শিরোনামঃ
এসআই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও বিচারিক কাজে বাধার অভিযোগে রুমিন ফারহানার বিষয়ে ব্যবস্থা চেয়ে চিঠি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচার জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পন করল সকালের সময় শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রভাবশালী দুই ভাইয়ের ছায়ায় জুড়ীতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ জুড়ীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল: নেতৃত্বে জাকিরের পিএস নোমান কে এই প্রতারক নাহিদ,পরিচয় ও তার পেশা কি জুড়ীতে দলীয় বিভাজন সৃষ্টি‌ করছেন‌ যুবদল নেতা নিপার রেজা 

বাবা ছিলেন ভারতের প্রধান বিচারপতি, ছেলেও হলেন

#
news image

রামের জন্মভূমি–বাবরি মসজিদ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের অংশীদার ছিলেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সর্বসম্মতিক্রমে সুপ্রিম কোর্ট ওই মামলার রায় দিয়েছিলেন। আধার মামলার রায়দানকারী বেঞ্চের সদস্যও ছিলেন তিনি। সেই মামলার রায়ে চন্দ্রচূড় বলেছিলেন, সব তথ্যভান্ডারের সঙ্গে আধারকে বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করা হলে, তাতে ব্যক্তি অধিকার খর্ব হতে পারে।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার নিয়েও কঠোর মনোভাব গ্রহণ করেছিলেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়। বলেছিলেন, জন–অসন্তোষ চাপা দিতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার অনুচিত। সাংবিধানিক মর্যাদা রক্ষায় বিচারপতি চন্দ্রচূড় বরাবরই সচেষ্ট থেকেছেন। একবার তিনি মন্তব্য করেছিলেন, খাদ্যাভ্যাসের জন্য পিটিয়ে খুন অথবা কার্টুন আঁকার অপরাধে কার্টুনিস্টকে কারাবাস করতে হলে কিংবা ধর্মীয় বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ব্লগারের জেল হলে সংবিধান লঙ্ঘিত হয়, অসম্মানিত হয়।

২০১৭ সালে বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেছিলেন, জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা মৌলিক অধিকারের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এর পূর্ণ দখল কোনো সভ্য দেশ নিতে পারে না। এই অধিকার রাষ্ট্রীয় উপহারও নয়। লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধেও তিনি সব সময় দৃঢ় মত পোষণ করেছেন।

অনলাইন ডেস্ক

১০ নভেম্বর, ২০২২,  1:03 AM

news image

রামের জন্মভূমি–বাবরি মসজিদ মামলায় সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের অংশীদার ছিলেন ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়। প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালের ৯ নভেম্বর সর্বসম্মতিক্রমে সুপ্রিম কোর্ট ওই মামলার রায় দিয়েছিলেন। আধার মামলার রায়দানকারী বেঞ্চের সদস্যও ছিলেন তিনি। সেই মামলার রায়ে চন্দ্রচূড় বলেছিলেন, সব তথ্যভান্ডারের সঙ্গে আধারকে বাধ্যতামূলকভাবে যুক্ত করা হলে, তাতে ব্যক্তি অধিকার খর্ব হতে পারে।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার নিয়েও কঠোর মনোভাব গ্রহণ করেছিলেন বিচারপতি চন্দ্রচূড়। বলেছিলেন, জন–অসন্তোষ চাপা দিতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার অনুচিত। সাংবিধানিক মর্যাদা রক্ষায় বিচারপতি চন্দ্রচূড় বরাবরই সচেষ্ট থেকেছেন। একবার তিনি মন্তব্য করেছিলেন, খাদ্যাভ্যাসের জন্য পিটিয়ে খুন অথবা কার্টুন আঁকার অপরাধে কার্টুনিস্টকে কারাবাস করতে হলে কিংবা ধর্মীয় বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ব্লগারের জেল হলে সংবিধান লঙ্ঘিত হয়, অসম্মানিত হয়।

২০১৭ সালে বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেছিলেন, জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা মৌলিক অধিকারের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। এর পূর্ণ দখল কোনো সভ্য দেশ নিতে পারে না। এই অধিকার রাষ্ট্রীয় উপহারও নয়। লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধেও তিনি সব সময় দৃঢ় মত পোষণ করেছেন।