ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস
মো: গোলাম মোস্তফা
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 9:21 PM
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস
কচুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত চাঁদপুর-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৪ হাজার ৮০২ জন, নারী ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৮০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন।এই আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আবু নছর মো. মকবুল আহমেদসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। ড. এহসানুল হক মিলন অতীতে দুইবার এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিভিন্ন সময় মামলার মুখোমুখি হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। কচুয়া এলাকায় তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিনের।
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ)
এখানে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে ড. মো. জালাল উদ্দিন। তিনি অতীতেও বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। দলটির সাবেক নেতা মরহুম নুরুল হুদার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় এ আসনে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে ওঠে।১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে এলডিপি প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজী নির্বাচন এলাকায় প্রচার চালাচ্ছেন।
চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর)
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি)
হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ২৬ হাজার ৬৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৬৯ হাজার ২৪৩ জন, নারী ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৩৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন। এখানে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক। তিনি আগেও এই আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। অতীতে এই এলাকায় বিএনপির একাধিক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।
মো: গোলাম মোস্তফা
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, 9:21 PM
কচুয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত চাঁদপুর-১ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৪৮৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৪ হাজার ৮০২ জন, নারী ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৮০ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন।এই আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে আবু নছর মো. মকবুল আহমেদসহ অন্যান্য দলের প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। ড. এহসানুল হক মিলন অতীতে দুইবার এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বিভিন্ন সময় মামলার মুখোমুখি হয়ে কারাবন্দী ছিলেন। কচুয়া এলাকায় তার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড দীর্ঘদিনের।
চাঁদপুর-২ (মতলব উত্তর ও দক্ষিণ)
এখানে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে ড. মো. জালাল উদ্দিন। তিনি অতীতেও বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছিলেন। দলটির সাবেক নেতা মরহুম নুরুল হুদার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় এ আসনে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে ওঠে।১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে এলডিপি প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজী নির্বাচন এলাকায় প্রচার চালাচ্ছেন।
চাঁদপুর-৩ (চাঁদপুর সদর ও হাইমচর)
চাঁদপুর-৫ (হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি)
হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসনে ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ২৬ হাজার ৬৭৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৬৯ হাজার ২৪৩ জন, নারী ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৩৩ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৩ জন। এখানে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক। তিনি আগেও এই আসনে দলের মনোনয়ন পেয়েছিলেন। অতীতে এই এলাকায় বিএনপির একাধিক সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।