শিরোনামঃ
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি: নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদিত চার লাইনের ব্যালটে লুকানো ৮৪ সিদ্ধান্ত: ভোটাররা কি জানেন ‘হ্যাঁ’ মানে কী? কারাফটকে থেমে গেল শেষ বিদায়: স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুতে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম কেন প্যারোলে মুক্তি পেলেন না কারাগারের ফটকে থামানো শেষ বিদায়: বন্দি অবস্থায় স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম তরুণদের সঙ্গে তারেক রহমান: দক্ষ জনশক্তি গঠন ও নারীর ক্ষমতায়নে অঙ্গীকার সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ছে, প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা পড়ল কমিশনের সুপারিশ এসআই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও বিচারিক কাজে বাধার অভিযোগে রুমিন ফারহানার বিষয়ে ব্যবস্থা চেয়ে চিঠি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস

#
news image

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চাঁদপুর জেলায় রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে চারটিতে বিএনপির প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে ফরিদগঞ্জ নিয়ে গঠিত একটি আসনে দলের অভ্যন্তরীণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি আসনে ১১ দলীয় জোট নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে চাঁদপুর জেলা জাতীয়তাবাদী রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ১৯৯১ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার সবকটি আসনে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী হয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতার প্রভাব এখনো এলাকায় বিদ্যমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির নেতা-কর্মীরা জেলায় সংগঠিতভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে বিএনপির অবস্থান তুলনামূলকভাবে শক্ত বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। তবে ফরিদগঞ্জ নিয়ে গঠিত একটি আসনে দলীয় কোন্দলের কারণে পরিস্থিতি ভিন্ন রূপ নিতে পারে বলে আলোচনা চলছে।

এদিকে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট চাঁদপুরে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করেছে। জোটটি জেলার অন্তত একটি আসনে জয় অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে মাঠপর্যায়ে প্রচার চালাচ্ছে।

চাঁদপুর-১ (কচুয়া)

কচুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত চাঁদপুর-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৪ হাজার ৮০২ জন, নারী ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৮০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন।এই আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আবু নছর মো. মকবুল আহমেদসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। ড. এহসানুল হক মিলন অতীতে দুইবার এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিভিন্ন সময় মামলার মুখোমুখি হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। কচুয়া এলাকায় তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিনের।

অন্যদিকে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবু নছর মো. মকবুল আহমেদ ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে নিয়মিত গণসংযোগ চালাচ্ছেন।

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর দক্ষিণ)

মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১ হাজার ৬১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫০০ জন, নারী ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৫৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন।

এখানে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে ড. মো. জালাল উদ্দিন। তিনি অতীতেও বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। দলটির সাবেক নেতা মরহুম নুরুল হুদার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় এ আসনে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে ওঠে।১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে এলডিপি প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজী নির্বাচন এলাকায় প্রচার চালাচ্ছেন।

চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর হাইমচর)

চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৪ জন। পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৮২ হাজার ৭০৪ জন, নারী ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬২৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন।

এই আসনে সাতজন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তিনি এর আগেও দলের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। নির্বাচনী সময়ে তিনি নিয়মিত প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

১১ দলীয় জোটের পক্ষে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তিনি এর আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রতিনিধি ছিলেন।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ)

ফরিদগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৮ হাজার ৬০৩ জন, নারী ১ লাখ ৯২ হাজার ২৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ জন।

এই আসনে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী লায়ন মো. হারুনুর রশীদ, যিনি এর আগে এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির দায়িত্বেও রয়েছেন। উপজেলা বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত সভাপতি এম এ হান্নান স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, এখানে মূল প্রতিযোগিতা হবে বিএনপির প্রার্থী ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে।

১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির মাওলানা বিল্লাল হোসেন মিয়াজীও নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি)

হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ২৬ হাজার ৬৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৬৯ হাজার ২৪৩ জন, নারী ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৩৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন। এখানে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক। তিনি আগেও এই আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। অতীতে এই এলাকায় বিএনপির একাধিক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এলডিপির ড. নিয়ামুল বশির নির্বাচনী মাঠে নতুন মুখ হিসেবে প্রচার চালাচ্ছেন।

 

মো: গোলাম মোস্তফা

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬,  9:21 PM

news image
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীরা।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চাঁদপুর জেলায় রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে চারটিতে বিএনপির প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে ফরিদগঞ্জ নিয়ে গঠিত একটি আসনে দলের অভ্যন্তরীণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে কয়েকটি আসনে ১১ দলীয় জোট নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে চাঁদপুর জেলা জাতীয়তাবাদী রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ১৯৯১ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার সবকটি আসনে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী হয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতার প্রভাব এখনো এলাকায় বিদ্যমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির নেতা-কর্মীরা জেলায় সংগঠিতভাবে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

জেলার পাঁচটি আসনের মধ্যে চারটিতে বিএনপির অবস্থান তুলনামূলকভাবে শক্ত বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা। তবে ফরিদগঞ্জ নিয়ে গঠিত একটি আসনে দলীয় কোন্দলের কারণে পরিস্থিতি ভিন্ন রূপ নিতে পারে বলে আলোচনা চলছে।

এদিকে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার প্রেক্ষাপটে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট চাঁদপুরে সাংগঠনিক তৎপরতা জোরদার করেছে। জোটটি জেলার অন্তত একটি আসনে জয় অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে মাঠপর্যায়ে প্রচার চালাচ্ছে।

চাঁদপুর-১ (কচুয়া)

কচুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত চাঁদপুর-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৪ হাজার ৮০২ জন, নারী ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৮০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন।এই আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আবু নছর মো. মকবুল আহমেদসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। ড. এহসানুল হক মিলন অতীতে দুইবার এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিভিন্ন সময় মামলার মুখোমুখি হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। কচুয়া এলাকায় তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিনের।

অন্যদিকে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবু নছর মো. মকবুল আহমেদ ভোটারদের কাছে পৌঁছাতে নিয়মিত গণসংযোগ চালাচ্ছেন।

চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর দক্ষিণ)

মতলব উত্তর ও দক্ষিণ উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১ হাজার ৬১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৫৬ হাজার ৫০০ জন, নারী ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৫৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন।

এখানে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে ড. মো. জালাল উদ্দিন। তিনি অতীতেও বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। দলটির সাবেক নেতা মরহুম নুরুল হুদার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় এ আসনে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে ওঠে।১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে এলডিপি প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজী নির্বাচন এলাকায় প্রচার চালাচ্ছেন।

চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর হাইমচর)

চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৪৬ হাজার ৩৩৪ জন। পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৮২ হাজার ৭০৪ জন, নারী ২ লাখ ৬৩ হাজার ৬২৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ২ জন।

এই আসনে সাতজন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক। তিনি এর আগেও দলের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। নির্বাচনী সময়ে তিনি নিয়মিত প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

১১ দলীয় জোটের পক্ষে জামায়াতের প্রার্থী অ্যাডভোকেট শাহজাহান মিয়া ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। তিনি এর আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রতিনিধি ছিলেন।

চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ)

ফরিদগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৮ হাজার ৬০৩ জন, নারী ১ লাখ ৯২ হাজার ২৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ জন।

এই আসনে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী লায়ন মো. হারুনুর রশীদ, যিনি এর আগে এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির দায়িত্বেও রয়েছেন। উপজেলা বিএনপির সদ্য বহিষ্কৃত সভাপতি এম এ হান্নান স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় ভোটারদের একটি অংশ মনে করছেন, এখানে মূল প্রতিযোগিতা হবে বিএনপির প্রার্থী ও বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে।

১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর জেলা আমির মাওলানা বিল্লাল হোসেন মিয়াজীও নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছেন।

চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি)

হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ২৬ হাজার ৬৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৬৯ হাজার ২৪৩ জন, নারী ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৩৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন। এখানে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক। তিনি আগেও এই আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। অতীতে এই এলাকায় বিএনপির একাধিক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে এলডিপির ড. নিয়ামুল বশির নির্বাচনী মাঠে নতুন মুখ হিসেবে প্রচার চালাচ্ছেন।