শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

করোনায় ডায়াবেটিক রোগীরা যা করবেন

#
news image

ডায়াবেটিক রোগীদের যেহেতু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে এবং ডায়াবেটিসের সঙ্গে অন্য ঝুঁকি যেমন কিডনি রোগ, হার্টের অসুখ থাকে, তাই করোনা সহজেই ডায়াবেটিক রোগীর দেহে বিস্তার লাভ করতে পারে এবং মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
ডায়াবেটিক রোগীদের করণীয়
♦ যাদের ডায়াবেটিক এবং সঙ্গে অন্য ঝুঁকি আছে, সবাইকে শিগগিরই ভ্যাক্সিন এবং বুস্টার ডোজ নিতে হবে।
♦ ভ্যাক্সিন নেওয়া থাকলে কভিড হলেও তা মারাত্মক আকার ধারণ করবে না।
♦ বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে, বিশেষ করে বাজার বা পাবলিক প্লেস থেকে আসার পর।
♦ বাইরে থাকার সময় যত দূর পারা যায় নাক, মুখ, চোখ কম স্পর্শ করতে হবে।
♦ বাইরে যাওয়ার সময় অবশ্যই মাস্ক দিয়ে ভালো করে নাক, মুখ ঢাকতে হবে।
♦ হেক্সিসল দিয়ে আপনার হাত, সেলফোন, কিবোর্ড কিছুক্ষণ পর পর পরিষ্কার করতে হবে।
আক্রান্ত হলে
♦ প্রচুর পরিমাণ তরল জাতীয় খাবার খাবেন, মিষ্টি জাতীয় শরবত খাওয়া যাবে না। ডাবের পানি খাওয়া যাবে।
♦ আপনার ডায়াবেটিসের ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, কিছু ডায়াবেটিসের ওষুধ পরিবর্তন করতে হতে পারে। যেমন জ¦র/বমি অবস্থায় মেটফরমিন জাতীয় ওষুধ বন্ধ রাখতে হবে।
♦ বাসায় গ্লুকোমিটার মেশিন দিয়ে ব্লাড সুগার পরীক্ষা করবেন ৬-১০ মি. মোল/লি.-এর মধ্যে ব্লাড সুগার থাকতে হবে।
♦ বাসায় পালস অক্সিমিটার মেশিন দিয়ে সেচুরেশন পরীক্ষা করবেন। যদি ৯৩%-এর কমে নেমে যায় তাহলে অতিসত্বর হাসপাতালে যোগাযোগ করবেন, প্রয়োজনে ভর্তি হবেন।
আপনার যদি ডায়াবেটিস কিটোএসিডোসিসের কোনো লক্ষণ দেখা দেয় যেমনÑব্লাড সুগার টানা দুইবার ১৪.০ মি. মোল/লি.-এর বেশি, শ্বাসকষ্ট, মুখ শুকিয়ে যাওয়াÑতাহলে দেরি না করে ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হবেন।
ডায়াবেটিক রোগীদের কভিড-১৯ থেকে কভিড নিউমোনিয়া, কিডনির পয়েন্ট বেড়ে যাওয়া এবং ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতার সমস্যা হতে পারে।
ডায়াবেটিক রোগী কভিডে আক্রান্ত হলে একজন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞের পাশাপাশি অবশ্যই একজন ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম কনসালট্যান্ট ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ, মালিবাগ, ঢাকা।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

২৭ জুলাই, ২০২২,  11:15 PM

news image

ডায়াবেটিক রোগীদের যেহেতু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে এবং ডায়াবেটিসের সঙ্গে অন্য ঝুঁকি যেমন কিডনি রোগ, হার্টের অসুখ থাকে, তাই করোনা সহজেই ডায়াবেটিক রোগীর দেহে বিস্তার লাভ করতে পারে এবং মারাত্মক আকার ধারণ করতে পারে।
ডায়াবেটিক রোগীদের করণীয়
♦ যাদের ডায়াবেটিক এবং সঙ্গে অন্য ঝুঁকি আছে, সবাইকে শিগগিরই ভ্যাক্সিন এবং বুস্টার ডোজ নিতে হবে।
♦ ভ্যাক্সিন নেওয়া থাকলে কভিড হলেও তা মারাত্মক আকার ধারণ করবে না।
♦ বারবার সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে, বিশেষ করে বাজার বা পাবলিক প্লেস থেকে আসার পর।
♦ বাইরে থাকার সময় যত দূর পারা যায় নাক, মুখ, চোখ কম স্পর্শ করতে হবে।
♦ বাইরে যাওয়ার সময় অবশ্যই মাস্ক দিয়ে ভালো করে নাক, মুখ ঢাকতে হবে।
♦ হেক্সিসল দিয়ে আপনার হাত, সেলফোন, কিবোর্ড কিছুক্ষণ পর পর পরিষ্কার করতে হবে।
আক্রান্ত হলে
♦ প্রচুর পরিমাণ তরল জাতীয় খাবার খাবেন, মিষ্টি জাতীয় শরবত খাওয়া যাবে না। ডাবের পানি খাওয়া যাবে।
♦ আপনার ডায়াবেটিসের ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন, কিছু ডায়াবেটিসের ওষুধ পরিবর্তন করতে হতে পারে। যেমন জ¦র/বমি অবস্থায় মেটফরমিন জাতীয় ওষুধ বন্ধ রাখতে হবে।
♦ বাসায় গ্লুকোমিটার মেশিন দিয়ে ব্লাড সুগার পরীক্ষা করবেন ৬-১০ মি. মোল/লি.-এর মধ্যে ব্লাড সুগার থাকতে হবে।
♦ বাসায় পালস অক্সিমিটার মেশিন দিয়ে সেচুরেশন পরীক্ষা করবেন। যদি ৯৩%-এর কমে নেমে যায় তাহলে অতিসত্বর হাসপাতালে যোগাযোগ করবেন, প্রয়োজনে ভর্তি হবেন।
আপনার যদি ডায়াবেটিস কিটোএসিডোসিসের কোনো লক্ষণ দেখা দেয় যেমনÑব্লাড সুগার টানা দুইবার ১৪.০ মি. মোল/লি.-এর বেশি, শ্বাসকষ্ট, মুখ শুকিয়ে যাওয়াÑতাহলে দেরি না করে ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হবেন।
ডায়াবেটিক রোগীদের কভিড-১৯ থেকে কভিড নিউমোনিয়া, কিডনির পয়েন্ট বেড়ে যাওয়া এবং ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতার সমস্যা হতে পারে।
ডায়াবেটিক রোগী কভিডে আক্রান্ত হলে একজন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞের পাশাপাশি অবশ্যই একজন ডায়াবেটিস ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে।
পরামর্শ দিয়েছেন ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম কনসালট্যান্ট ডা. সিরাজুল ইসলাম মেডিক্যাল কলেজ, মালিবাগ, ঢাকা।