শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

গ্রহাণুর সঙ্গে ধাক্কা লেগে ক্ষতিগ্রস্ত জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ

#
news image

প্রযুক্তি বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা এখন নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। ১ হাজার ৩০০ কোটি বছর আগের মহাবিশ্বের রঙিন ছবি তুলে তাক লাগিয়ে দিয়েছে এই টেলিস্কোপ।
তবে গত মে মাসে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ গ্রহাণুর সঙ্গে ধাক্কা লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  
 ১৯৯৬ সালে প্রথম জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ বানানোর পরিকল্পনা করা হয়। ১৭টি দেশ মিলে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়। যার নেতৃত্বে রয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা। পাশাপাশি ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সিরও এই প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। যন্ত্রটির নামকরণ করা হয়েছে জেমস ই. ওয়েবের নামানুসারে। তিনি ছিলেন নাসার দ্বিতীয় প্রশাসক এবং অ্যাপোলো অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তিনি। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ।  গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপটি মহাশূন্যের উদ্দেশে রওনা দেয়।  ২০২১ সালে যখন এই টেলিস্কোপ মহাকাশে পাড়ি দেয়, তখন খরচ দাঁড়ায় ১০০০ কোটি ডলার। টেলিস্কোপের মূল লক্ষ্য দুটি। এক, প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি বছর আগের মহাবিশ্বে জ্বলে ওঠা আদি নক্ষত্রগুলোর ছবি তোলা। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে দূরদূরান্তের গ্রহগুলো প্রাণ ধারণের উপযোগী কি না, তা খতিয়ে দেখা। তবে গ্রহাণুর সঙ্গে ধাক্কা লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর এই প্রজেক্ট দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।  
টেলিস্কোপটি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে ছয়টি মাইক্রোমেটেওরাইটের মধ্যে পাঁচটি জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের বড় আয়নায় আঘাত হানে। তবে এতে টেলিস্কোপের বড় ক্ষতি হয়নি বলে দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা।  
গবেষকরা বলেছেন, ২২ থেকে ২৪ মের মধ্যে মাইক্রোমেটিওরয়েড সেগমেন্ট সি৩-তে আঘাত করেছিল গ্রহাণুটি। এতে ওই অংশের সামগ্রিক চিত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটায় যা সংশোধন করা সম্ভব না। তবে এটি টেলিস্কোপটির ছোট অংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। একটি প্যানেলের ক্ষতি হওয়ায় এটি জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের ছবি তোলার ক্ষমতাকে মোটেও প্রভাবিত করবে না।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

২০ জুলাই, ২০২২,  12:17 AM

news image

প্রযুক্তি বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা এখন নাসার জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ। ১ হাজার ৩০০ কোটি বছর আগের মহাবিশ্বের রঙিন ছবি তুলে তাক লাগিয়ে দিয়েছে এই টেলিস্কোপ।
তবে গত মে মাসে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ গ্রহাণুর সঙ্গে ধাক্কা লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  
 ১৯৯৬ সালে প্রথম জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ বানানোর পরিকল্পনা করা হয়। ১৭টি দেশ মিলে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়। যার নেতৃত্বে রয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান নাসা। পাশাপাশি ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সিরও এই প্রকল্পে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। যন্ত্রটির নামকরণ করা হয়েছে জেমস ই. ওয়েবের নামানুসারে। তিনি ছিলেন নাসার দ্বিতীয় প্রশাসক এবং অ্যাপোলো অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন তিনি। জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী টেলিস্কোপ।  গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপটি মহাশূন্যের উদ্দেশে রওনা দেয়।  ২০২১ সালে যখন এই টেলিস্কোপ মহাকাশে পাড়ি দেয়, তখন খরচ দাঁড়ায় ১০০০ কোটি ডলার। টেলিস্কোপের মূল লক্ষ্য দুটি। এক, প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি বছর আগের মহাবিশ্বে জ্বলে ওঠা আদি নক্ষত্রগুলোর ছবি তোলা। আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে দূরদূরান্তের গ্রহগুলো প্রাণ ধারণের উপযোগী কি না, তা খতিয়ে দেখা। তবে গ্রহাণুর সঙ্গে ধাক্কা লেগে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর এই প্রজেক্ট দীর্ঘস্থায়ী হবে কি না তা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।  
টেলিস্কোপটি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে যে জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে ছয়টি মাইক্রোমেটেওরাইটের মধ্যে পাঁচটি জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের বড় আয়নায় আঘাত হানে। তবে এতে টেলিস্কোপের বড় ক্ষতি হয়নি বলে দাবি করছেন বিজ্ঞানীরা।  
গবেষকরা বলেছেন, ২২ থেকে ২৪ মের মধ্যে মাইক্রোমেটিওরয়েড সেগমেন্ট সি৩-তে আঘাত করেছিল গ্রহাণুটি। এতে ওই অংশের সামগ্রিক চিত্রে একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটায় যা সংশোধন করা সম্ভব না। তবে এটি টেলিস্কোপটির ছোট অংশকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল। একটি প্যানেলের ক্ষতি হওয়ায় এটি জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের ছবি তোলার ক্ষমতাকে মোটেও প্রভাবিত করবে না।