শিরোনামঃ
জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি: নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদিত চার লাইনের ব্যালটে লুকানো ৮৪ সিদ্ধান্ত: ভোটাররা কি জানেন ‘হ্যাঁ’ মানে কী? কারাফটকে থেমে গেল শেষ বিদায়: স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুতে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম কেন প্যারোলে মুক্তি পেলেন না কারাগারের ফটকে থামানো শেষ বিদায়: বন্দি অবস্থায় স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম তরুণদের সঙ্গে তারেক রহমান: দক্ষ জনশক্তি গঠন ও নারীর ক্ষমতায়নে অঙ্গীকার সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা পড়ল কমিশনের সুপারিশ এসআই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও বিচারিক কাজে বাধার অভিযোগে রুমিন ফারহানার বিষয়ে ব্যবস্থা চেয়ে চিঠি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচার জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পন করল সকালের সময়

জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি: নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদিত

#
news image

উপদেষ্টা পরিষদ জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন সময়ে রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ফৌজদারি দায়মুক্তি দিতে একটি অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে। এই অধ্যাদেশ আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়ে আইনে পরিণত হবে।

বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটি অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানান, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ সরকারের একটি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন।

আইন উপদেষ্টা বলেন, অধ্যাদেশ অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যাবে না এবং ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে ইতিমধ্যেই দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড বা সহিংসতার জন্য দায়মুক্তি প্রযোজ্য হবে না।

তিনি আরও জানান, কোন ঘটনায় রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে দায়মুক্তি প্রযোজ্য হবে এবং কোনটি ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে সংঘটিত হয়েছে—তা নির্ধারণের দায়িত্ব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার চাইলে কমিশনে আবেদন করতে পারবেন। কমিশন তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেবে, যা আদালতে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের মতোই গণ্য হবে।

মানবাধিকার কমিশন যদি কোনো হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ হলেও ভুক্তভোগীর পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার যোগ্য মনে করে, তাহলে সরকারকে সে বিষয়ে সুপারিশ করার সুযোগ রাখা হয়েছে। আসিফ নজরুল জানান, আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নতুন কমিশন গঠিত হবে, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকরী মানবাধিকার কমিশন হিসেবে কাজ করবে।

ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা জানান, গত ১৫ বছরে রাজনৈতিক হয়রানিমূলকভাবে দায়ের করা প্রায় ২০ হাজার মামলা ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি আলাদা সেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আইন উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গণঅভ্যুত্থান বা বিপ্লব পরবর্তী সময়ে এ ধরনের দায়মুক্তি বিধান দেখা গেছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এ ধরনের আইন প্রণয়নের সুযোগ রয়েছে। পুলিশ হত্যাসহ কোনো সহিংস ঘটনার ক্ষেত্রেও একই নীতি প্রযোজ্য হবে। রাজনৈতিক প্রতিরোধের সঙ্গে সম্পর্কহীন কোনো হত্যাকাণ্ড দায়মুক্তির আওতায় পড়বে না।

ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

 

মো: গোলাম মোস্তফা

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬,  2:10 AM

news image
সংগৃহীত ছবি

উপদেষ্টা পরিষদ জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালীন সময়ে রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের ফৌজদারি দায়মুক্তি দিতে একটি অধ্যাদেশ অনুমোদন করেছে। এই অধ্যাদেশ আগামী পাঁচ থেকে সাত দিনের মধ্যে গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়ে আইনে পরিণত হবে।

বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অধ্যাদেশটি অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল জানান, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ অধ্যাদেশ’ সরকারের একটি প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন।

আইন উপদেষ্টা বলেন, অধ্যাদেশ অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করা যাবে না এবং ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে ইতিমধ্যেই দায়ের করা মামলাগুলো প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হবে। তবে ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড বা সহিংসতার জন্য দায়মুক্তি প্রযোজ্য হবে না।

তিনি আরও জানান, কোন ঘটনায় রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে দায়মুক্তি প্রযোজ্য হবে এবং কোনটি ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে সংঘটিত হয়েছে—তা নির্ধারণের দায়িত্ব জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার চাইলে কমিশনে আবেদন করতে পারবেন। কমিশন তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দেবে, যা আদালতে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের মতোই গণ্য হবে।

মানবাধিকার কমিশন যদি কোনো হত্যাকাণ্ড রাজনৈতিক প্রতিরোধের অংশ হলেও ভুক্তভোগীর পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার যোগ্য মনে করে, তাহলে সরকারকে সে বিষয়ে সুপারিশ করার সুযোগ রাখা হয়েছে। আসিফ নজরুল জানান, আগামী ৩১ জানুয়ারির মধ্যে নতুন কমিশন গঠিত হবে, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকরী মানবাধিকার কমিশন হিসেবে কাজ করবে।

ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা জানান, গত ১৫ বছরে রাজনৈতিক হয়রানিমূলকভাবে দায়ের করা প্রায় ২০ হাজার মামলা ইতিমধ্যে প্রত্যাহার করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে অংশগ্রহণকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি আলাদা সেল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আইন উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গণঅভ্যুত্থান বা বিপ্লব পরবর্তী সময়ে এ ধরনের দায়মুক্তি বিধান দেখা গেছে। বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এ ধরনের আইন প্রণয়নের সুযোগ রয়েছে। পুলিশ হত্যাসহ কোনো সহিংস ঘটনার ক্ষেত্রেও একই নীতি প্রযোজ্য হবে। রাজনৈতিক প্রতিরোধের সঙ্গে সম্পর্কহীন কোনো হত্যাকাণ্ড দায়মুক্তির আওতায় পড়বে না।

ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।