শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ

#
news image

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নতুন কমিটি নিয়ে অস্থিরতা ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগের সাবেক নেতাদের কমিটিতে জায়গা দেওয়া হয়েছে।

এ নিয়ে পদ বাণিজ্যের গুঞ্জনও রয়েছে। বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের স্বাক্ষর। ১ সেপ্টেম্বর জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, বিআইডব্লিউটিএ ইউনিট কমিটি অনুমোদনে তাঁর স্বাক্ষরের অপব্যবহার হয়েছে এবং সেটি বাতিল ও অকার্যকর।

ছয় দিন পর, ৭ সেপ্টেম্বর কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করা হয়। এ অবস্থান পরিবর্তন ঘিরে সংগঠনের ভেতরে প্রশ্ন ও গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। মতিঝিলের প্রধান কার্যালয় ও সদরঘাট টার্মিনালে কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাঁদের একাংশ কমিটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেছেন, গত ১৫ বছরে হামলা, মামলা ও বরখাস্তের শিকার কর্মীরা উপেক্ষিত হয়েছেন, অথচ আগের সরকারের সুবিধাভোগী শ্রমিক লীগ নেতারা গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন। কমিটি ঘিরে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়া এবং পক্ষ-বিপক্ষে সংঘাতের আশঙ্কাও করছেন তাঁরা।

পুরোনো নথি অনুযায়ী, কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত বা পদপ্রত্যাশী মাজহারুল ইসলাম, শাহিন উদ্দিন খান ও জিয়াদ উদ্দীন অতীতে শ্রমিক লীগের বিভিন্ন পদে ছিলেন। তাঁদের সাংগঠনিক যাচাই ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো নিয়ে সমালোচনা চলছে। পদবঞ্চিতদের অভিযোগ, মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে পদ বাণিজ্য করে কমিটির অনুমোদন নেওয়া হয়েছে।

প্রকাশ্যে ব্যাংকিং প্রমাণ না থাকলেও, স্বাক্ষর বাতিল ও প্রত্যাহারের ঘটনাকে তাঁরা সন্দেহজনক বলছেন। তাঁরা কমিটি বাতিল করে নিরপেক্ষ উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। আনোয়ার হোসাইনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। কেন্দ্রীয় দপ্তরের এক নেতা জানিয়েছেন, নেতৃত্ব বিতর্ক সম্পর্কে অবগত এবং বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন

১৭ অক্টোবর, ২০২৬,  8:40 PM

news image
জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি - আনোয়ার হোসাইন

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নতুন কমিটি নিয়ে অস্থিরতা ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অভিযোগ, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন জাতীয় শ্রমিক লীগের সাবেক নেতাদের কমিটিতে জায়গা দেওয়া হয়েছে।

এ নিয়ে পদ বাণিজ্যের গুঞ্জনও রয়েছে। বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আনোয়ার হোসাইনের স্বাক্ষর। ১ সেপ্টেম্বর জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, বিআইডব্লিউটিএ ইউনিট কমিটি অনুমোদনে তাঁর স্বাক্ষরের অপব্যবহার হয়েছে এবং সেটি বাতিল ও অকার্যকর।

ছয় দিন পর, ৭ সেপ্টেম্বর কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই বিজ্ঞপ্তিটি প্রত্যাহার করা হয়। এ অবস্থান পরিবর্তন ঘিরে সংগঠনের ভেতরে প্রশ্ন ও গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। মতিঝিলের প্রধান কার্যালয় ও সদরঘাট টার্মিনালে কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তাঁদের একাংশ কমিটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেছেন, গত ১৫ বছরে হামলা, মামলা ও বরখাস্তের শিকার কর্মীরা উপেক্ষিত হয়েছেন, অথচ আগের সরকারের সুবিধাভোগী শ্রমিক লীগ নেতারা গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন। কমিটি ঘিরে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়া এবং পক্ষ-বিপক্ষে সংঘাতের আশঙ্কাও করছেন তাঁরা।

পুরোনো নথি অনুযায়ী, কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত বা পদপ্রত্যাশী মাজহারুল ইসলাম, শাহিন উদ্দিন খান ও জিয়াদ উদ্দীন অতীতে শ্রমিক লীগের বিভিন্ন পদে ছিলেন। তাঁদের সাংগঠনিক যাচাই ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে বসানো নিয়ে সমালোচনা চলছে। পদবঞ্চিতদের অভিযোগ, মধ্যস্বত্বভোগী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এবং কেন্দ্রীয় পর্যায়ে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে পদ বাণিজ্য করে কমিটির অনুমোদন নেওয়া হয়েছে।

প্রকাশ্যে ব্যাংকিং প্রমাণ না থাকলেও, স্বাক্ষর বাতিল ও প্রত্যাহারের ঘটনাকে তাঁরা সন্দেহজনক বলছেন। তাঁরা কমিটি বাতিল করে নিরপেক্ষ উচ্চপর্যায়ের তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। আনোয়ার হোসাইনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও সাড়া পাওয়া যায়নি। কেন্দ্রীয় দপ্তরের এক নেতা জানিয়েছেন, নেতৃত্ব বিতর্ক সম্পর্কে অবগত এবং বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।