শিরোনামঃ
‘সেদিন জামিন না দিলে ওরা তারেককে মেরেই ফেলত’ ১৬ বছরের নীরব যন্ত্রণা: সাবেক বিচারপতি জয়নুল আবেদীনের বিস্ফোরক ও অশ্রুসজল জবানবন্দি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন তারেক রহমান আবারও শিক্ষার হাল ধরলেন ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুরের পাঁচ আসনে চারটিতে বিএনপি এগিয়ে, ফরিদগঞ্জে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস মান, স্বীকৃতি ও বৈশ্বিক সংযোগ বর্তমান মহাপরিচালকের নেতৃত্বে বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের অগ্রযাত্রা জুলাই গণঅভ্যুত্থানকারীদের দায়মুক্তি: নতুন অধ্যাদেশ অনুমোদিত চার লাইনের ব্যালটে লুকানো ৮৪ সিদ্ধান্ত: ভোটাররা কি জানেন ‘হ্যাঁ’ মানে কী? কারাফটকে থেমে গেল শেষ বিদায়: স্ত্রী-সন্তানের মৃত্যুতে ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম কেন প্যারোলে মুক্তি পেলেন না কারাগারের ফটকে থামানো শেষ বিদায়: বন্দি অবস্থায় স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ দেখলেন ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম তরুণদের সঙ্গে তারেক রহমান: দক্ষ জনশক্তি গঠন ও নারীর ক্ষমতায়নে অঙ্গীকার

হার্ট অ্যাটাক হয়েছে হায়দার হোসেনের

#
news image

‘৩০ বছর’, ‘আমি ফাইসা গেছি’, ‘আমি সরকারি অফিসার’ এমন কিছু ব্যতিক্রমধর্মী ও জনপ্রিয় গানের গায়ক ও সুরকার হায়দার হোসেন। তার গত মঙ্গলবার সকালে হাট অ্যাটার্ক হয়েছে। তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবরটি নিশ্চিত করেছেন হায়দার হোসেনের স্ত্রী নুসরাত জাহান। গতকাল বুধবার দুপুরে তিনি বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) সকালের দিকে ওনার শরীরটা খারাপ হয়ে গেলে হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে আসার পর ডাক্তাররা জানান ওনার সিভার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। আজকে এখন তার এনজিওগ্রাম করা হচ্ছে। এরপর তার হার্টে একটা রিং পরানো হবে।’ তিনি জানান, হায়দার হোসেনের এর আগে ২০১৬ সালে একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল এবং দুটি ব্লক ধরা পড়েছিল। তখন আমেরিকার একটি হাসপাতালে তার হার্টে দুটি রিং পরানো হয়। এবার নতুন করে একটি ব্লক ধরা পড়েছে। নুসরাত জাহান বলেন, ‘তার অবস্থা একটু ক্রিটিক্যাল। দেশের সবার কাছে আপনাদের মাধ্যমে ওনার জন্য দোয়া চাই।’ হায়দার হোসেন ৯ অক্টোবর ১৯৬৩ সালে ঢাকার বেগমবাজার এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। গান গাওয়ার পাশাপাশি তিনি একজন গীতিকার, সুরকার ও গিটারিস্ট। তিনি বিমান বাহিনীতে প্রকৌশলী হিসেবে দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন। ১৯৭৯ সালের দিকে তিনি সংগীত পেশার সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি সুরকার আলম খান ও পপ সম্রাট আজম খানের সঙ্গে কাজ করেছেন।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

০৯ জুন, ২০২২,  12:45 AM

news image

‘৩০ বছর’, ‘আমি ফাইসা গেছি’, ‘আমি সরকারি অফিসার’ এমন কিছু ব্যতিক্রমধর্মী ও জনপ্রিয় গানের গায়ক ও সুরকার হায়দার হোসেন। তার গত মঙ্গলবার সকালে হাট অ্যাটার্ক হয়েছে। তাকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবরটি নিশ্চিত করেছেন হায়দার হোসেনের স্ত্রী নুসরাত জাহান। গতকাল বুধবার দুপুরে তিনি বলেন, ‘গতকাল (মঙ্গলবার) সকালের দিকে ওনার শরীরটা খারাপ হয়ে গেলে হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে আসার পর ডাক্তাররা জানান ওনার সিভার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। আজকে এখন তার এনজিওগ্রাম করা হচ্ছে। এরপর তার হার্টে একটা রিং পরানো হবে।’ তিনি জানান, হায়দার হোসেনের এর আগে ২০১৬ সালে একবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল এবং দুটি ব্লক ধরা পড়েছিল। তখন আমেরিকার একটি হাসপাতালে তার হার্টে দুটি রিং পরানো হয়। এবার নতুন করে একটি ব্লক ধরা পড়েছে। নুসরাত জাহান বলেন, ‘তার অবস্থা একটু ক্রিটিক্যাল। দেশের সবার কাছে আপনাদের মাধ্যমে ওনার জন্য দোয়া চাই।’ হায়দার হোসেন ৯ অক্টোবর ১৯৬৩ সালে ঢাকার বেগমবাজার এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন। গান গাওয়ার পাশাপাশি তিনি একজন গীতিকার, সুরকার ও গিটারিস্ট। তিনি বিমান বাহিনীতে প্রকৌশলী হিসেবে দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন। ১৯৭৯ সালের দিকে তিনি সংগীত পেশার সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি সুরকার আলম খান ও পপ সম্রাট আজম খানের সঙ্গে কাজ করেছেন।