শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

মুম্বাইয়ের নিষিদ্ধপল্লী থেকে পালিয়ে বাঁচলেন ২ বাংলাদেশি নারী

#
news image

ভারতে কাজ দেওয়ার নাম করে দুই বাংলাদেশি নারীকে বিক্রি করে দেওয়া হয় মুম্বাইয়ের নিষিদ্ধপল্লীতে । কৌশলে পালিয়ে তারা সেখান থেকে  ফিরে আসেন পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলায়। এরপর পুরাতন মালদার মুচিয়া এলাকার ভারত- বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পারাপার হওয়ার সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে ধরা পড়ে যান ওই ২ বাংলাদেশি নারী। সোমবার(১৭ অক্টোবর) দিনগত রাতে এই ঘটনার পর ওই দুই বাংলাদেশিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর স্থানীয় পুলিশের হাতে তুলে দেয়  বিএসএফ কর্তৃপক্ষ।  

এদিন সকালে গ্রেফতার ২ বাংলাদেশিকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করার জন্য তাদের আদালতে পেশ করে পুরাতন মালদা থানার পুলিশ। ওই দুই বাংলাদেশি নারী পুলিশকে জানিয়েছেন, গত একমাস আগে  এক দালাল চক্রের খপ্পরে পড়েন তারা । সেই দালাল চক্র তাদেরকে বলেছিল, মুম্বাইয়ে ধনী ফ্ল্যাটে মোটা টাকার পরিচারিকার কাজ দেবেন। পুলিশকে জানায়, গত একমাস আগে মালদার মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের আদমপুর বর্ডার দিয়েই নদীপথ হয়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন ওই দুই নারী  । এরপর বাংলাদেশি দালাল চক্র তাদেরকে ভারতের নারীপাচার চক্রের কাছে তুলে দেয়। তারা ট্রেনে করে সেই পাচারকারীদের সঙ্গে মুম্বাই যান। কিছুদিন থাকার পরেই তারা বুঝতে পারে যে তাদেরকে নিষিদ্ধপল্লীতে দেড় লাখ রুপিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

এরপর তারা পরিকল্পনা করেন যে করেই হোক বাংলাদেশে ফিরে যাবেন। পরে তারা গত শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) কৌশলে মুম্বাইয়ের নিষিদ্ধ পল্লী থেকে পালিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মালদায় ফিরে আসেন। এরপর রোববার রাতে মালদায় এসে সিএনজি করে আদমপুর এলাকায় পৌঁছান। সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করলে বিএসএফের কর্তব্যরতদের নজরে আসে। সন্দেহজনকভাবে ওই দুই নারীকে ঘোরাফেরা করতে দেখেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এরপরই সমস্ত বিষয়ে প্রকাশ্যে আসে। ভুক্তভোগী এক নারী বলেন, দেশে আমাদের পরিবারের খুবই অভাব। একটা কাজ চেয়েছিলাম, টাকা রোজগার করবো বলে। কিন্তু দালালদের খপ্পরে এভাবে পড়ে যাবো ভাবতে পারিনি।  

প্রশাসনের কাছে তারা আবেদন করেছেন যে, আইনগতভাবে যাতে তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। মালদা থানার পুলিশ জানিয়েছে, এদিন দুই বাংলাদেশি নারী আদালতে তোলা হয়েছে। পাশাপাশি কোন দালাল চক্র ভারত সীমান্তে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সেটিও নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

অনলাইন ডেস্ক

১৮ অক্টোবর, ২০২২,  12:54 AM

news image

ভারতে কাজ দেওয়ার নাম করে দুই বাংলাদেশি নারীকে বিক্রি করে দেওয়া হয় মুম্বাইয়ের নিষিদ্ধপল্লীতে । কৌশলে পালিয়ে তারা সেখান থেকে  ফিরে আসেন পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলায়। এরপর পুরাতন মালদার মুচিয়া এলাকার ভারত- বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পারাপার হওয়ার সময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) হাতে ধরা পড়ে যান ওই ২ বাংলাদেশি নারী। সোমবার(১৭ অক্টোবর) দিনগত রাতে এই ঘটনার পর ওই দুই বাংলাদেশিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর স্থানীয় পুলিশের হাতে তুলে দেয়  বিএসএফ কর্তৃপক্ষ।  

এদিন সকালে গ্রেফতার ২ বাংলাদেশিকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করার জন্য তাদের আদালতে পেশ করে পুরাতন মালদা থানার পুলিশ। ওই দুই বাংলাদেশি নারী পুলিশকে জানিয়েছেন, গত একমাস আগে  এক দালাল চক্রের খপ্পরে পড়েন তারা । সেই দালাল চক্র তাদেরকে বলেছিল, মুম্বাইয়ে ধনী ফ্ল্যাটে মোটা টাকার পরিচারিকার কাজ দেবেন। পুলিশকে জানায়, গত একমাস আগে মালদার মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের আদমপুর বর্ডার দিয়েই নদীপথ হয়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন ওই দুই নারী  । এরপর বাংলাদেশি দালাল চক্র তাদেরকে ভারতের নারীপাচার চক্রের কাছে তুলে দেয়। তারা ট্রেনে করে সেই পাচারকারীদের সঙ্গে মুম্বাই যান। কিছুদিন থাকার পরেই তারা বুঝতে পারে যে তাদেরকে নিষিদ্ধপল্লীতে দেড় লাখ রুপিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

এরপর তারা পরিকল্পনা করেন যে করেই হোক বাংলাদেশে ফিরে যাবেন। পরে তারা গত শুক্রবার (১৪ অক্টোবর) কৌশলে মুম্বাইয়ের নিষিদ্ধ পল্লী থেকে পালিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মালদায় ফিরে আসেন। এরপর রোববার রাতে মালদায় এসে সিএনজি করে আদমপুর এলাকায় পৌঁছান। সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করলে বিএসএফের কর্তব্যরতদের নজরে আসে। সন্দেহজনকভাবে ওই দুই নারীকে ঘোরাফেরা করতে দেখেই তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এরপরই সমস্ত বিষয়ে প্রকাশ্যে আসে। ভুক্তভোগী এক নারী বলেন, দেশে আমাদের পরিবারের খুবই অভাব। একটা কাজ চেয়েছিলাম, টাকা রোজগার করবো বলে। কিন্তু দালালদের খপ্পরে এভাবে পড়ে যাবো ভাবতে পারিনি।  

প্রশাসনের কাছে তারা আবেদন করেছেন যে, আইনগতভাবে যাতে তাদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। মালদা থানার পুলিশ জানিয়েছে, এদিন দুই বাংলাদেশি নারী আদালতে তোলা হয়েছে। পাশাপাশি কোন দালাল চক্র ভারত সীমান্তে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সেটিও নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে।