শিরোনামঃ
পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি রয়েল বিশ্ববিদ্যালয় অব ঢাকা ছাত্রদল কর্তৃক আয়োজিত বৃক্ষরোপণ ও খেলার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ক্ষমতার আড়ালে শিল্প সাম্রাজ্য: পুলিশ কর্মকর্তার ছায়ায় বেনামে ৯৫ কোটি টাকার সম্পদের অভিযোগ

পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ

#
news image

ঢাকার সূত্রাপুরের আবাসন ব্যবসায়ী মো. ইকবাল লিটন অভিযোগ করেছেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের অংশীদার এ এইচ এম কামরুল আলম ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে সিমেন্ট তুলে গোপনে বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তাঁর দাবি, এই ঘটনায় তিনি প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার আর্থিক দায়ে পড়েন।ইকবালের দেওয়া লিখিত বিবরণ ও তাতে উল্লেখ করা নথির তথ্য অনুযায়ী, বিরোধ মেটাতে ২০১৯ সালের মার্চে উভয় পক্ষ একটি পাওনা-দেনা সংক্রান্ত অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন। পরে কামরুল আলম নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের একটি জমি এবং ঢাকার সূত্রাপুরের একটি ফ্ল্যাট নিয়ে দুটি নিবন্ধিত অপ্রত্যাহারযোগ্য আমমোক্তারনামা দেন। ইকবালের দাবি, ওই ক্ষমতাবলে সম্পত্তি দুটি বিক্রি করে তিনি ৬০ লাখ টাকা আদায় করেন। বাকি ২৯ লাখ ২০ হাজার ৯৫০ টাকার জন্য দুটি চেক নেওয়া হলেও অর্থ পরিশোধ হয়নি।এ ঘটনায় ইকবাল ২০২৬ সালের ২০ মে সূত্রাপুর আমলি আদালতে সিআর মামলা নম্বর ১৮০/২০২৬ করেন বলে তাঁর বিবরণে উল্লেখ আছে। মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের —পিবিআই এস আই মনতো চন্দ্র দাস তদন্তপূর্বক রিপোর্ট পেশ করেন যেখানে বলা হয় এইচ এম কামরুল আলম অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত করেন বলে তিনি দাবি করেছেন। তবে মামলার এজাহার, আদালতের আদেশ, তদন্তের বর্তমান অগ্রগতি এবং চেক দুটির ব্যাংক-সংক্রান্ত নথি স্বাধীনভাবে যাচাই করে  সত্যতা পাওয়া যায়।
ইকবালের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি ২০১৫ সালের ১৪ অক্টোবর ‘মেসার্স খাজা ট্রেডিং কর্পোরেশন’ নামে একটি সিমেন্ট ডিলার প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। পরে শাহ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজের কাছ থেকে ডিলারশিপ পান এবং ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল একচেটিয়া পরিবেশক নিয়োগ-সংক্রান্ত একটি চুক্তি করেন। এ প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স ও কর-সংক্রান্ত নথিও তাঁর কাছে ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।তিনি দাবি করেছেন, ব্যবসা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার পাশাপাশি কামরুল আলমকে বিনা মূলধনে অংশীদার করা হয়েছিল। এ জন্য অংশীদারি দলিল বা চুক্তি করা হয়। পরবর্তী সময়ে কামরুল তাঁর আস্থার সুযোগ নিয়ে প্রতিষ্ঠানের মূলধন সরিয়ে নেন—এমন অভিযোগ করেছেন ইকবাল।লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ইকবালের দেওয়া ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে কামরুল সিমেন্ট উত্তোলন করেন। এরপর সেই পণ্য গোপনে বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে ব্যাংক গ্যারান্টি, ডিলারশিপ চুক্তি, পণ্য উত্তোলনের চালান, বিক্রয় হিসাব এবং শাহ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজের মামলা-সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করে সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়। 

অঙ্গীকারনামা ও সম্পত্তি বিক্রির প্রশ্নে ইকবালের বর্ণনা অনুযায়ী, পাওনা পরিশোধের সমঝোতার অংশ হিসেবে কামরুল আলম  ২০১৯ সালের ২৯ মে সিদ্ধিরগঞ্জ মৌজায় ৭৩৩ অযুতাংশ জমি এবং একই দিনে ঢাকার সূত্রাপুর মৌজায় ৬৪১ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটের জন্য দুটি নিবন্ধিত অপ্রত্যাহারযোগ্য আমমোক্তারনামা দেন। ইকবালের দাবি, দলিল দুটি কামরুল নিজে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে উপস্থিত হয়ে স্বেচ্ছায় সম্পাদন করেন।পরে জমিটি ২০২০ সালের ১৩ আগস্ট এবং ফ্ল্যাটটি ২০২০ সালের ১৫ জুলাই বিক্রি করা হয় বলে বিবরণে বলা হয়েছে। বিক্রি থেকে যথাক্রমে ৩৮ লাখ ও ২২ লাখ টাকা, মোট ৬০ লাখ টাকা আদায়ের কথা উল্লেখ করেছেন ইকবাল। এরপর বাকি পাওনা বাবদ ২৯ লাখ ২০ হাজার ৯৫০ টাকার দুটি চেক গ্রহণ করা হয়।তবে জমি ও ফ্ল্যাটের মালিকানা, দলিলের শর্ত, বিক্রয়মূল্য, অর্থ গ্রহণের প্রমাণ এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য আমমোক্তারনামার আইনগত বৈধতা—এসব বিষয়ে দলিল যাচাই ও আদালতের বক্তব্য প্রয়োজন। পরবর্তী সময়ে কামরুল আলম ওই সম্পত্তি-সংক্রান্ত দলিল বাতিল এবং প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেছেন বলে ইকবাল দাবি করেছেন। ফলে সম্পত্তি হস্তান্তরের বৈধতা এখন বিচারাধীন প্রশ্নের অংশ হতে পারে।

আরও ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইকবাল আরও অভিযোগ করেছেন, খাজা ট্রেডিং কর্পোরেশনের পাওনা আদায়ের জন্য করা একটি নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট—এনআই অ্যাক্ট—মামলা পরিচালনার দায়িত্ব কামরুলকে দেওয়া হয়েছিল। ওই মামলায় একজন দেনাদারের সঙ্গে গোপনে আপস করে ১০ লাখ টাকার মধ্যে ৮ লাখ টাকা কামরুল আত্মসাৎ করেন বলে তাঁর দাবি।অভিযোগটি নিয়ে ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ফৌজদারি মামলা নম্বর ৩৩৪/২০২৬ করা হয়েছে বলে ইকবালের বিবরণে উল্লেখ আছে। পাল্টা মামলা ও পিবিআই প্রতিবেদন নিয়ে অভিযোগ ইকবালের দাবি, তিনি ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করার পর কামরুল আলম তাঁর বিরুদ্ধে সম্পত্তি-সংক্রান্ত দলিল বাতিল ও প্রতারণার অভিযোগে একাধিক মামলা করেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মামলাগুলো হলো—নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সিআর মামলা নম্বর ২৬৯/২০২৬; নারায়ণগঞ্জের যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে দেওয়ানি মামলা নম্বর ০৫/২০২৬; এবং ঢাকার সিভিল জজ আদালত ৭-এ দেওয়ানি মামলা নম্বর ০৩/২০২৬।তিনি পিবিআইয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগও করেছেন। ইকবালের দাবি, তাঁর পক্ষের সাক্ষ্য ও প্রমাণ গ্রহণের সুযোগ না দিয়েই প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। 
সিআইডি প্রতিবেদনের দাবিও ইকবালের লিখিত বিবরণে বলা হয়েছে, ঢাকার ১ম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের একটি মামলায় প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ তদন্ত করে সিআইডির একজন কর্মকর্তা প্রতিবেদন দিয়েছেন এবং আদালত কামরুল আলমের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,  1:17 PM

news image

ঢাকার সূত্রাপুরের আবাসন ব্যবসায়ী মো. ইকবাল লিটন অভিযোগ করেছেন, তাঁর প্রতিষ্ঠানের অংশীদার এ এইচ এম কামরুল আলম ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে সিমেন্ট তুলে গোপনে বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। তাঁর দাবি, এই ঘটনায় তিনি প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার আর্থিক দায়ে পড়েন।ইকবালের দেওয়া লিখিত বিবরণ ও তাতে উল্লেখ করা নথির তথ্য অনুযায়ী, বিরোধ মেটাতে ২০১৯ সালের মার্চে উভয় পক্ষ একটি পাওনা-দেনা সংক্রান্ত অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেন। পরে কামরুল আলম নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের একটি জমি এবং ঢাকার সূত্রাপুরের একটি ফ্ল্যাট নিয়ে দুটি নিবন্ধিত অপ্রত্যাহারযোগ্য আমমোক্তারনামা দেন। ইকবালের দাবি, ওই ক্ষমতাবলে সম্পত্তি দুটি বিক্রি করে তিনি ৬০ লাখ টাকা আদায় করেন। বাকি ২৯ লাখ ২০ হাজার ৯৫০ টাকার জন্য দুটি চেক নেওয়া হলেও অর্থ পরিশোধ হয়নি।এ ঘটনায় ইকবাল ২০২৬ সালের ২০ মে সূত্রাপুর আমলি আদালতে সিআর মামলা নম্বর ১৮০/২০২৬ করেন বলে তাঁর বিবরণে উল্লেখ আছে। মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের —পিবিআই এস আই মনতো চন্দ্র দাস তদন্তপূর্বক রিপোর্ট পেশ করেন যেখানে বলা হয় এইচ এম কামরুল আলম অপরাধী হিসেবে সাব্যস্ত করেন বলে তিনি দাবি করেছেন। তবে মামলার এজাহার, আদালতের আদেশ, তদন্তের বর্তমান অগ্রগতি এবং চেক দুটির ব্যাংক-সংক্রান্ত নথি স্বাধীনভাবে যাচাই করে  সত্যতা পাওয়া যায়।
ইকবালের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি ২০১৫ সালের ১৪ অক্টোবর ‘মেসার্স খাজা ট্রেডিং কর্পোরেশন’ নামে একটি সিমেন্ট ডিলার প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। পরে শাহ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজের কাছ থেকে ডিলারশিপ পান এবং ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল একচেটিয়া পরিবেশক নিয়োগ-সংক্রান্ত একটি চুক্তি করেন। এ প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স ও কর-সংক্রান্ত নথিও তাঁর কাছে ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।তিনি দাবি করেছেন, ব্যবসা পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার পাশাপাশি কামরুল আলমকে বিনা মূলধনে অংশীদার করা হয়েছিল। এ জন্য অংশীদারি দলিল বা চুক্তি করা হয়। পরবর্তী সময়ে কামরুল তাঁর আস্থার সুযোগ নিয়ে প্রতিষ্ঠানের মূলধন সরিয়ে নেন—এমন অভিযোগ করেছেন ইকবাল।লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, ইকবালের দেওয়া ১ কোটি ৫০ লাখ টাকার ব্যাংক গ্যারান্টির বিপরীতে কামরুল সিমেন্ট উত্তোলন করেন। এরপর সেই পণ্য গোপনে বিক্রি করে অর্থ আত্মসাৎ করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে ব্যাংক গ্যারান্টি, ডিলারশিপ চুক্তি, পণ্য উত্তোলনের চালান, বিক্রয় হিসাব এবং শাহ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজের মামলা-সংক্রান্ত নথি পর্যালোচনা করে সত্যতা খুঁজে পাওয়া যায়। 

অঙ্গীকারনামা ও সম্পত্তি বিক্রির প্রশ্নে ইকবালের বর্ণনা অনুযায়ী, পাওনা পরিশোধের সমঝোতার অংশ হিসেবে কামরুল আলম  ২০১৯ সালের ২৯ মে সিদ্ধিরগঞ্জ মৌজায় ৭৩৩ অযুতাংশ জমি এবং একই দিনে ঢাকার সূত্রাপুর মৌজায় ৬৪১ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাটের জন্য দুটি নিবন্ধিত অপ্রত্যাহারযোগ্য আমমোক্তারনামা দেন। ইকবালের দাবি, দলিল দুটি কামরুল নিজে সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে উপস্থিত হয়ে স্বেচ্ছায় সম্পাদন করেন।পরে জমিটি ২০২০ সালের ১৩ আগস্ট এবং ফ্ল্যাটটি ২০২০ সালের ১৫ জুলাই বিক্রি করা হয় বলে বিবরণে বলা হয়েছে। বিক্রি থেকে যথাক্রমে ৩৮ লাখ ও ২২ লাখ টাকা, মোট ৬০ লাখ টাকা আদায়ের কথা উল্লেখ করেছেন ইকবাল। এরপর বাকি পাওনা বাবদ ২৯ লাখ ২০ হাজার ৯৫০ টাকার দুটি চেক গ্রহণ করা হয়।তবে জমি ও ফ্ল্যাটের মালিকানা, দলিলের শর্ত, বিক্রয়মূল্য, অর্থ গ্রহণের প্রমাণ এবং অপ্রত্যাহারযোগ্য আমমোক্তারনামার আইনগত বৈধতা—এসব বিষয়ে দলিল যাচাই ও আদালতের বক্তব্য প্রয়োজন। পরবর্তী সময়ে কামরুল আলম ওই সম্পত্তি-সংক্রান্ত দলিল বাতিল এবং প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেছেন বলে ইকবাল দাবি করেছেন। ফলে সম্পত্তি হস্তান্তরের বৈধতা এখন বিচারাধীন প্রশ্নের অংশ হতে পারে।

আরও ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ইকবাল আরও অভিযোগ করেছেন, খাজা ট্রেডিং কর্পোরেশনের পাওনা আদায়ের জন্য করা একটি নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট—এনআই অ্যাক্ট—মামলা পরিচালনার দায়িত্ব কামরুলকে দেওয়া হয়েছিল। ওই মামলায় একজন দেনাদারের সঙ্গে গোপনে আপস করে ১০ লাখ টাকার মধ্যে ৮ লাখ টাকা কামরুল আত্মসাৎ করেন বলে তাঁর দাবি।অভিযোগটি নিয়ে ২০২৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ফৌজদারি মামলা নম্বর ৩৩৪/২০২৬ করা হয়েছে বলে ইকবালের বিবরণে উল্লেখ আছে। পাল্টা মামলা ও পিবিআই প্রতিবেদন নিয়ে অভিযোগ ইকবালের দাবি, তিনি ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা করার পর কামরুল আলম তাঁর বিরুদ্ধে সম্পত্তি-সংক্রান্ত দলিল বাতিল ও প্রতারণার অভিযোগে একাধিক মামলা করেন। তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মামলাগুলো হলো—নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সিআর মামলা নম্বর ২৬৯/২০২৬; নারায়ণগঞ্জের যুগ্ম জেলা জজ প্রথম আদালতে দেওয়ানি মামলা নম্বর ০৫/২০২৬; এবং ঢাকার সিভিল জজ আদালত ৭-এ দেওয়ানি মামলা নম্বর ০৩/২০২৬।তিনি পিবিআইয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগও করেছেন। ইকবালের দাবি, তাঁর পক্ষের সাক্ষ্য ও প্রমাণ গ্রহণের সুযোগ না দিয়েই প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে। 
সিআইডি প্রতিবেদনের দাবিও ইকবালের লিখিত বিবরণে বলা হয়েছে, ঢাকার ১ম যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালতের একটি মামলায় প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগ তদন্ত করে সিআইডির একজন কর্মকর্তা প্রতিবেদন দিয়েছেন এবং আদালত কামরুল আলমের বিরুদ্ধে সমন জারি করেছেন।