শিরোনামঃ
দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা প্রতিমন্ত্রী হতে পারে মাওলানা শামীম সকলের সময়ের নির্বাহী সম্পাদককে হত্যার হুমকি রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী

দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ

#
news image

সম্পদের উৎস নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর চাঁদাবাজি ও মানহানির অভিযোগ; মামলাকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলছেন সাংবাদিকরা

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সম্পদের উৎস, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও কথিত অনিয়ম নিয়ে প্রকাশিত একাধিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জেরে ১০ সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় চাঁদাবাজি ও মানহানির অভিযোগ আনা হলেও অভিযুক্ত সাংবাদিকরা অভিযোগগুলোকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক’ বলে দাবি করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল এলাকার বাসিন্দা জামিরুর রহমান (তুহিন) গোপালগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ক্রাইম নিউজ, নজর পত্রিকা, দৈনিক যুগের কথা, দৈনিক ভোরের বাণী ও দৈনিক দেশ সময় পত্রিকার সম্পাদক, প্রকাশক, বার্তা সম্পাদক, উপদেষ্টা সম্পাদক, প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিসহ মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত মে মাসে কয়েকজন সাংবাদিক বাদীর সম্পদের উৎস, ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও আর্থিক বিষয়াদি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বাদীর দাবি, প্রকাশিত সংবাদগুলো মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এসব প্রতিবেদনের কারণে তিনি সামাজিক ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। দাবিকৃত অর্থ প্রদান না করলে আরও নেতিবাচক ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

একপর্যায়ে পরিবারের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা প্রদান করা হলেও অবশিষ্ট অর্থের জন্য চাপ অব্যাহত রাখা হয় বলে বাদী দাবি করেছেন। এতে তিনি প্রায় এক কোটি টাকার মানহানির শিকার হয়েছেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত সাংবাদিকদের দাবি, তারা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। তাদের ভাষ্য, প্রকাশিত সংবাদগুলো তথ্য-উপাত্ত, স্থানীয় অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। এর সঙ্গে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা অর্থ দাবির ঘটনা জড়িত নয়। বরং দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য প্রকাশের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক উদ্দেশ্যে মামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত সাংবাদিকদের দাবি, তারা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। তাদের ভাষ্য, প্রকাশিত সংবাদগুলো তথ্য-উপাত্ত, স্থানীয় অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। এর সঙ্গে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা অর্থ দাবির ঘটনা জড়িত নয়। বরং দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য প্রকাশের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক উদ্দেশ্যে মামলা করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের মতে, মামলাটি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে নিরুৎসাহিত করা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের একটি অপচেষ্টা। তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।

ডেস্ক নিউজ

০৪ জুন, ২০২৬,  11:56 AM

news image

সম্পদের উৎস নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর চাঁদাবাজি ও মানহানির অভিযোগ; মামলাকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলছেন সাংবাদিকরা

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সম্পদের উৎস, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও কথিত অনিয়ম নিয়ে প্রকাশিত একাধিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের জেরে ১০ সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় চাঁদাবাজি ও মানহানির অভিযোগ আনা হলেও অভিযুক্ত সাংবাদিকরা অভিযোগগুলোকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও হয়রানিমূলক’ বলে দাবি করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, কাশিয়ানী উপজেলার রাতইল এলাকার বাসিন্দা জামিরুর রহমান (তুহিন) গোপালগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ক্রাইম নিউজ, নজর পত্রিকা, দৈনিক যুগের কথা, দৈনিক ভোরের বাণী ও দৈনিক দেশ সময় পত্রিকার সম্পাদক, প্রকাশক, বার্তা সম্পাদক, উপদেষ্টা সম্পাদক, প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিসহ মোট ১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, গত মে মাসে কয়েকজন সাংবাদিক বাদীর সম্পদের উৎস, ব্যবসায়িক কার্যক্রম ও আর্থিক বিষয়াদি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন গণমাধ্যমে তাকে নিয়ে একাধিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। বাদীর দাবি, প্রকাশিত সংবাদগুলো মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এসব প্রতিবেদনের কারণে তিনি সামাজিক ও ব্যবসায়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, সংবাদ প্রকাশকে কেন্দ্র করে তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। দাবিকৃত অর্থ প্রদান না করলে আরও নেতিবাচক ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

একপর্যায়ে পরিবারের পক্ষ থেকে এক লাখ টাকা প্রদান করা হলেও অবশিষ্ট অর্থের জন্য চাপ অব্যাহত রাখা হয় বলে বাদী দাবি করেছেন। এতে তিনি প্রায় এক কোটি টাকার মানহানির শিকার হয়েছেন বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে অভিযুক্ত সাংবাদিকদের দাবি, তারা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। তাদের ভাষ্য, প্রকাশিত সংবাদগুলো তথ্য-উপাত্ত, স্থানীয় অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। এর সঙ্গে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা অর্থ দাবির ঘটনা জড়িত নয়। বরং দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য প্রকাশের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক উদ্দেশ্যে মামলা করা হয়েছে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত সাংবাদিকদের দাবি, তারা জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। তাদের ভাষ্য, প্রকাশিত সংবাদগুলো তথ্য-উপাত্ত, স্থানীয় অনুসন্ধান এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। এর সঙ্গে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা অর্থ দাবির ঘটনা জড়িত নয়। বরং দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য প্রকাশের কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসামূলক উদ্দেশ্যে মামলা করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের মতে, মামলাটি অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাকে নিরুৎসাহিত করা এবং গণমাধ্যমকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের একটি অপচেষ্টা। তারা অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন।