শিরোনামঃ
অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা প্রতিমন্ত্রী হতে পারে মাওলানা শামীম সকলের সময়ের নির্বাহী সম্পাদককে হত্যার হুমকি রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী অনিক ও সোহেলের ভুয়া “প্রাচীন পিলার ও কয়েন” চক্রে নিঃস্ব হচ্ছে অনেকে

ফেনী নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন,প্রশাসন নির্বিকার

#
news image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ছোট ফেনী নদীর ভিতরের অংশ থেকে অবাধে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে অসাধু বালু ব্যাবসায়ীরা।স্হানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসন দেখে ও না দেখার ভান করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ,মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন জনপ্রতিনিধির প্রত্যক্ষ মদদে দুটি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে রাতদিন ফেনী নদী থেকে বালু তুলছে। বিভিন্ন স্থানে নদী ভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে। কোম্পানীগঞ্জের পর্যটন এলাকা হিসেবে খ্যাত মুছাপুর ক্লোজারের প্রধান সড়ক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে।

সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে মুছাপুর ক্লোজার এলাকার প্রবেশ পথের শুরুতেই মুছাপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের লিটন সওদাগরের দোকানের আগে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবাধে বালু উত্তোলনের কাজ চলছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মুছাপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো. আলী আজগর জাহাঙ্গীরের সরাসরি যোগসাজশে তাঁর ভাই জালাল উদ্দিন ও তাদের সহযোগী মাইন উদ্দিন ড্রেজার দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ছোট ফেনী নদীর ভিতরের অংশ থেকে বালু উত্তোলন করছে। এর ফলে এলাকার ফেনী নদীর পাশে থাকা পাকা সড়কে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি হাজার হাজার একর ফসলি জমি ভেঙে নদীতে বিলীন হওয়ার উপক্রম হবে। এর আগেও ছোট ফেনী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে পাকা সড়কে ভাঙ্গন দেখা দেয়।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, স্থায়ীভাবে এসব অপরিকল্পিত ও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে মুছাপুর ক্লোজারে যাওয়ার পাকা সড়ক এবং এলাকার বিশাল অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুছাপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো. আলী আজগর জাহাঙ্গীর বলেন,বালু উত্তোলনের তথ্য আমার থেকে না নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ অথবা চেয়ারম্যানের থেকে নেন। আপনার যোগসাজশে, ক্ষমতাবলে আপনার ভাই জালাল উদ্দিন বালু উত্তোলন করছে। এমন প্রশ্নের জবাবে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর বলেন, দেশের রাজনীতিতে ভাই-ভাইকেও মানে না। ছেলে-বাবাকে মানে না। তাহলে আমার ভাই আমাকে না মেনে,আমার সাথে পরামর্শ না করেও বালু উঠাতে পারে। বাবা যদি ছেলেকে ধরে না রাখতে পারে। ভাই কিভাবে ভাইকে ধরে রাখবে।তিনি এ নিয়ে সরাসরি তাঁর ভাই জালালের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন। বালু উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে জালাল উদ্দিন বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নির্দেশে আমি বালু উত্তোলন করছি।

এ বিষয়ে মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো.আইয়ুব আলী বলেন,এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

বালু উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন,আমি আমার তহসিলদারকে ওখানে পাঠাচ্ছি।

জেলা প্রতিনিধি, নোয়াখালী

৩১ মে, ২০২২,  11:25 PM

news image

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের ছোট ফেনী নদীর ভিতরের অংশ থেকে অবাধে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে অসাধু বালু ব্যাবসায়ীরা।স্হানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসন দেখে ও না দেখার ভান করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ,মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের কয়েকজন জনপ্রতিনিধির প্রত্যক্ষ মদদে দুটি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে রাতদিন ফেনী নদী থেকে বালু তুলছে। বিভিন্ন স্থানে নদী ভাঙন সৃষ্টি হচ্ছে। কোম্পানীগঞ্জের পর্যটন এলাকা হিসেবে খ্যাত মুছাপুর ক্লোজারের প্রধান সড়ক নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়েছে।

সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে মুছাপুর ক্লোজার এলাকার প্রবেশ পথের শুরুতেই মুছাপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের লিটন সওদাগরের দোকানের আগে ড্রেজার মেশিন দিয়ে অবাধে বালু উত্তোলনের কাজ চলছে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মুছাপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো. আলী আজগর জাহাঙ্গীরের সরাসরি যোগসাজশে তাঁর ভাই জালাল উদ্দিন ও তাদের সহযোগী মাইন উদ্দিন ড্রেজার দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ছোট ফেনী নদীর ভিতরের অংশ থেকে বালু উত্তোলন করছে। এর ফলে এলাকার ফেনী নদীর পাশে থাকা পাকা সড়কে ভাঙন দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি হাজার হাজার একর ফসলি জমি ভেঙে নদীতে বিলীন হওয়ার উপক্রম হবে। এর আগেও ছোট ফেনী থেকে বালু উত্তোলনের ফলে পাকা সড়কে ভাঙ্গন দেখা দেয়।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, স্থায়ীভাবে এসব অপরিকল্পিত ও অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না হলে মুছাপুর ক্লোজারে যাওয়ার পাকা সড়ক এবং এলাকার বিশাল অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুছাপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মো. আলী আজগর জাহাঙ্গীর বলেন,বালু উত্তোলনের তথ্য আমার থেকে না নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ অথবা চেয়ারম্যানের থেকে নেন। আপনার যোগসাজশে, ক্ষমতাবলে আপনার ভাই জালাল উদ্দিন বালু উত্তোলন করছে। এমন প্রশ্নের জবাবে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর বলেন, দেশের রাজনীতিতে ভাই-ভাইকেও মানে না। ছেলে-বাবাকে মানে না। তাহলে আমার ভাই আমাকে না মেনে,আমার সাথে পরামর্শ না করেও বালু উঠাতে পারে। বাবা যদি ছেলেকে ধরে না রাখতে পারে। ভাই কিভাবে ভাইকে ধরে রাখবে।তিনি এ নিয়ে সরাসরি তাঁর ভাই জালালের সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন। বালু উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে জালাল উদ্দিন বালু উত্তোলনের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে বলেন, নোয়াখালী পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নির্দেশে আমি বালু উত্তোলন করছি।

এ বিষয়ে মুছাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো.আইয়ুব আলী বলেন,এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না।

বালু উত্তোলনের বিষয়ে জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন,আমি আমার তহসিলদারকে ওখানে পাঠাচ্ছি।