দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল নয়, উন্নত কানেক্টিভিটি সমগ্র অর্থনীতির চেহারা আমূল পাল্টে দেবে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে, অর্থাৎ ২০২৭ সালে আমাদের জিডিপি ৯ দশমিক ৫২ শতাংস বৃদ্ধি পাবে শুধু পদ্মা সেতুর কারণে।

সেমিনারে আলোচনা করেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. খান মাহমুদ আমানত এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক পরিচালক জামাল উদ্দিন আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপ কমিটির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সাহাব উদ্দিন চুপ্পু।