শিরোনামঃ
দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের জেরে ১০ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, হয়রানির অভিযোগ অনিয়ম ও দুর্নীতির পাহাড়, , রয়েল ইউনিভার্সিটি ঢাকা দেখার কেউ নেই,,,, ​বিয়ানীবাজারে পথরোধ করে হামলা: কুরবানির গরু কেনার টাকাসহ লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই, থানায় মামলা উন্নয়নের কফিনে কোটি টাকার লাশ: এলজিইডিতে "ভূতুড়ে প্রকল্প" সাম্রাজ্যের নেপথ্যে শেখ মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম! পাবনা সিভিল সার্জন অফিসের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্ত দাবি ফরিদগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজে অনিয়মের অভিযোগে আলোচনায় অধ্যাপক শাহ মোঃ মাছুম মিয়া আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব ছাড়া নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবা সম্ভব নয়: বিএবি কর্মশালা প্রতিমন্ত্রী হতে পারে মাওলানা শামীম সকলের সময়ের নির্বাহী সম্পাদককে হত্যার হুমকি রায়পুরায় মেঘনা গ্রুপের থাবায় ফসলি, অকৃষি, সরকারি খাস জমি ও কাঁকন নদী

ষোড়শ সংশোধনী রায়ের রিভিউ আবেদন শুনানির কার্যতালিকায়

#
news image

বহুল আলোচিত বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে এনে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেয়া আপিল বিভাগের রায় রিভিউ আবেদন শুনানির জন্য কার্যতালিকায় এসেছে। সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত আপিল বিভাগের আজ বৃহস্পতিবারের কার্যতালিকায় রিভিউ আবেদনটি শুনানির জন্য ২২৭ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে। গত ৮ আগস্ট আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্ট বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেয়া আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন শুনানির জন্য ২০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। সে অনুয়ায়ি বিষয়টি আজ কার্যতালিকায় এসেছে। বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে এনে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেয়া আপিল বিভাগের রায় রিভিউ চেয়ে ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর আবেদন দাখিল করা হয়। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রাষ্ট্রপক্ষ ৯০৮ পৃষ্ঠার এ রিভিউ আবেদনে ষোড়শ সংশোধনীর পক্ষে ৯৪টি যুক্তি দেখিয়ে আপিল বিভাগের রায় বাতিল চাওয়া হয়েছে। 

২০১৭ সালের ৩ জুলাই আপিল বিভাগ ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। ২০১৭ সালের ৮ মে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু হয়। আপিল শুনানিতে ১০ জন বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) হিসেবে বিষয়টি নিয়ে আদালতে মত দেন। অ্যামিকাস কিউরিগন ছিলেন- ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার এম. আমীর-উল ইসলাম, টিএইচ খান, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, আজমালুল হোসেন কিউসি, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম আই ফারুকী, আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, জেনারেল এ এফ এম হাসান আরিফ  ফিদা এম কামাল, এ জে মোহাম্মদ আলী। ২০১৬ সালের ৫ মে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ বলে রায় ঘোষণা করেন। ২০১৬ সালের ১১ আগস্ট হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করা হয়।

অনলাইন ডেস্ক

২০ অক্টোবর, ২০২২,  9:21 PM

news image

বহুল আলোচিত বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে এনে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেয়া আপিল বিভাগের রায় রিভিউ আবেদন শুনানির জন্য কার্যতালিকায় এসেছে। সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত আপিল বিভাগের আজ বৃহস্পতিবারের কার্যতালিকায় রিভিউ আবেদনটি শুনানির জন্য ২২৭ নম্বর ক্রমিকে রয়েছে। গত ৮ আগস্ট আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্ট বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেয়া আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন শুনানির জন্য ২০ অক্টোবর দিন ধার্য করেন। সে অনুয়ায়ি বিষয়টি আজ কার্যতালিকায় এসেছে। বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে এনে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে দেয়া আপিল বিভাগের রায় রিভিউ চেয়ে ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর আবেদন দাখিল করা হয়। আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রাষ্ট্রপক্ষ ৯০৮ পৃষ্ঠার এ রিভিউ আবেদনে ষোড়শ সংশোধনীর পক্ষে ৯৪টি যুক্তি দেখিয়ে আপিল বিভাগের রায় বাতিল চাওয়া হয়েছে। 

২০১৭ সালের ৩ জুলাই আপিল বিভাগ ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দেন। ২০১৭ সালের ৮ মে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু হয়। আপিল শুনানিতে ১০ জন বিশিষ্ট আইনজীবী অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) হিসেবে বিষয়টি নিয়ে আদালতে মত দেন। অ্যামিকাস কিউরিগন ছিলেন- ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার এম. আমীর-উল ইসলাম, টিএইচ খান, ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ, আজমালুল হোসেন কিউসি, জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এম আই ফারুকী, আব্দুল ওয়াদুদ ভূঁইয়া, জেনারেল এ এফ এম হাসান আরিফ  ফিদা এম কামাল, এ জে মোহাম্মদ আলী। ২০১৬ সালের ৫ মে বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী, বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আশরাফুল কামালের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতের ভিত্তিতে ষোড়শ সংশোধনী অবৈধ বলে রায় ঘোষণা করেন। ২০১৬ সালের ১১ আগস্ট হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করা হয়।