শিরোনামঃ
এসআই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও বিচারিক কাজে বাধার অভিযোগে রুমিন ফারহানার বিষয়ে ব্যবস্থা চেয়ে চিঠি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচার জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পন করল সকালের সময় শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রভাবশালী দুই ভাইয়ের ছায়ায় জুড়ীতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ জুড়ীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল: নেতৃত্বে জাকিরের পিএস নোমান কে এই প্রতারক নাহিদ,পরিচয় ও তার পেশা কি জুড়ীতে দলীয় বিভাজন সৃষ্টি‌ করছেন‌ যুবদল নেতা নিপার রেজা 

আইনের অপপ্রয়োগে রাষ্ট্র বড় বিপদের মুখে: আ স ম রব

#
news image

বিরোধী দলের সমাবেশে যোগদানের পথে আক্রমণ, বাঁধা এবং অঘোষিত পরিবহন বন্ধের প্রেক্ষিতে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, রাষ্ট্রের ভিত্তি হলো আইন। আইন বাস্তবায়নের শর্ত পূরণ করাই সরকারের কর্তব্য। তিনি বলেন, যারা আক্রান্ত-রক্তাক্ত তারাই আসামি, আর যারা আক্রমণকারী তারা বাদী। নিরস্ত্র আক্রান্ত ব্যক্তি কারাগারে আর সশস্ত্র আক্রমনকারী দুর্দণ্ড প্রতাপে জেলের বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটা আধুনিক সভ্য রাষ্ট্রব্যবস্থায় কল্পনাও করা যায় না। সভ্যতা অতিক্রম করে এমন রাষ্ট্র টিকে থাকতে পারে না। রোববার (১৬ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

আসম রব বলেন, বিরোধী দলীয় সমাবেশে বিঘ্ন, বাঁধা হামলা, পরিবহন বন্ধ, আর সরকারি দলের সমাবেশ নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন। এটা রাষ্ট্রের কোনো চরিত্র হতে পারে না। এ ধরনের দ্বৈত নীতি অনুসরণ করা সংবিধান বা নৈতিকতার বিচারে অনুমোদনযোগ্য নয়। অধিকারের প্রশ্নে বিরোধী দল বা সরকারি দল অর্থাৎ সব নাগরিক একই সমতলে অবস্থিত। তিনি বলেন, অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখতে সঠিক আইন প্রয়োগে সরকার অনীহ এবং সর্বোপরি নিষ্ক্রিয় অথচ আইনের অপপ্রয়োগে উৎসাহী হয়ে গুলি, হত্যাসহ বল প্রয়োগে অতিরিক্ত শক্তি প্রদর্শন করছে। আইনের অপপ্রয়োগে রাষ্ট্র চরম নৈরাজ্যে নিপতিত এবং রাষ্ট্র বড় বিপদের মুখে।

‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিশ্বজনীন ও চিরকালীন। আমাদের সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদ শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমাবেশের স্বাধীনতা এবং সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দিয়েছে। এটা সরকারের মনোভাব বা করুণার উপর নির্ভরশীল নয়, আর সংবিধান সরকারের ‘ইচ্ছাধীন’ হতে পারে না। ’ বলেন তিনি। আ স ম রব বলেন, রাষ্ট্রে আইন থাকবে অথচ সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার স্বার্থে সে আইনের অপপ্রয়োগ করবে এটাই রাষ্ট্র ধ্বংসের কারণ হয়ে উঠবে। মত প্রকাশ ও ভোটাধিকারের স্বাধীনতা এবং বিরোধী মত ও পথকে ধ্বংস করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আড়ালে সব অপকর্ম বা দুঃশাসনকে ন্যায্যতা দেওয়ার অপরাজনীতি পরিহার করতে হবে।

অনলাইন ডেস্ক

১৬ অক্টোবর, ২০২২,  10:01 PM

news image

বিরোধী দলের সমাবেশে যোগদানের পথে আক্রমণ, বাঁধা এবং অঘোষিত পরিবহন বন্ধের প্রেক্ষিতে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, রাষ্ট্রের ভিত্তি হলো আইন। আইন বাস্তবায়নের শর্ত পূরণ করাই সরকারের কর্তব্য। তিনি বলেন, যারা আক্রান্ত-রক্তাক্ত তারাই আসামি, আর যারা আক্রমণকারী তারা বাদী। নিরস্ত্র আক্রান্ত ব্যক্তি কারাগারে আর সশস্ত্র আক্রমনকারী দুর্দণ্ড প্রতাপে জেলের বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এটা আধুনিক সভ্য রাষ্ট্রব্যবস্থায় কল্পনাও করা যায় না। সভ্যতা অতিক্রম করে এমন রাষ্ট্র টিকে থাকতে পারে না। রোববার (১৬ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

আসম রব বলেন, বিরোধী দলীয় সমাবেশে বিঘ্ন, বাঁধা হামলা, পরিবহন বন্ধ, আর সরকারি দলের সমাবেশ নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন। এটা রাষ্ট্রের কোনো চরিত্র হতে পারে না। এ ধরনের দ্বৈত নীতি অনুসরণ করা সংবিধান বা নৈতিকতার বিচারে অনুমোদনযোগ্য নয়। অধিকারের প্রশ্নে বিরোধী দল বা সরকারি দল অর্থাৎ সব নাগরিক একই সমতলে অবস্থিত। তিনি বলেন, অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখতে সঠিক আইন প্রয়োগে সরকার অনীহ এবং সর্বোপরি নিষ্ক্রিয় অথচ আইনের অপপ্রয়োগে উৎসাহী হয়ে গুলি, হত্যাসহ বল প্রয়োগে অতিরিক্ত শক্তি প্রদর্শন করছে। আইনের অপপ্রয়োগে রাষ্ট্র চরম নৈরাজ্যে নিপতিত এবং রাষ্ট্র বড় বিপদের মুখে।

‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা বিশ্বজনীন ও চিরকালীন। আমাদের সংবিধানের ৩৭ অনুচ্ছেদ শান্তিপূর্ণ ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমাবেশের স্বাধীনতা এবং সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দিয়েছে। এটা সরকারের মনোভাব বা করুণার উপর নির্ভরশীল নয়, আর সংবিধান সরকারের ‘ইচ্ছাধীন’ হতে পারে না। ’ বলেন তিনি। আ স ম রব বলেন, রাষ্ট্রে আইন থাকবে অথচ সরকার ক্ষমতায় টিকে থাকার স্বার্থে সে আইনের অপপ্রয়োগ করবে এটাই রাষ্ট্র ধ্বংসের কারণ হয়ে উঠবে। মত প্রকাশ ও ভোটাধিকারের স্বাধীনতা এবং বিরোধী মত ও পথকে ধ্বংস করার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা থেকে সরকারকে সরে আসতে হবে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আড়ালে সব অপকর্ম বা দুঃশাসনকে ন্যায্যতা দেওয়ার অপরাজনীতি পরিহার করতে হবে।