শিরোনামঃ
বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন বিএবি মহাপরিচালক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় ছাত্রদল নেতা সোহাগ ভূঁইয়া ডিএনএ রিপোর্টে মিল, ধর্ষণ মামলার বিচার ট্রাইব্যুনালে; বিচারাধীন মিজানুর রহমান রিপন, ন্যায়বিচারের আশায় এক নারীর দীর্ঘ প্রতীক্ষা দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা

বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানালেন বিএবি মহাপরিচালক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম

#
news image

আগামী ৯ জুন ২০২৬ বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে দেশের মান অবকাঠামো উন্নয়ন, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজন, পেশাজীবী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি)-এর মহাপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য Innovation, Trust and Sustainability: The Power of Accreditation বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রযুক্তিনির্ভর চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখে পণ্য ও সেবার গুণগত মানের প্রতি আস্থা নিশ্চিত করা অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি। এ ক্ষেত্রে অ্যাক্রেডিটেশন উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে, ভোক্তা ও ব্যবসায়িক আস্থা বৃদ্ধি করে এবং টেকসই উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন আইন, ২০০৬-এর আওতায় প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড দেশের জাতীয় মান অবকাঠামোকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী অ্যাক্রেডিটেশন সেবা প্রদানের ফলে দেশীয় পণ্য ও সেবার গুণগত মান নিশ্চিত হচ্ছে এবং বিশ্ববাজারে Made in Bangladesh ব্র্যান্ডের গ্রহণযোগ্যতা ও রপ্তানি সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি জানান, বিএবি বর্তমানে এশিয়া প্যাসিফিক অ্যাক্রেডিটেশন কোঅপারেশন APAC এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কোঅপারেশন ILACএর পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তি MRAএর পূর্ণ সদস্য হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর ফলে বিএবি কর্তৃক অ্যাক্রেডিটেড ল্যাবরেটরি ও সার্টিফিকেশন বডিগুলোর সনদ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাচ্ছে, যা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম IAF এর পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইএসও সনদ প্রদানের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং খাদ্য, পরিবেশ, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন রপ্তানিমুখী শিল্পখাত সরাসরি উপকৃত হবে। মহাপরিচালক জানান, দেশে হালাল কনফরমিটি অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রমের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের লক্ষ্যে ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর ইসলামিক ফোরাম ফর হালাল অ্যাক্রেডিটেশন বডিজ IFHABএর সদস্যপদ গ্রহণ করেছে বিএবি। এর ফলে বাংলাদেশে প্রদত্ত হালাল সনদের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে এবং হালাল পণ্য ও সেবার প্রতি বৈশ্বিক আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। তিনি বলেন, ২০২৬ সালে গ্লোবাল অ্যাক্রেডিটেশন কোঅপারেশন ইনকরপোরেটেড GLOBACএর যাত্রা শুরু আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থার জন্য একটি নতুন মাইলফলক। বিএবি এই বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মের সদস্যপদ অর্জনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

শুভেচ্ছা বার্তায় মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, শিল্প ও সেবার গুণগত মান উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, কৃষি ও মৎস্য খাতের বিকাশ, তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা জোরদার, ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা এবং টেকসই শিল্পায়ন বাস্তবায়নে অ্যাক্রেডিটেশন আজ একটি অপরিহার্য জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে তিনি দেশের অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও সর্বজনীন করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই এবং বৈশ্বিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরিশেষে তিনি বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের উত্তরোত্তর অগ্রগতি এবং বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

 

মো : গোলাম মোস্তফা

০৮ জুন, ২০২৬,  1:29 AM

news image
মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম

আগামী ৯ জুন ২০২৬ বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস উপলক্ষে দেশের মান অবকাঠামো উন্নয়ন, গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বাস্তবায়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজন, পেশাজীবী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি)-এর মহাপরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, এ বছরের প্রতিপাদ্য Innovation, Trust and Sustainability: The Power of Accreditation বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রযুক্তিনির্ভর চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের মুখে পণ্য ও সেবার গুণগত মানের প্রতি আস্থা নিশ্চিত করা অর্থনৈতিক অগ্রগতির অন্যতম ভিত্তি। এ ক্ষেত্রে অ্যাক্রেডিটেশন উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে, ভোক্তা ও ব্যবসায়িক আস্থা বৃদ্ধি করে এবং টেকসই উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন আইন, ২০০৬-এর আওতায় প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড দেশের জাতীয় মান অবকাঠামোকে শক্তিশালী করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী অ্যাক্রেডিটেশন সেবা প্রদানের ফলে দেশীয় পণ্য ও সেবার গুণগত মান নিশ্চিত হচ্ছে এবং বিশ্ববাজারে Made in Bangladesh ব্র্যান্ডের গ্রহণযোগ্যতা ও রপ্তানি সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তিনি জানান, বিএবি বর্তমানে এশিয়া প্যাসিফিক অ্যাক্রেডিটেশন কোঅপারেশন APAC এবং ইন্টারন্যাশনাল ল্যাবরেটরি অ্যাক্রেডিটেশন কোঅপারেশন ILACএর পারস্পরিক স্বীকৃতি চুক্তি MRAএর পূর্ণ সদস্য হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর ফলে বিএবি কর্তৃক অ্যাক্রেডিটেড ল্যাবরেটরি ও সার্টিফিকেশন বডিগুলোর সনদ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পাচ্ছে, যা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

তিনি আরও বলেন, ২০২৫ সালের ৯ অক্টোবর ইন্টারন্যাশনাল অ্যাক্রেডিটেশন ফোরাম IAF এর পূর্ণ সদস্যপদ অর্জনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আইএসও সনদ প্রদানের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং খাদ্য, পরিবেশ, জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, টেক্সটাইলসহ বিভিন্ন রপ্তানিমুখী শিল্পখাত সরাসরি উপকৃত হবে। মহাপরিচালক জানান, দেশে হালাল কনফরমিটি অ্যাসেসমেন্ট কার্যক্রমের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনের লক্ষ্যে ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর ইসলামিক ফোরাম ফর হালাল অ্যাক্রেডিটেশন বডিজ IFHABএর সদস্যপদ গ্রহণ করেছে বিএবি। এর ফলে বাংলাদেশে প্রদত্ত হালাল সনদের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে এবং হালাল পণ্য ও সেবার প্রতি বৈশ্বিক আস্থা আরও সুদৃঢ় হবে। তিনি বলেন, ২০২৬ সালে গ্লোবাল অ্যাক্রেডিটেশন কোঅপারেশন ইনকরপোরেটেড GLOBACএর যাত্রা শুরু আন্তর্জাতিক অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থার জন্য একটি নতুন মাইলফলক। বিএবি এই বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মের সদস্যপদ অর্জনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধির নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

শুভেচ্ছা বার্তায় মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, শিল্প ও সেবার গুণগত মান উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, কৃষি ও মৎস্য খাতের বিকাশ, তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তা জোরদার, ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা এবং টেকসই শিল্পায়ন বাস্তবায়নে অ্যাক্রেডিটেশন আজ একটি অপরিহার্য জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে তিনি দেশের অ্যাক্রেডিটেশন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, কার্যকর ও সর্বজনীন করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে একটি নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই এবং বৈশ্বিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পরিশেষে তিনি বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের উত্তরোত্তর অগ্রগতি এবং বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।