শিরোনামঃ
স্বপ্নপূরণের পথে জেরিন: এইচএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী

অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী

#
news image

অপরাধমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও নৈতিকতাসম্পন্ন সমাজ বিনির্মাণে ইমাম ও মসজিদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী এমপি। তিনি বলেন, মসজিদকে শুধু নামাজ আদায়ের স্থান হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক সচেতনতা ও অপরাধ প্রতিরোধের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর )রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন সেমিনার হলে জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘অপরাধমুক্ত সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে ইমাম ও মসজিদের ভূমিকা’ শীর্ষক জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জনাব নুরুল হক নুর, কামরুজ্জামান রতন এমপি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি মুফতি আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া। সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মুফতি আ ফ ম আকরাম হোসাইন, মুফতী সাইফুল্লাহ নোমানী ও মাওলানা আব্দুস সালাম এর যৌথ সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী, মাওলানা সাখাওয়াত হুসাইন, মাওলানা খলিলুর রহমান নেছারাবাদী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভর্নর মুফতী মুনির হোসাইন কাসেমী, মাওলানা আজহারুল ইসলাম, মুফতি শরীফুল্লাহ, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম কাসেমী, মাওলানা সালমান আহমাদ, মাওলানা আব্দুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, মাওলানা আবু মুহাম্মদ রাহমানী, মুফতী লুৎফর রহমান ফরায়জী, মুফতী মাসুম বিল্লাহ, মাওলানা আব্দুল আউওয়াল, হেফাজতের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ, ড. হারুনুর রশীদ, মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, মুফতী আদনান মাসঊদ, মাওলানা কাজী মামুনুর রশীদ খান ইউসুফী, মাওলানা আব্দুল গাফফার, মুফতী জুনায়েদ আহমাদ, মুফতী রাকিব উদ্দীন, মুফতী ইবরাহীম খলীল, মাওলানা আব্দুর রহমান বেতাগী, মাওলানা হেদায়াতুল্লাহ ফয়াজী, মাওলানা ফশজুল্লাহ বিন মুখতার, মাওলানা মঞ্জুরুল হাসান নাদিম, মুফতী সুলতান আহমাদ, মাওলানা ফয়সাল হাবিবীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ইমাম-খতিবগণ। বক্তারা বলেন, সমাজে মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, কিশোর অপরাধ, পারিবারিক অশান্তি ও নানা ধরনের নৈতিক অবক্ষয় ক্রমেই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব অপরাধ ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে ইমাম-খতিবগণ জুমার খুতবা, ওয়াজ-নসিহত ও নিয়মিত ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আল্লাহভীতি, নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে পারেন। তারা আরও বলেন, কোরআন-সুন্নাহর আদর্শ ব্যক্তি ও সমাজজীবনে বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের চরিত্র গঠন করা সম্ভব। একজন ইমাম তার এলাকার মানুষের নৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্ব দিতে পারেন। তাই ইমামদের যথাযথ প্রশিক্ষণ, সামাজিক মর্যাদা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মসজিদকেন্দ্রিক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

সম্মেলনে বক্তারা দেশের প্রতিটি মসজিদকে সমাজ সংস্কার ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস, অশ্লীলতা ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে ইমাম-খতিবদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আগত ইমাম-খতিব ও ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা অপরাধমুক্ত ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে ইমাম-খতিবদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

 

ডেস্ক নিউজ

১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,  11:48 AM

news image

অপরাধমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও নৈতিকতাসম্পন্ন সমাজ বিনির্মাণে ইমাম ও মসজিদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী এমপি। তিনি বলেন, মসজিদকে শুধু নামাজ আদায়ের স্থান হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক সচেতনতা ও অপরাধ প্রতিরোধের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর )রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন সেমিনার হলে জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিত ‘অপরাধমুক্ত সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে ইমাম ও মসজিদের ভূমিকা’ শীর্ষক জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানী প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী জনাব নুরুল হক নুর, কামরুজ্জামান রতন এমপি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় ইমাম পরিষদ বাংলাদেশের সভাপতি মুফতি আব্দুল্লাহ ইয়াহইয়া। সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মুফতি আ ফ ম আকরাম হোসাইন, মুফতী সাইফুল্লাহ নোমানী ও মাওলানা আব্দুস সালাম এর যৌথ সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন, হেফাজতের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা আহমাদ আলী কাসেমী, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী, মাওলানা সাখাওয়াত হুসাইন, মাওলানা খলিলুর রহমান নেছারাবাদী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের গভর্নর মুফতী মুনির হোসাইন কাসেমী, মাওলানা আজহারুল ইসলাম, মুফতি শরীফুল্লাহ, মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম কাসেমী, মাওলানা সালমান আহমাদ, মাওলানা আব্দুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, মাওলানা আবু মুহাম্মদ রাহমানী, মুফতী লুৎফর রহমান ফরায়জী, মুফতী মাসুম বিল্লাহ, মাওলানা আব্দুল আউওয়াল, হেফাজতের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদ, ড. হারুনুর রশীদ, মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, মুফতী আদনান মাসঊদ, মাওলানা কাজী মামুনুর রশীদ খান ইউসুফী, মাওলানা আব্দুল গাফফার, মুফতী জুনায়েদ আহমাদ, মুফতী রাকিব উদ্দীন, মুফতী ইবরাহীম খলীল, মাওলানা আব্দুর রহমান বেতাগী, মাওলানা হেদায়াতুল্লাহ ফয়াজী, মাওলানা ফশজুল্লাহ বিন মুখতার, মাওলানা মঞ্জুরুল হাসান নাদিম, মুফতী সুলতান আহমাদ, মাওলানা ফয়সাল হাবিবীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ইমাম-খতিবগণ। বক্তারা বলেন, সমাজে মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি, কিশোর অপরাধ, পারিবারিক অশান্তি ও নানা ধরনের নৈতিক অবক্ষয় ক্রমেই উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব অপরাধ ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে ইমাম-খতিবগণ জুমার খুতবা, ওয়াজ-নসিহত ও নিয়মিত ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আল্লাহভীতি, নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে পারেন। তারা আরও বলেন, কোরআন-সুন্নাহর আদর্শ ব্যক্তি ও সমাজজীবনে বাস্তবায়নের মাধ্যমে মানুষের চরিত্র গঠন করা সম্ভব। একজন ইমাম তার এলাকার মানুষের নৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্ব দিতে পারেন। তাই ইমামদের যথাযথ প্রশিক্ষণ, সামাজিক মর্যাদা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মসজিদকেন্দ্রিক জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

সম্মেলনে বক্তারা দেশের প্রতিটি মসজিদকে সমাজ সংস্কার ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত করার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে মাদক, সন্ত্রাস, অশ্লীলতা ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে ইমাম-খতিবদের আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সম্মেলনে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা থেকে আগত ইমাম-খতিব ও ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা অপরাধমুক্ত ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণে ইমাম-খতিবদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।