শিরোনামঃ
এসআই আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারীর বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ আচরণবিধি লঙ্ঘন ও বিচারিক কাজে বাধার অভিযোগে রুমিন ফারহানার বিষয়ে ব্যবস্থা চেয়ে চিঠি ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রচার জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ১০ম বর্ষে পদার্পন করল সকালের সময় শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী শামীম আহমদ ঢাকা ১৭ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী প্রভাবশালী দুই ভাইয়ের ছায়ায় জুড়ীতে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ জুড়ীতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিল: নেতৃত্বে জাকিরের পিএস নোমান কে এই প্রতারক নাহিদ,পরিচয় ও তার পেশা কি জুড়ীতে দলীয় বিভাজন সৃষ্টি‌ করছেন‌ যুবদল নেতা নিপার রেজা 

কুমিল্লায় পাটের সুদিন : কৃষকের মুখে হাসি

#
news image

জেলায় এবার পাট চাষীদের মুখে হাসি ফুটেছে। বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এবার জেলায় পাটের দাম সর্বোচ্চ। স্থানীয় হাট বাজারগুলোতে প্রতি মণ পাট ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা দরে পাট বিক্রি হচ্ছে। পাটের ভালো দাম পেয়ে পাট চাষীরা খুশি।
দোল্লাই নবাবপুর হাটে পাট বিক্রি করতে আসা পাট চাষি মোহাম্মদ আলী বাসসকে জানান, অন্য বছরের তুলনায় এবার পাট চাষ করে লাভবান হয়েছি। আগের বছরগুলোর ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকার ওপর বাজারে পাট বিক্রি করতে পারতেন না। তবে এবার দাম ভালো।
কুমিল্লা জেলা কৃষি সম্প্রাসরণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বাসসকে জানান, জেলার ১৫টি উপজেলার সব জায়গায় কমবেশি পাট চাষ করা হয়েছে। বিগত দুই তিন বছর কাঁচাপাটের রপ্তানি বন্ধ ছিল। বর্তমানে কাঁচাপাটের রপ্তানির প্রতিবন্ধকতা না থাকায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ভালো দাম পাচ্ছেন। ফলে কৃষক পাট চাষে আগ্রহী হবেন। আশা করি আবারও ফিরে আসবে পাটের সেই সুদিন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ অক্টোবর, ২০২২,  9:31 PM

news image

জেলায় এবার পাট চাষীদের মুখে হাসি ফুটেছে। বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এবার জেলায় পাটের দাম সর্বোচ্চ। স্থানীয় হাট বাজারগুলোতে প্রতি মণ পাট ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকা দরে পাট বিক্রি হচ্ছে। পাটের ভালো দাম পেয়ে পাট চাষীরা খুশি।
দোল্লাই নবাবপুর হাটে পাট বিক্রি করতে আসা পাট চাষি মোহাম্মদ আলী বাসসকে জানান, অন্য বছরের তুলনায় এবার পাট চাষ করে লাভবান হয়েছি। আগের বছরগুলোর ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকার ওপর বাজারে পাট বিক্রি করতে পারতেন না। তবে এবার দাম ভালো।
কুমিল্লা জেলা কৃষি সম্প্রাসরণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বাসসকে জানান, জেলার ১৫টি উপজেলার সব জায়গায় কমবেশি পাট চাষ করা হয়েছে। বিগত দুই তিন বছর কাঁচাপাটের রপ্তানি বন্ধ ছিল। বর্তমানে কাঁচাপাটের রপ্তানির প্রতিবন্ধকতা না থাকায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ভালো দাম পাচ্ছেন। ফলে কৃষক পাট চাষে আগ্রহী হবেন। আশা করি আবারও ফিরে আসবে পাটের সেই সুদিন।