শিরোনামঃ
‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান আবারও শিক্ষার হাল ধরলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি: নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদিত চার লাইনের ব্যালটে লুকানো ৮৪ সিদ্ধান্ত: ভোটাররা কি জানেন ‘হ্যাঁ’ মানে কী? কারাফটকে থেমে গেল শেষ বিদায়: স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুতে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম কেন প্যারোলে মুক্তি পেলেন না কারাগারের ফটকে থামানো শেষ বিদায়: বন্দি অবস্থায় স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম তরুণদের সঙ্গে তারেক রহমান: দক্ষ জনশক্তি গঠন ও নারীর ক্ষমতায়নে অঙ্গীকার

সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে আমি একজন প্রকৃত অভিভাবককে হারিয়েছি : প্রধানমন্ত্রী

#
news image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধরীর মৃত্যুতে তিনি তাঁর একজন প্রকৃত অভিভাবককে হারিয়েছেন। তিনি দেশের সকল গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনে সাজেদা চৌধুরীর বিরাট অবদানের কথা স্মরণ করেন।  
এক শোক বার্তায় সরকার প্রধান বলেন, ‘তাঁর মৃত্যুতে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হলো এবং আমরা একজন প্রবীণ রাজনৈতিক নেত্রীকে হারালাম। সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে আমি একজন প্রকৃত অভিভাবককে হারালাম।’ 
তিনি বলেন, সাজেদা চৌধুরী ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণ আন্দোলনসহ দেশের সকল গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।  
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন যে, ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার অবর্তমানে আওয়ামী লীগের জাতীয় অধিবেশনে সভানেত্রী হিসেবে তাঁকে মনোনীত করার ক্ষেত্রে সাজেদা চৌধুরী বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছিলেন। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরার পর থেকে তিনি সাজেদা চৌধুরীকে তাঁর অভিভাবক হিসেবে পেয়েছেন।
এরপর থেকে সংসদের উপনেতা, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সাজেদা চৌধুরী তাঁর ছায়াসঙ্গী ছিলেন।
শোক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রচারণাকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে সাজেদা চৌধুরীর দেখা হওয়ার পর তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আগ্রহী হন। এরপর ১৯৫৬ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং এরপর থেকে সকল আন্দোলনেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।  
তিনি আরো বলেন, ১৯৭০ এর নির্বাচনে সাজেদা চৌধুরী ছিলেন নির্বাচিত সাতজন গণপরিষদ সদস্যের মধ্যে অন্যতম।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, তিনি ১৯৬৯ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 
জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্য নিহত হওয়ার পর সাজেদা চৌধুরী আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হন।
তিনি ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন।
সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি সাজেদা চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
আজ সকালে রাজধানীর এক হাসপাতালে ৮৭ বছর বয়সে আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেত্রী মারা যান।

অনলাইন ডেস্ক

১২ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  9:59 PM

news image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ বলেছেন, আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধরীর মৃত্যুতে তিনি তাঁর একজন প্রকৃত অভিভাবককে হারিয়েছেন। তিনি দেশের সকল গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনে সাজেদা চৌধুরীর বিরাট অবদানের কথা স্মরণ করেন।  
এক শোক বার্তায় সরকার প্রধান বলেন, ‘তাঁর মৃত্যুতে দেশের অপূরণীয় ক্ষতি হলো এবং আমরা একজন প্রবীণ রাজনৈতিক নেত্রীকে হারালাম। সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে আমি একজন প্রকৃত অভিভাবককে হারালাম।’ 
তিনি বলেন, সাজেদা চৌধুরী ১৯৬৬ সালের ৬ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালের গণ আন্দোলনসহ দেশের সকল গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।  
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন যে, ১৯৮১ সালে শেখ হাসিনার অবর্তমানে আওয়ামী লীগের জাতীয় অধিবেশনে সভানেত্রী হিসেবে তাঁকে মনোনীত করার ক্ষেত্রে সাজেদা চৌধুরী বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছিলেন। 
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফেরার পর থেকে তিনি সাজেদা চৌধুরীকে তাঁর অভিভাবক হিসেবে পেয়েছেন।
এরপর থেকে সংসদের উপনেতা, আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সাজেদা চৌধুরী তাঁর ছায়াসঙ্গী ছিলেন।
শোক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রচারণাকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে সাজেদা চৌধুরীর দেখা হওয়ার পর তিনি আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে আগ্রহী হন। এরপর ১৯৫৬ সালে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং এরপর থেকে সকল আন্দোলনেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।  
তিনি আরো বলেন, ১৯৭০ এর নির্বাচনে সাজেদা চৌধুরী ছিলেন নির্বাচিত সাতজন গণপরিষদ সদস্যের মধ্যে অন্যতম।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, তিনি ১৯৬৯ সাল থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। 
জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্য নিহত হওয়ার পর সাজেদা চৌধুরী আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালনকালে জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হন।
তিনি ১৯৮৬ সাল থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন।
সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।
তিনি সাজেদা চৌধুরীর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোক-সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
আজ সকালে রাজধানীর এক হাসপাতালে ৮৭ বছর বয়সে আওয়ামী লীগের এই প্রবীণ নেত্রী মারা যান।