শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

 লিবীয় উপকূলে নৌকাডুবি, ৩৫ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা

#
news image

ভূমধ্যসাগরের লিবীয় উপকূলে অভিবাসীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেছে। এতে কমপক্ষে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার (১৬ এপ্রিল) জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা এই তথ্য জানায়।

গত শুক্রবার নৌকাডুবির এই ঘটনা ঘটে। শনিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) জানিয়েছে, লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সাবরাথার উপকূলে নৌকাটি ডুবে যায়। উত্তর আফ্রিকার এই দেশটির এই শহরটি মূলত ভূমধ্যসাগরজুড়ে বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় আফ্রিকার লোকদের প্রধান লঞ্চিং পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

আইওএম বলছে, নৌকাডুরি পর এখন পর্যন্ত ৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া এখনও ২৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন এবং তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গত শুক্রবার ৩৫ জনকে বহনকারী কাঠের ওই নৌকাটি ঠিক কী কারণে ডুবে যায় তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।

পুরে টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় আইওএম জানায়, ‘ভূমধ্যসাগরে ক্রমাগত প্রাণহানির ঘটনা স্বাভাবিক ভাবে নেওয়া উচিত নয়। (দায়িত্ব পালনে) নিষ্ক্রিয়তার মূল্য দিতে হচ্ছে মানুষের জীবন দিয়ে। জোরদার অনুসন্ধান ও উদ্ধার ক্ষমতা এবং একটি নিরাপদ অবতরণ ব্যবস্থাপনা আরও মৃত্যু ও দুর্ভোগ রোধ করার জন্য জরুরিভাবে প্রয়োজন।’

উন্নত জীবনের আশায় অভিবাসীদের উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টায় প্রাণহানির বিষয়টি অনেকটা সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে এবং গত শুক্রবারের ঘটনাটি এর সর্বশেষ উদাহরণ। আইওএম’র তথ্য অনুসারে, শুধুমাত্র গত সপ্তাহে লিবিয়ার উপকূলে কমপক্ষে ৫৩ জন মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে সহায়তা প্রদানকারী গোষ্ঠী ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস’র তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুর দিকে ৯০ জনেরও বেশি আরোহী বহনকারী একটি নৌকা লিবিয়া ছেড়ে যাওয়ার কয়েকদিন পর ভূমধ্যসাগরে ডুবে যায়।

২০১১ সালে লিবিয়ার দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। আর এরপর থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করা অভিবাসীদের জন্য লিবিয়া একটি প্রধান ট্রানজিট রুট হয়ে উঠেছে।

এছাড়া লিবিয়ায় অভিবাসীরা নির্যাতন, যৌন নির্যাতন এবং মানব পাচারের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে বছরের পর বছর ধরে সতর্ক করে আসছে জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

প্রখ/ সাদ্দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৭ এপ্রিল, ২০২২,  6:18 AM

news image

ভূমধ্যসাগরের লিবীয় উপকূলে অভিবাসীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেছে। এতে কমপক্ষে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। শনিবার (১৬ এপ্রিল) জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা এই তথ্য জানায়।

গত শুক্রবার নৌকাডুবির এই ঘটনা ঘটে। শনিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা। জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) জানিয়েছে, লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর সাবরাথার উপকূলে নৌকাটি ডুবে যায়। উত্তর আফ্রিকার এই দেশটির এই শহরটি মূলত ভূমধ্যসাগরজুড়ে বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রায় আফ্রিকার লোকদের প্রধান লঞ্চিং পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

আইওএম বলছে, নৌকাডুরি পর এখন পর্যন্ত ৬ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া এখনও ২৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন এবং তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গত শুক্রবার ৩৫ জনকে বহনকারী কাঠের ওই নৌকাটি ঠিক কী কারণে ডুবে যায় তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।

পুরে টুইটারে দেওয়া এক বার্তায় আইওএম জানায়, ‘ভূমধ্যসাগরে ক্রমাগত প্রাণহানির ঘটনা স্বাভাবিক ভাবে নেওয়া উচিত নয়। (দায়িত্ব পালনে) নিষ্ক্রিয়তার মূল্য দিতে হচ্ছে মানুষের জীবন দিয়ে। জোরদার অনুসন্ধান ও উদ্ধার ক্ষমতা এবং একটি নিরাপদ অবতরণ ব্যবস্থাপনা আরও মৃত্যু ও দুর্ভোগ রোধ করার জন্য জরুরিভাবে প্রয়োজন।’

উন্নত জীবনের আশায় অভিবাসীদের উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টায় প্রাণহানির বিষয়টি অনেকটা সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে এবং গত শুক্রবারের ঘটনাটি এর সর্বশেষ উদাহরণ। আইওএম’র তথ্য অনুসারে, শুধুমাত্র গত সপ্তাহে লিবিয়ার উপকূলে কমপক্ষে ৫৩ জন মারা গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে সহায়তা প্রদানকারী গোষ্ঠী ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস’র তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুর দিকে ৯০ জনেরও বেশি আরোহী বহনকারী একটি নৌকা লিবিয়া ছেড়ে যাওয়ার কয়েকদিন পর ভূমধ্যসাগরে ডুবে যায়।

২০১১ সালে লিবিয়ার দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। আর এরপর থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করা অভিবাসীদের জন্য লিবিয়া একটি প্রধান ট্রানজিট রুট হয়ে উঠেছে।

এছাড়া লিবিয়ায় অভিবাসীরা নির্যাতন, যৌন নির্যাতন এবং মানব পাচারের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে বছরের পর বছর ধরে সতর্ক করে আসছে জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

প্রখ/ সাদ্দাম