শিরোনামঃ
মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে রোগীদের খাবার না পাওয়ার অভিযোগ 

#
news image

ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে খাওয়া-দাওয়া সবই ফ্রি পাওয়া যায়। কিন্তু পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থেকেও এক বেলা খাবার পাননি মালেকা বেগম। একই অভিযোগ করেন, মেডিসিন ও শিশু ওয়ার্ডের প্রায় দেড় শতাধিক রোগী ও তার স্বজনরা। অভিযোগ রয়েছে চিকিৎসা সেবার মান নিয়েও।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মেডিসিন, সার্জারি, কার্ডিওলজি, গাইনি, শিশুসহ করোনা ইউনিটে প্রতিদিন গড়ে ৩৫০-৩৮০ জন পর্যন্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। কিন্তু সরকারিভাবে খাবার বরাদ্দ রয়েছে ২৫০ জনের। একজন রোগীর জন্য প্রতিদিনের ৩ বেলা খাবার বরাদ্দ ভ্যাটসহ ১২৫ টাকা। সাড়ে ১২% ভ্যাট বাদ দিলে জনপ্রতি বরাদ্দ দাড়ায় ১১৫ টাকা এবং করোনা (কোভিড-১৯) রোগীর জন্য ৩০০ টাকা। মেডিসিন ওয়ার্ডে হরিপুর থেকে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন মাইনুল হক বলেন, চারদিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি। একদিনও হাসপাতাল থেকে খাবার পাইনি। ওষুধপত্রসহ সব কিছুই বাইরে থেকে কিনতে হয়। তাহলে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে লাভ কী? আমরা গরিব মানুষ সরকারি হাসপাতালে সব কিছু ফ্রি পাব। কিন্তু ফ্রি তো দূরের কথা সবকিছুই কিনতে হচ্ছে। একই অভিযোগ করেন বালিয়াডাঙ্গী থেকে চিকিৎসা নিতে আসা হিরা আক্তার ও শরিফুল ইসলামসহ অনেকে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা নিপুন চন্দ্র বলেন, আমাদের করার কিছুই নেই। যা বরাদ্দ সে অনুযায়ী সাপ্লাই দিয়ে থাকি। স্ব-স্ব ওয়ার্ডে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা আমাদের কাছ থেকে বুঝে নেন।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল বলেন, প্রতিদিন গড়ে ৪-৫শ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। পূর্বের লোকবল দিয়ে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ছোট-খাটো কিছু ত্রুটি থাকতেই পারে। সেগুলো শোনার সঙ্গে সঙ্গে ওভারকাম করছি। ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের লোকবল পেলে সমস্যাগুলো কেটে ওঠা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

প্রখ/ সাদ্দাম

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

০৯ এপ্রিল, ২০২২,  6:10 AM

news image

ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে খাওয়া-দাওয়া সবই ফ্রি পাওয়া যায়। কিন্তু পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থেকেও এক বেলা খাবার পাননি মালেকা বেগম। একই অভিযোগ করেন, মেডিসিন ও শিশু ওয়ার্ডের প্রায় দেড় শতাধিক রোগী ও তার স্বজনরা। অভিযোগ রয়েছে চিকিৎসা সেবার মান নিয়েও।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মেডিসিন, সার্জারি, কার্ডিওলজি, গাইনি, শিশুসহ করোনা ইউনিটে প্রতিদিন গড়ে ৩৫০-৩৮০ জন পর্যন্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। কিন্তু সরকারিভাবে খাবার বরাদ্দ রয়েছে ২৫০ জনের। একজন রোগীর জন্য প্রতিদিনের ৩ বেলা খাবার বরাদ্দ ভ্যাটসহ ১২৫ টাকা। সাড়ে ১২% ভ্যাট বাদ দিলে জনপ্রতি বরাদ্দ দাড়ায় ১১৫ টাকা এবং করোনা (কোভিড-১৯) রোগীর জন্য ৩০০ টাকা। মেডিসিন ওয়ার্ডে হরিপুর থেকে চিকিৎসা নিতে আসা এক রোগীর স্বজন মাইনুল হক বলেন, চারদিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি। একদিনও হাসপাতাল থেকে খাবার পাইনি। ওষুধপত্রসহ সব কিছুই বাইরে থেকে কিনতে হয়। তাহলে সরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে লাভ কী? আমরা গরিব মানুষ সরকারি হাসপাতালে সব কিছু ফ্রি পাব। কিন্তু ফ্রি তো দূরের কথা সবকিছুই কিনতে হচ্ছে। একই অভিযোগ করেন বালিয়াডাঙ্গী থেকে চিকিৎসা নিতে আসা হিরা আক্তার ও শরিফুল ইসলামসহ অনেকে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা নিপুন চন্দ্র বলেন, আমাদের করার কিছুই নেই। যা বরাদ্দ সে অনুযায়ী সাপ্লাই দিয়ে থাকি। স্ব-স্ব ওয়ার্ডে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা আমাদের কাছ থেকে বুঝে নেন।

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফিরোজ জামান জুয়েল বলেন, প্রতিদিন গড়ে ৪-৫শ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেন। পূর্বের লোকবল দিয়ে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ছোট-খাটো কিছু ত্রুটি থাকতেই পারে। সেগুলো শোনার সঙ্গে সঙ্গে ওভারকাম করছি। ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের লোকবল পেলে সমস্যাগুলো কেটে ওঠা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি।

প্রখ/ সাদ্দাম