শিরোনামঃ
বিআইডব্লিউটিএ শ্রমিক দলের কমিটি ঘিরে পদায়ন ও পদ বাণিজ্যের অভিযোগ মহানগর নাট্যমঞ্চ এখন অপরাধীদের অভয়ারণ্য পিবিআই এর এস আই সৈয়দ দেলোয়ার হোসেন এর একতরফা ও মনগড়া তদন্ত রিপোর্ট সংস্থার কার্যক্রমকে করছে প্রশ্নবিদ্ধ গুলশানের মিছিলে নেতৃত্বে দেওয়া ধর্ষণের আসামি গ্রেপ্তার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবৃত্তি ও ভাইস চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড পেলেন মতলবের ঝর্ণা অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইমাম-মসজিদের ভূমিকা অপরিসীম: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে পানি সম্পদ মন্ত্রী মামলা হলেও গ্রেপ্তার নেই: টুঙ্গিপাড়ায় বৃদ্ধার গাছ কেটে বসতভিটা দখলের অভিযোগ পাট মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রায়না চক্রের জুলুম মামলা-কারাবরণ পেরিয়ে ১০ নং পূর্ব ফতেহপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী তোফায়েল পাটোয়ারী নুরুন্নবী দুর্নীতির মহাকবি

সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

#
news image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমাদের সামনে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। জঙ্গিবাদ দমনে সফলতা আসলেও যুবসমাজকে মাদকের কুফল, ইভটিজিং এমনকি কিশোর গ্যাং এর মতো অপরাধ পুলিশের পাশাপাশি সামাজিকভাবেও প্রতিরোধ করতে হবে। শনিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, জনগণ পাশে থাকলে সব কিছু মোকাবিলা করা যায়। জঙ্গি দমনে আমরা সফলতা পেয়েছি। জঙ্গির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলাম। পুলিশের পাশাপাশি জনগণ এগিয়ে আসায় তা রোধ করা গেছে। এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ আছ। ইভটিজিং, মাদকের কুফল থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে হবে। মোবাইল, ফেসবুকে অপপ্রচার করা হচ্ছে। এসব রোধে কাজ করতে  হবে। করোনাকালীন সময়ে কিশোর গ্যাং সৃষ্টি হয়েছে।  মূলত এ সময় স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে বিরত থাকে। এ কারণে গ্যাং কালচার গড়ে ওঠে । 

তিনি আরও বলেন, দুর্বার গতিতে দেশ চলছে। কমিউনিটি পুলিশও অনেক এগিয়েছে। সাবেক আইজিপি শহীদুল হক এর হাত ধরে এর যাত্রা শুরু হয়। আর  বিট পুলিশিং শুরু করেন সাবেক আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ।  এসবের দ্বারা সমাজের সঙ্গে মিশে যায় পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর মাধ্যমে অপরাধ দমন করা অনেকাংশে সম্ভব হয়েছে। 

মন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং ও বিট পুলিশিং বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে আছে। মূলত এ দুটি পদ্ধতির কারণে আপামর জনসাধারণের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিশে যায়। তারা একে অপরের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান খুব সহজেই করতে পারে।  পাশাপাশি সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী কারা তাদের সহজে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা যায়। আমি বলতে পারি, এ দুটি পদ্ধতির কারণে দেশের আইনশৃঙ্খলা অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।  আমাদের পুলিশ সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তাতে করে আগামীতে রাষ্ট্রের ভেতর বিশৃঙ্খলা করার কেউ সাহস পাবে না। আর কমিউনিটি পুলিশিংয়ে এলাকাভিত্তিক যারা দায়িত্ব পালন করছেন তারা শুধু নিজের জন্য নয় রাষ্ট্রের কথা চিন্তা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করবেন। এর উপকার শুধু আপনি বা আপনার পরিবার নয় পুরো সমাজ ভোগ করবে।

অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিদায়ী ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মুখ্য সঞ্চালক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী।

অনলাইন ডেস্ক

২৯ অক্টোবর, ২০২২,  11:27 PM

news image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমাদের সামনে এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। জঙ্গিবাদ দমনে সফলতা আসলেও যুবসমাজকে মাদকের কুফল, ইভটিজিং এমনকি কিশোর গ্যাং এর মতো অপরাধ পুলিশের পাশাপাশি সামাজিকভাবেও প্রতিরোধ করতে হবে। শনিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, জনগণ পাশে থাকলে সব কিছু মোকাবিলা করা যায়। জঙ্গি দমনে আমরা সফলতা পেয়েছি। জঙ্গির বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিলাম। পুলিশের পাশাপাশি জনগণ এগিয়ে আসায় তা রোধ করা গেছে। এখনও অনেক চ্যালেঞ্জ আছ। ইভটিজিং, মাদকের কুফল থেকে যুব সমাজকে রক্ষা করতে হবে। মোবাইল, ফেসবুকে অপপ্রচার করা হচ্ছে। এসব রোধে কাজ করতে  হবে। করোনাকালীন সময়ে কিশোর গ্যাং সৃষ্টি হয়েছে।  মূলত এ সময় স্কুল, কলেজ বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা থেকে বিরত থাকে। এ কারণে গ্যাং কালচার গড়ে ওঠে । 

তিনি আরও বলেন, দুর্বার গতিতে দেশ চলছে। কমিউনিটি পুলিশও অনেক এগিয়েছে। সাবেক আইজিপি শহীদুল হক এর হাত ধরে এর যাত্রা শুরু হয়। আর  বিট পুলিশিং শুরু করেন সাবেক আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ।  এসবের দ্বারা সমাজের সঙ্গে মিশে যায় পুলিশ বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এর মাধ্যমে অপরাধ দমন করা অনেকাংশে সম্ভব হয়েছে। 

মন্ত্রী বলেন, কমিউনিটি পুলিশিং ও বিট পুলিশিং বিশ্বের অনেক উন্নত দেশে আছে। মূলত এ দুটি পদ্ধতির কারণে আপামর জনসাধারণের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মিশে যায়। তারা একে অপরের সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদান খুব সহজেই করতে পারে।  পাশাপাশি সমাজের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্টকারী কারা তাদের সহজে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা যায়। আমি বলতে পারি, এ দুটি পদ্ধতির কারণে দেশের আইনশৃঙ্খলা অনেকাংশেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে।  আমাদের পুলিশ সহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে তাতে করে আগামীতে রাষ্ট্রের ভেতর বিশৃঙ্খলা করার কেউ সাহস পাবে না। আর কমিউনিটি পুলিশিংয়ে এলাকাভিত্তিক যারা দায়িত্ব পালন করছেন তারা শুধু নিজের জন্য নয় রাষ্ট্রের কথা চিন্তা করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করবেন। এর উপকার শুধু আপনি বা আপনার পরিবার নয় পুরো সমাজ ভোগ করবে।

অনুষ্ঠানে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, বিদায়ী ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলামসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। মুখ্য সঞ্চালক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকী।