শিরোনামঃ
এসআই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও বিচারিক কাজে বাধার অভিযোগে রুমিন ফারহানার বিষয়ে ব্যবস্থা চেয়ে চিঠি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচার জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পন করল সকালের সময় শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রভাবশালী দুই ভাইয়ের ছায়ায় জুড়ীতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ জুড়ীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল: নেতৃত্বে জাকিরের পিএস নোমান কে এই প্রতারক নাহিদ,পরিচয় ও তার পেশা কি জুড়ীতে দলীয় বিভাজন সৃষ্টি‌ করছেন‌ যুবদল নেতা নিপার রেজা 

চীনের কয়েকটি প্রদেশে ভয়াবহ বন্যা

#
news image

অবিরাম বর্ষণের কারণে চীনের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি প্রদেশে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। এই অঞ্চলগুলো তেকে কয়েক লাখ লোককে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বুধবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।
মঙ্গলবার দুটি প্রদেশে বন্যা সতর্কতা বাড়িয়েছে। কারণ নদীর পানি দু’কূল প্লাবিত করছে এবং পানির স্তর গত ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গেছে।
সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, রাস্তায় গাড়ি ভেসে যাচ্ছে এবং নদীতে দড়ি ফেলে মানুষদের উদ্ধার করা হচ্ছে।
চীনা আবহাওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৯৬১ সালের পর এই অঞ্চলে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হচ্ছে। নদীর তীরে এবং নিচু এলাকায় বসবাসকারীদের উচ্চ ভূমিতে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গুয়াংডং প্রদেশের শাওগুয়ান শহরটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। কর্মকর্তারা এখানে বন্যা সতর্কতা সর্বোচ্চ মাত্রায় ঘোষণা করেছেন। গত মে মাসের শেষের দিক থেকে শহরটি  রেকর্ড বৃষ্টিপাত হয়েছে। গুয়াংডংয়ের কিংইয়ুয়ান শহরেও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।
গুয়াংডং এবং গুয়াংসিকে ঘিরে থাকা নিচু পার্ল নদীর অববাহিকায় বৃষ্টির কারণে পণ্য সরবরাহ, উৎপাদন ও জাহাজীকরণ ব্যাহত হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব চীনের জিয়াংসি প্রদেশের ৯টি জেলার ৪ লাখ ৮৫ হাজার মানুষ বন্যা কবলিত হয়েছে। বন্যার কারণে এই এলাকার ৪৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে এবং সাত কোটি ২০ লাখ ডলারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

২৩ জুন, ২০২২,  12:42 AM

news image

অবিরাম বর্ষণের কারণে চীনের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলীয় কয়েকটি প্রদেশে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে। এই অঞ্চলগুলো তেকে কয়েক লাখ লোককে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বুধবার বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।
মঙ্গলবার দুটি প্রদেশে বন্যা সতর্কতা বাড়িয়েছে। কারণ নদীর পানি দু’কূল প্লাবিত করছে এবং পানির স্তর গত ৫০ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গেছে।
সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা গেছে, রাস্তায় গাড়ি ভেসে যাচ্ছে এবং নদীতে দড়ি ফেলে মানুষদের উদ্ধার করা হচ্ছে।
চীনা আবহাওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১৯৬১ সালের পর এই অঞ্চলে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হচ্ছে। নদীর তীরে এবং নিচু এলাকায় বসবাসকারীদের উচ্চ ভূমিতে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
গুয়াংডং প্রদেশের শাওগুয়ান শহরটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। কর্মকর্তারা এখানে বন্যা সতর্কতা সর্বোচ্চ মাত্রায় ঘোষণা করেছেন। গত মে মাসের শেষের দিক থেকে শহরটি  রেকর্ড বৃষ্টিপাত হয়েছে। গুয়াংডংয়ের কিংইয়ুয়ান শহরেও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল।
গুয়াংডং এবং গুয়াংসিকে ঘিরে থাকা নিচু পার্ল নদীর অববাহিকায় বৃষ্টির কারণে পণ্য সরবরাহ, উৎপাদন ও জাহাজীকরণ ব্যাহত হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব চীনের জিয়াংসি প্রদেশের ৯টি জেলার ৪ লাখ ৮৫ হাজার মানুষ বন্যা কবলিত হয়েছে। বন্যার কারণে এই এলাকার ৪৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে এবং সাত কোটি ২০ লাখ ডলারের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।