শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

চীনে ভয়াবহ গরম, বিদ্যুৎ সংকট

#
news image

চীনে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ ও খরা। গত কিছুদিন যাবৎ চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সিচুয়ান প্রদেশে চলছিলো বিদ্যুৎ সংকট। গত রোববার দেশটিতে তাপমাত্রা কমে দাঁড়ায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে জার্মানি সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে।প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ছয় দশকের মধ্যে এই অঞ্চলে সবচেয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ চলেছে। গরম থেকে বাঁচতে মানুষ দিনরাত এসি চালিয়েছেন। এর ফলে বিদ্যুৎ সংকট দেখা দেয়। রোববার  তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও ভয়ংকর খরা পরিস্থিতির এখনো উন্নতি হয়নি। বন্ধ হয়ে গেছে কল কারখানা, অন্ধকার হয়ে আছে সাবওয়ে। ঘরবাড়ি আর অফিসগুলোও ডুবে থাকছে আঁধারে। দীপ্তি হারিয়েছে ৮ কোটি মানুষের এ জনপদের আকাশচুম্বী অট্টালিকাগুলো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ-সংকট এখনো কাটেনি। বিদ্যুৎ-সংকটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানা গুলোতে। এর প্রভাব ধীরে ধীরে পুরো দেখেই পড়বে।  স্বাভাবিক সময়ে সিচুয়ান প্রদেশের জলবিদ্যুৎ পুরো চীনকে বাঁচিয়ে রাখে। দেশটির মোট জলবিদ্যুতের ৩০ শতাংশ উৎপাদন হয় এখানে। কিন্তু সেচুয়ানে বিদ্যুৎ সংকটের ফলে অন্য অঞ্চল থেকে বিদ্যুৎ এখানে আনতে হচ্ছে। এর ফলে টয়োটা, ফক্সকন-সহ একাধিক সংস্থা বন্ধ আছে বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।  নদীতে পানি না থাকায় প্রত্যক্ষভাবে খরার প্রভাব পড়েছে সিচুয়ান প্রদেশের জলবিদ্যুৎ-কেন্দ্রে। এখন প্রথমে ছোট ও মাঝারি সংস্থাকে বিদ্যুৎ দেয়া হচ্ছে। তারপর বড় সংস্থাকে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

২৯ আগস্ট, ২০২২,  10:51 PM

news image

চীনে দেখা দিয়েছে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ ও খরা। গত কিছুদিন যাবৎ চীনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সিচুয়ান প্রদেশে চলছিলো বিদ্যুৎ সংকট। গত রোববার দেশটিতে তাপমাত্রা কমে দাঁড়ায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য জানিয়েছে জার্মানি সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলে।প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ছয় দশকের মধ্যে এই অঞ্চলে সবচেয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ চলেছে। গরম থেকে বাঁচতে মানুষ দিনরাত এসি চালিয়েছেন। এর ফলে বিদ্যুৎ সংকট দেখা দেয়। রোববার  তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও ভয়ংকর খরা পরিস্থিতির এখনো উন্নতি হয়নি। বন্ধ হয়ে গেছে কল কারখানা, অন্ধকার হয়ে আছে সাবওয়ে। ঘরবাড়ি আর অফিসগুলোও ডুবে থাকছে আঁধারে। দীপ্তি হারিয়েছে ৮ কোটি মানুষের এ জনপদের আকাশচুম্বী অট্টালিকাগুলো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদ্যুৎ-সংকট এখনো কাটেনি। বিদ্যুৎ-সংকটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানা গুলোতে। এর প্রভাব ধীরে ধীরে পুরো দেখেই পড়বে।  স্বাভাবিক সময়ে সিচুয়ান প্রদেশের জলবিদ্যুৎ পুরো চীনকে বাঁচিয়ে রাখে। দেশটির মোট জলবিদ্যুতের ৩০ শতাংশ উৎপাদন হয় এখানে। কিন্তু সেচুয়ানে বিদ্যুৎ সংকটের ফলে অন্য অঞ্চল থেকে বিদ্যুৎ এখানে আনতে হচ্ছে। এর ফলে টয়োটা, ফক্সকন-সহ একাধিক সংস্থা বন্ধ আছে বলে জানানো হয়েছে প্রতিবেদনে।  নদীতে পানি না থাকায় প্রত্যক্ষভাবে খরার প্রভাব পড়েছে সিচুয়ান প্রদেশের জলবিদ্যুৎ-কেন্দ্রে। এখন প্রথমে ছোট ও মাঝারি সংস্থাকে বিদ্যুৎ দেয়া হচ্ছে। তারপর বড় সংস্থাকে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।